Authors

Items Showing 1 to 24 from 165 Authors results

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভারতীয় চিত্রশিল্পী, নন্দনতাত্ত্বিক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ও পিতামহ ছিলেন একাডেমিক নিয়মের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রজন্মের শিল্পী। এ সুবাদে তিনি ছোটবেলাতেই চিত্রকলার আবহে বেড়ে ওঠেন। পড়াশোনা সংস্কৃত কলেজে। ১৮৯০ সালে রবীন্দ্রনাথের খামখেয়ালি সভার সদস্য হন। যুক্ত হন কবিতার সাথে, নাটকের সাথে। ১৮৯৬ সালে কোলকাতা আর্ট স্কুলের সহকারী অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। গল্প, কবিতা, চিঠিপত্র, শিল্প আলোচনা, যাত্রাপালা, পুঁথি, স্মৃতিকথা সব মিলিয়ে তাঁর প্রকাশিত রচনা সংখ্যা প্রায় চারশ’। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যের রয়েছে- ‘শকুন্তলা’, ‘ক্ষীরেরপুতুল’, ‘রাজকাহিনী, ‘ভূত পত্রীর দেশ’, ‘নালক’, ‘বুড়ো আংলা’, ‘রং বেরং’, ‘ভারত শিল্পে মূর্তি’ ইত্যাদি।

আহসান হাবীব

কার্টুনিস্ট আহসান হাবীবের জন্ম সিলেটে। পাড়াশোনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, ভূগোলে। তাঁর পিতা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পিরোজপুরের এসডিপিও হিসবে কর্তব্যরত অবস্থায় শহিদ হন। পল্টু-বিল্টু, পটলা-ক্যাবলা তাঁর তৈরি কিছু বিখ্যাত কমিক্স চরিত্র। তিনি রম্য পত্রিকা ‘উন্মাদ’-এর সম্পাদক। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- ‘রাত বারোটার পরের জোকস’, ‘ফোর টুয়েন্টি ফোর আওয়ার জোকস’, ‘জোকস সমগ্র’, ‘৯৯৯ জোকস একটা ফাও’, ‘১০০১টি জোকস ১টি মিসিং’, ‘ভ্যালেন্টাইন জোকস’, ‘ভূত যখন Ghost', ‘বাছাই ভূত’ প্রভৃতি। তিনি ‘বাংলাদেশি কার্টুনের পিতা’, ‘গ্রান্ডফাদার অফ জোকস’ উপাধিতেও ভূষিত। তিনি তুরস্ক থেকে ‘নাসিরুদ্দিন হোজ্জা’ এবং ‘হাভানা পুরস্কার’-এ ভূষিত হয়েছেন। তিনি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সর্বকনিষ্ঠ ভাই।

অক্ষয়কুমার দত্ত

অক্ষয়কুমার দত্ত অবিভক্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা কলকাতার ওরিয়েন্টাল সেমিনারিতে। বাবার মৃত্যুর পর তাঁকে স্কুল ছেড়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে হয়। ফার্সি, সংস্কৃত ও বাংলাসহ আরো অনেক ভাষায় ছিল তাঁর দক্ষতা। সংবাদপত্রে লেখা প্রকাশ করে তিনি লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনুপ্রেরণা ছিল তাঁর লেখালেখির জগতে আরো এগিয়ে যাওয়ার উৎস। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- ‘প্রাচীন হিন্দুদিগের সমুদ্র যাত্রা ও বাণিজ্য বিস্তার’, ‘বাহ্যবস্তুর সহিত মানব প্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার’, ‘চারুপাঠ’, ‘ধর্মনীতি’, ‘পদার্থবিদ্যা’, ‘ভারতবর্ষীয় উপাসক সম্প্রদায়’ প্রভৃতি।

আলাওল

আলাওল, পূর্ণনাম সৈয়দ আলাওল (১৬০৭-১৬৭৩), ছিলেন মধ্যযুগের একজন বাঙালি কবি।বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে ধর্মীয় বিষয়বস্তুর গতানুগতিক পরিসীমায় রোমান্টিক প্রণয়কাব্যধারা প্রবর্তনকারী হিসাবে মুসলমান কবিগণের অবদান সর্বজনস্বীকৃত। এ সময়ে তারা আরবি ফার্সি ও হিন্দি সাহিত্যের বিষয়বস্তু ও ভাববৈচিত্র্য অবলম্বনে কাব্য রচনায় এক নবযুগ সৃষ্টি করেন। এপর্যায়ের কবিগণের মধ্যে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের বিচারে কবি আলাওলকে সর্বোচ্চ স্থান দেওয়া হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] আলাওল আরাকান রাজসভার অন্যতম কবি হিসাবে আবির্ভূত হলেও মধ্যযুগের সমগ্র বাঙালি কবির মধ্যে 'শিরোমণি আলাওল' রূপে শীর্ষস্থান অধিকারী। আরবি ফার্সি হিন্দি ও সংস্কৃত ভাষায় তিনি সুপণ্ডিত ছিলেন। ব্রজবুলি ও মঘী ভাষাও তার আয়ত্তে ছিল। প্রাকৃতপৈঙ্গল, যোগশাস্ত্র, কামশাস্ত্র, অধ্যাত্মবিদ্যা, ইসলাম ও হিন্দু ধর্মশাস্ত্র-ক্রিয়াপদ্ধতি, যুদ্ধবিদ্যা, নৌকা ও অশ্ব চালনা প্রভৃতিতে বিশেষ পারদর্শী হয়ে আলাওল মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য প্রতিভার পরিচয় দিয়েছন। কবি সৈয়দ আলাওল আনুমানিক ১৬০৭ সালে তৎকালীন মাদারীপুর জেলার ফতেয়াবাদে জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে মাদারীপুরের জালালপুরে অবস্থিত। তার পিতা ছিলেন ফতেয়াবাদের শাসনকর্তা মজলিশ এ কুতুবের অমাত্য। জলপথে চট্টগ্রাম যাওয়ার সময় আলাওল ও তার পিতা পর্তুগিজ জলদুস্যুদের দ্বারা আক্রান্ত হন ও তার পিতা জলদস্যুদের হাতে নিহত হন। অতপর তিনি জলদস্যুদের হাতে পরে ক্রীতদাস হিসাবে আরাকানে নীত হন। তার জীবনের অধিকাংশ সময় কেটেছে আরাকানে। তিনি আরাকান রাজ সাদ উমাদার এর অশ্বারোহী সেনাবাহিনীতে ভর্তি হন। তার কাব্যপ্রতিভার পরিচয় পাওয়া গেলে একসময় তিনি হয়ে পড়েন রাজসভার কবি। তাকে কাব্যচর্চায় বিশেষভাবে উৎসাহিত করেন রাজার একজন প্রধান কর্মচারী মাগন ঠাকুর।

আরিফ মঈনুদ্দিন

আরিফ মঈনুদ্দীনের জন্ম ফেনীর দাগনভূঁঞা উপজেলায়। শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। গল্প, উপন্যাস ও কবিতা সব মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা বিশ। তাঁর উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে- ‘এখানে জিন্দাবাদ ভাড়া পাওয়া যায়’, ‘হাত বাড়িয়ে দাও’, ‘ভালোবাসার দিনে প্রেমের পঙক্তিমালা’, ‘নিভৃত নিলয়ে’, ‘নোঙরে নিয়তির হাত’, ‘দহনলাগা তৃষ্ণা’, ‘অপ্সরা’, ‘মেঘ এসে ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়’, ‘জনকের জন্য কবিতা’ প্রভৃতি। তিনি কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ স্মৃতি পুরস্কার, কবি জসীম উদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার, রোটারীক্লাব ইন্টারন্যাশনালের সম্মাননা এবং বাংলাদেশ রাইটার্স ফাউন্ডেশন বেস্টবুক অ্যাওয়ার্ড পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

অরুণ কুমার বিশ্বাস

এক্স-নটরডেমিয়ান, ইংরেজি সাহিত্যে এমএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আন্তর্জাতিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় মাস্টার্স করেন লন্ডনে। লেখালেখির শুরুটা তার কলেজকাল থেকেই। তিনি অসম্ভব প্রাণোচ্ছল একজন মানুষ। ঘুরতে পছন্দ করেন। নতুন দেশ নতুন মানুষ তার আগ্রহের বিষয়। বিভিন্ন দৈনিক ও সাময়িকীতে নিয়মিত গল্প লিখছেন। শিশু কিশোরদের জন্য লিখছেন ছড়া, কবিতা, অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস, ভুতুড়ে ও গোয়েন্দাগল্প। পেশাগত কাজের ফাঁকে (বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস) তিনি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে নিয়মিত কলাম লেখেন। তিনি আড্ডার আমেজে জম্পেশ গল্পও বলেন । লেখক বস্তুত গোয়েন্দাগল্পের দারুণ ভক্ত। লেখা থেকে শেখা, তার মানে অন্ধ অনুকরণ নয়। সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা ও কোনান ডয়েলের শার্লক হোমসের আদলে নির্মিত ডিটেকটিভ অলোকেশ রয় তার প্রিয় চরিত্র। ক্রাইম জোন, অশরীরী, অন্তরালে, ক্রাইসিস, কফিমেকার, যে রহস্যের কিনারা হয়নি, জলপিপি তার উল্লেখযোগ্য গোয়েন্দাগ্রন্থ। অসামান্য মেধার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি নটরডেম কলেজে থেকে ১৯৯৫ সালে 'অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সেলেন্স' এবং স্পাই উপন্যাসের জন্য "এসিআই আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮ লাভ করেন । তার জন্ম গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থানাধীন জহরের কান্দি গ্রামে স্ত্রী ডা. অপতী মণ্ডল। দুই ছেলে অনিকেত ও অগ্নিশ। তারাও লেখে। পুরো লেখক পরিবার ।

অরূপ তালুকদার

অরূপ তালুকদারের জন্ম ৬ জানুয়ারি, ১৯৪৪ সালে বরগুনা জেলার গোলবুনিয়া গ্রামে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে সম্পন্ন করেন এমএ, এলএলবি। ষাটের দশকে যুক্ত ছিলেন চলচ্চিত্র, রেডিও, টেলিভিশন, সাংবাদিকতা ও পত্রপত্রিকা সম্পাদনার কাজে। ষাটের দশকে প্রকাশ হয় তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘সারাদিন সারারাত', এরপর ‘আশার নাম মৃগতৃষ্ণিকা’, ‘নীলিমায় নীল' ও গল্পগ্রন্থ 'রংরাজ ফেরে না'। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি যুক্ত ছিলেন 'স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র'র সঙ্গে। তিনি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ‘শব্দসৈনিক'। '৭৪-এ মুক্তধারা থেকে প্রকাশ হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'সেই নির্বাসন চাই'। '৭৮-এ কলকাতা হতে বের হয় কাব্যগ্রন্থ 'দূরের হরিণী', '৮২ সালে উপন্যাস 'বন্ধদুয়ার' ও কাব্যগ্রন্থ ‘অন্ধকারে আলোর ম্যাজিক'। অরূপ তালুকদার দীর্ঘ সাংবাদিক জীবনে ছিলেন 'কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস এ্যাসোসিয়েশন (সিজেএ), লন্ডন-এর সদস্য। বিভিন্ন সময়ে সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন দৈনিক পূর্বদেশ, দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক সংবাদ, দি ডেইলি স্টার, নিউজ টুডে, ইউএনবি ও আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা এএফপি এবং রয়টার্স-এ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইসলামিয়া কলেজ থেকে বি.এ ডিগ্রি অর্জন করেন। দেশবিভাগের পর পূর্ব পাকিস্তানে ফিরে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৪৮ সালে পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর প্রচেষ্টায় আওয়ামী লীগ ১৯৭০ সালের জাতীয় ও প্রাদেশিক নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয় লাভ করে। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে সারাদেশ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এরপরই তাঁকে ৯ মাসের জন্য পাকিস্তানের কারাগারে রুদ্ধ করা হয়। ১০ জানুয়ারি তিনি কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। মতাদর্শগতভাবে তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের বিশ্বাসী ছিলেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ- কারাগারে রোজনামচা, অসমাপ্ত আত্মজীবনী।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম পশ্চিমবঙ্গে। তাঁর পৈত্রিক নিবাস উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বনগাঁ’র বারাকপুর গ্রামে। ছেলেবেলাতেই তাঁর বাবাকে হারান। ১৯১৪ সালে প্রথম বিভাগে এনট্রান্স, ১৯১৬ সালে কলকাতার রিপন কলেজ (বর্তমানে সুরেন্দ্রনাথ কলেজ) থেকে প্রথম বিভাগে আই.এ, ১৯১৮ সালে ডিস্টিংশনসহ বি.এ পাশ করেন। ‘পথের পাঁচালী’, ‘অপরাজিত’, ‘আরণ্যক’, আদর্শ হিন্দু হোটেল’, ‘ইছামতী’, ‘চাঁদের পাহাড়’ প্রভৃতি তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় পরিচালিত চলচ্চিত্রটি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন। সত্যজিতের ‘অপরাজিত’ এবং ‘অশনি সংকেত’ চলচ্চিত্র দুটিও বিভূতির উপন্যাস অবলম্বনে। ১৯৫১ সালে ‘ইছামতী’ উপন্যাসের জন্য তিনি পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ লাভ করেন।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

বাংলা গদ্যের সম্রাট বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে। তার হাতেই প্রথম বাংলা কথাসাহিত্য সাবালক হয়ে ওঠে। নিজস্ব চিন্তা ও সময়কালকে তিনি চিত্রিত করেছেন তার অসামান্য সব লেখায়। তিনি হুগলি কলেজে অধ্যয়নকালে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংবাদ প্রভাকর ও সংবাদ সাধুরঞ্জনে লেখা শুরু করেন। তার অনেক লেখা এই দুই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। পড়া শেষ করে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। তিনি সারা জীবন তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন। তিনি বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। কমলাকান্ত ছদ্মনামেও লিখতেন তিনি। তার প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো- দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা, কৃষ্ণকান্তের উইল,দেবী চৌধুরানী, আনন্দমঠ।

দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

ঠাকুরমার ঝুলি পড়ে নাই কিংবা এর নাম শুনে নাই এমন লোক পাওয়া যাবে না। দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার ছিলেন এর লেখক। তিনি তৎকালীন ঢাকা জেলার সাভার উপজেলায় উলাইল এলাকার কর্ণপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। দক্ষিণারঞ্জনের বাবা রমদারঞ্জন ১৯০২ সালে মারা যান। পিতার মৃত্যুর পর তিনি পিসিমা রাজলক্ষ্মীর কাছে টাঙ্গাইল বসবাস শুরু করেছিলেন। তিনি একজন রচয়িতা এবং সাংগ্রহক। তাঁর সংগৃহীত জনপ্রিয় রূপকথার সংকলনটি চারটি খণ্ডে প্রকাশিত- ঠাকুরমার ঝুলি, ঠাকুরদাদার ঝুলি, ঠানদিদির থলে এবং দাদামাশয়ের থলে। এছাড়াও তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে সবুজ লেখা, আশীর্বাদ ও আশীর্বাণী, কর্মের মূর্তি, বাংলার ব্রতকথা প্রভৃতি।

Items Showing 1 to 24 from 165 Authors results

Boighor

Stay Connected