Authors

Items Showing 1 to 24 from 101 Authors results

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভারতীয় চিত্রশিল্পী, নন্দনতাত্ত্বিক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ও পিতামহ ছিলেন একাডেমিক নিয়মের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রজন্মের শিল্পী। এ সুবাদে তিনি ছোটবেলাতেই চিত্রকলার আবহে বেড়ে ওঠেন। পড়াশোনা সংস্কৃত কলেজে। ১৮৯০ সালে রবীন্দ্রনাথের খামখেয়ালি সভার সদস্য হন। যুক্ত হন কবিতার সাথে, নাটকের সাথে। ১৮৯৬ সালে কোলকাতা আর্ট স্কুলের সহকারী অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। গল্প, কবিতা, চিঠিপত্র, শিল্প আলোচনা, যাত্রাপালা, পুঁথি, স্মৃতিকথা সব মিলিয়ে তাঁর প্রকাশিত রচনা সংখ্যা প্রায় চারশ’। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যের রয়েছে- ‘শকুন্তলা’, ‘ক্ষীরেরপুতুল’, ‘রাজকাহিনী, ‘ভূত পত্রীর দেশ’, ‘নালক’, ‘বুড়ো আংলা’, ‘রং বেরং’, ‘ভারত শিল্পে মূর্তি’ ইত্যাদি।

আহসান হাবীব

কার্টুনিস্ট আহসান হাবীবের জন্ম সিলেটে। পাড়াশোনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, ভূগোলে। তাঁর পিতা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পিরোজপুরের এসডিপিও হিসবে কর্তব্যরত অবস্থায় শহিদ হন। পল্টু-বিল্টু, পটলা-ক্যাবলা তাঁর তৈরি কিছু বিখ্যাত কমিক্স চরিত্র। তিনি রম্য পত্রিকা ‘উন্মাদ’-এর সম্পাদক। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- ‘রাত বারোটার পরের জোকস’, ‘ফোর টুয়েন্টি ফোর আওয়ার জোকস’, ‘জোকস সমগ্র’, ‘৯৯৯ জোকস একটা ফাও’, ‘১০০১টি জোকস ১টি মিসিং’, ‘ভ্যালেন্টাইন জোকস’, ‘ভূত যখন Ghost', ‘বাছাই ভূত’ প্রভৃতি। তিনি ‘বাংলাদেশি কার্টুনের পিতা’, ‘গ্রান্ডফাদার অফ জোকস’ উপাধিতেও ভূষিত। তিনি তুরস্ক থেকে ‘নাসিরুদ্দিন হোজ্জা’ এবং ‘হাভানা পুরস্কার’-এ ভূষিত হয়েছেন। তিনি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সর্বকনিষ্ঠ ভাই।

অক্ষয়কুমার দত্ত

অক্ষয়কুমার দত্ত অবিভক্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা কলকাতার ওরিয়েন্টাল সেমিনারিতে। বাবার মৃত্যুর পর তাঁকে স্কুল ছেড়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে হয়। ফার্সি, সংস্কৃত ও বাংলাসহ আরো অনেক ভাষায় ছিল তাঁর দক্ষতা। সংবাদপত্রে লেখা প্রকাশ করে তিনি লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনুপ্রেরণা ছিল তাঁর লেখালেখির জগতে আরো এগিয়ে যাওয়ার উৎস। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- ‘প্রাচীন হিন্দুদিগের সমুদ্র যাত্রা ও বাণিজ্য বিস্তার’, ‘বাহ্যবস্তুর সহিত মানব প্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার’, ‘চারুপাঠ’, ‘ধর্মনীতি’, ‘পদার্থবিদ্যা’, ‘ভারতবর্ষীয় উপাসক সম্প্রদায়’ প্রভৃতি।

আরিফ মঈনুদ্দিন

আরিফ মঈনুদ্দীনের জন্ম ফেনীর দাগনভূঁঞা উপজেলায়। শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। গল্প, উপন্যাস ও কবিতা সব মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা বিশ। তাঁর উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে- ‘এখানে জিন্দাবাদ ভাড়া পাওয়া যায়’, ‘হাত বাড়িয়ে দাও’, ‘ভালোবাসার দিনে প্রেমের পঙক্তিমালা’, ‘নিভৃত নিলয়ে’, ‘নোঙরে নিয়তির হাত’, ‘দহনলাগা তৃষ্ণা’, ‘অপ্সরা’, ‘মেঘ এসে ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায়’, ‘জনকের জন্য কবিতা’ প্রভৃতি। তিনি কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ স্মৃতি পুরস্কার, কবি জসীম উদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার, রোটারীক্লাব ইন্টারন্যাশনালের সম্মাননা এবং বাংলাদেশ রাইটার্স ফাউন্ডেশন বেস্টবুক অ্যাওয়ার্ড পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম পশ্চিমবঙ্গে। তাঁর পৈত্রিক নিবাস উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বনগাঁ’র বারাকপুর গ্রামে। ছেলেবেলাতেই তাঁর বাবাকে হারান। ১৯১৪ সালে প্রথম বিভাগে এনট্রান্স, ১৯১৬ সালে কলকাতার রিপন কলেজ (বর্তমানে সুরেন্দ্রনাথ কলেজ) থেকে প্রথম বিভাগে আই.এ, ১৯১৮ সালে ডিস্টিংশনসহ বি.এ পাশ করেন। ‘পথের পাঁচালী’, ‘অপরাজিত’, ‘আরণ্যক’, আদর্শ হিন্দু হোটেল’, ‘ইছামতী’, ‘চাঁদের পাহাড়’ প্রভৃতি তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় পরিচালিত চলচ্চিত্রটি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন। সত্যজিতের ‘অপরাজিত’ এবং ‘অশনি সংকেত’ চলচ্চিত্র দুটিও বিভূতির উপন্যাস অবলম্বনে। ১৯৫১ সালে ‘ইছামতী’ উপন্যাসের জন্য তিনি পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ লাভ করেন।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

বাংলা গদ্যের সম্রাট বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে। তার হাতেই প্রথম বাংলা কথাসাহিত্য সাবালক হয়ে ওঠে। নিজস্ব চিন্তা ও সময়কালকে তিনি চিত্রিত করেছেন তার অসামান্য সব লেখায়। তিনি হুগলি কলেজে অধ্যয়নকালে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংবাদ প্রভাকর ও সংবাদ সাধুরঞ্জনে লেখা শুরু করেন। তার অনেক লেখা এই দুই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। পড়া শেষ করে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। তিনি সারা জীবন তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন। তিনি বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। কমলাকান্ত ছদ্মনামেও লিখতেন তিনি। তার প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো- দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা, কৃষ্ণকান্তের উইল,দেবী চৌধুরানী, আনন্দমঠ।

দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার

ঠাকুরমার ঝুলি পড়ে নাই কিংবা এর নাম শুনে নাই এমন লোক পাওয়া যাবে না। দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার ছিলেন এর লেখক। তিনি তৎকালীন ঢাকা জেলার সাভার উপজেলায় উলাইল এলাকার কর্ণপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। দক্ষিণারঞ্জনের বাবা রমদারঞ্জন ১৯০২ সালে মারা যান। পিতার মৃত্যুর পর তিনি পিসিমা রাজলক্ষ্মীর কাছে টাঙ্গাইল বসবাস শুরু করেছিলেন। তিনি একজন রচয়িতা এবং সাংগ্রহক। তাঁর সংগৃহীত জনপ্রিয় রূপকথার সংকলনটি চারটি খণ্ডে প্রকাশিত- ঠাকুরমার ঝুলি, ঠাকুরদাদার ঝুলি, ঠানদিদির থলে এবং দাদামাশয়ের থলে। এছাড়াও তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে সবুজ লেখা, আশীর্বাদ ও আশীর্বাণী, কর্মের মূর্তি, বাংলার ব্রতকথা প্রভৃতি।

Items Showing 1 to 24 from 101 Authors results

Boighor

Stay Connected