Dashyu Bonhurer Mrityudanda

দস্যু বনহুরের মৃত্যুদন্ড

Product Summery

বেলা বেড়ে আসছে, রহমান দলবল নিয়ে প্রতীক্ষা করছে— এই পথেই তাদের সর্দারকে নিয়ে পুলিশ ভ্যানগুলো আসবে। কিন্তু ঘন্টার পর ঘন্টা গড়িয়ে চললো। এতক্ষণও কোনো সাড়াশব্দ নেই পুলিশ ভ্যানের। নূরী সবচেয়ে বেশি ঘাবড়ে গেলো, রহমানকে লক্ষ্য করে বললো, ‘রহমান, আমাদের এই আক্রমণ প্রস্তুতি পুলিশবাহিনী হয়তো জ্ঞাত হয়েছে। তাই তারা সাবধানতা অবলম্বন করে অন্য পথে জম্বুর কারাগারে গমন করেছে।’ রহমান উদ্যত রাইফেল সোজা করে উঠে দাঁড়ালো, ‘জম্বুর কারাগারে যাবার এই একমাত্র পথ। নিশ্চয়ই কোনো ঘটনা ঘটে গেছে।’ নূরী বলে উঠলো, ‘রহমান, আমার মন বলছে হুরকে পুলিশ বাহিনী ধরে রাখতে পারেনি। রহমান, সে নিস্পাপ, সে পবিত্রতাকে কেউ জঘন্যভাবে হত্যা করতে সক্ষম হবে না।’ রহমান বলে ওঠে, ‘নূরী, আইনের কাছে নিস্পাপ বা পবিত্রতার প্রশ্ন কোনো কাজ করে না। সর্দারকে ওরা আইনের চোখে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছে। পুলিশ কিছুতেই তাদের আইন ভঙ্গ করবে না।’

আরও পড়ুন >

Tab Article

বেলা বেড়ে আসছে, রহমান দলবল নিয়ে প্রতীক্ষা করছে— এই পথেই তাদের সর্দারকে নিয়ে পুলিশ ভ্যানগুলো আসবে। কিন্তু ঘন্টার পর ঘন্টা গড়িয়ে চললো। এতক্ষণও কোনো সাড়াশব্দ নেই পুলিশ ভ্যানের। নূরী সবচেয়ে বেশি ঘাবড়ে গেলো, রহমানকে লক্ষ্য করে বললো, ‘রহমান, আমাদের এই আক্রমণ প্রস্তুতি পুলিশবাহিনী হয়তো জ্ঞাত হয়েছে। তাই তারা সাবধানতা অবলম্বন করে অন্য পথে জম্বুর কারাগারে গমন করেছে।’ রহমান উদ্যত রাইফেল সোজা করে উঠে দাঁড়ালো, ‘জম্বুর কারাগারে যাবার এই একমাত্র পথ। নিশ্চয়ই কোনো ঘটনা ঘটে গেছে।’ নূরী বলে উঠলো, ‘রহমান, আমার মন বলছে হুরকে পুলিশ বাহিনী ধরে রাখতে পারেনি। রহমান, সে নিস্পাপ, সে পবিত্রতাকে কেউ জঘন্যভাবে হত্যা করতে সক্ষম হবে না।’ রহমান বলে ওঠে, ‘নূরী, আইনের কাছে নিস্পাপ বা পবিত্রতার প্রশ্ন কোনো কাজ করে না। সর্দারকে ওরা আইনের চোখে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছে। পুলিশ কিছুতেই তাদের আইন ভঙ্গ করবে না।’

Tab Article

রোমেনা আফাজ প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক। তাঁর জন্ম বগুড়া জেলার শেরপুর থানায় ১৯২৬ সালে । তিনি ‘দস্যু বনহুর’ সিরিজের জন্য বাঙালি পাঠক সামজের কাছে বেশ পরিচিত। রোমেনা আফাজ লেখালেখি শুরু করেন শৈশব থেকেই। ছোটগল্প, কবিতা, কিশোর উপন্যাস, সামাজিক উপন্যাস, গোয়েন্দা সিরিজ ও রহস্য সিরিজ রচনা করেছেন তিনি। বাবা ছিলেন পুলিশ অফিসার। তার মুখে অপরাধ ও অপরাধীদের রোমহর্ষক কথা শুনে রোমাঞ্চকর গল্পের প্রতি মোহ সৃষ্টি হয়। তার লেখা ‘দস্যু বনহুর’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। এর জন্যই তিনি বিখ্যাত হন। সাহিত্য ও শিল্পকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য ২০১০ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয় রোমেনা আফাজকে।

0 REVIEW for ' দস্যু বনহুরের মৃত্যুদন্ড'

No review found

ADD A REVIEW

Your Rating


content title
Loading the player...