Shapod Sone

শ্বাপদ সনে

Product Summery

খুনের দায় এড়াতে প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটর বন্ধুর সাথে এক অজপাড়াগাঁয়ে গা ঢাকা দিতে এসে আরো বড় বিপদে পড়ে গেল শিল্পপতির বদরাগী ছেলে জামশেদ। একের পর এক গ্রামবাসি খুন হচ্ছে অজানা কোনোকিছুর হাতে। জামশেদের প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটর বন্ধু শিপলুর মতে, এটা সেই কিংবদন্তির শ্বাপদ যা গ্রামের পাশের রহস্যময় জঙ্গলে বাস করছে শত বছর ধরে। সত্যিই কি তাই? নাকি সবছিুর ব্যাখ্যা আরো জটিল? জঙ্গলের ভেতরের পুরনো মন্দিরে অবশেষে কার মুখোমুখি হতে হলো? অপার্থিব শ্বাপদের, নাকি সেই অসীম ক্ষমতাধরের, যে অন্ধকার জগতের রাজপুত্র, অমরত্বের চাবি যার হাতের মুঠোয়, লৌকিক পৃথিবীর অলৌকিক অধিশ্বর হয়ে উঠতে যার দরকার আর মাত্র একটা নরবলি? এই রহস্য উদঘাটন করতে হলে ডুব দিতে হবে কোনোমতে প্রাণ হাতে নিয়ে ফেরা একজনের অবিশ্বাস্য জবানবন্দীর গভীরে। নাবিল মুহতাসিমের প্রথম মৌলিক উপন্যাস, হরর-থ্রিলার ‘শ্বাপদ সনে’ পাঠককে ভিন্ন ধরণের একটি গল্পের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে।

আরও পড়ুন >

Tab Article

খুনের দায় এড়াতে প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটর বন্ধুর সাথে এক অজপাড়াগাঁয়ে গা ঢাকা দিতে এসে আরো বড় বিপদে পড়ে গেল শিল্পপতির বদরাগী ছেলে জামশেদ। একের পর এক গ্রামবাসি খুন হচ্ছে অজানা কোনোকিছুর হাতে। জামশেদের প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটর বন্ধু শিপলুর মতে, এটা সেই কিংবদন্তির শ্বাপদ যা গ্রামের পাশের রহস্যময় জঙ্গলে বাস করছে শত বছর ধরে। সত্যিই কি তাই? নাকি সবছিুর ব্যাখ্যা আরো জটিল? জঙ্গলের ভেতরের পুরনো মন্দিরে অবশেষে কার মুখোমুখি হতে হলো? অপার্থিব শ্বাপদের, নাকি সেই অসীম ক্ষমতাধরের, যে অন্ধকার জগতের রাজপুত্র, অমরত্বের চাবি যার হাতের মুঠোয়, লৌকিক পৃথিবীর অলৌকিক অধিশ্বর হয়ে উঠতে যার দরকার আর মাত্র একটা নরবলি? এই রহস্য উদঘাটন করতে হলে ডুব দিতে হবে কোনোমতে প্রাণ হাতে নিয়ে ফেরা একজনের অবিশ্বাস্য জবানবন্দীর গভীরে। নাবিল মুহতাসিমের প্রথম মৌলিক উপন্যাস, হরর-থ্রিলার ‘শ্বাপদ সনে’ পাঠককে ভিন্ন ধরণের একটি গল্পের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে।

Tab Article

নাবিল মুহতাসিমের জন্ম ও বেড়ে ওঠা রংপুরে। বাবা উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, মা গৃহিনী। রংপুর জিলা স্কুল ও কারমাইকেল কলেজে পড়েছেন। বর্তমানে চিকিৎসাশাস্ত্রে অধ্যয়ন করছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজে। সপ্তম শ্রেণীতে পড়ার সময় এক জাতীয় দৈনিকে লেখার মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ, এরপর অনেক জাতীয় ও স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় অসংখ্য লেখা প্রকাশ হয়েছে তার। লেখালেখির বাইরে আগ্রহ রয়েছে জ্যোতির্বিদ্যা, ভ্রমণ, ইতিহাস ও ভূগোলে। সব ধরণের বইপত্র, বিশেষত থ্রিলার ও হররের একনিষ্ঠ পাঠক। বাতিঘর প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে তার অনুবাদ ‘বর্ণ লিগ্যাসি’ ও ‘ফাইট ক্লাব’। ২০১৬ সালের বইমেলায় প্রকাশিত নাবিল মুহতাসিমের তার প্রথম মৌলিক হরর-থ্রিলার জনরার উপন্যাস ‘শ্বাপদ সনে’।

3 REVIEW for ' শ্বাপদ সনে'

লেখকের আরেকটি বই ‘বিভং’ থাকলেও এটাই আগে হাতে তুলে নিলাম এবং পড়তে পড়তে বুঝলাম যে একটুও ভুল করিনি এটা হাতে নিয়ে। আমি এখন হরর পড়িনা সাধারণত। কিন্তু এটা পড়ার পর মনে হয়েছে যে এটা না পড়লে দারুণ একটা গল্প মিস করতাম। বইটির বেশিরভাগ অংশ হরর ও শেষের দিকে একটুখানি থ্রিলার। তবে হরর বলেই যে “হাঁউ মাউ খাঁউ মানুষের গন্ধ পাঁউ” টাইপের ভূতের গল্পের ব্যাপার তা নয়, বেশ বুদ্ধিদীপ্ত একটা গল্প। হররের সাথে যদি থ্রিল যুক্ত হয় তাহলে যে সেটা অন্য একটা মাত্রা পায় তা বলাই বাহুল্য। বইটি পড়ার সময় গায়ে কাঁটা দেবে ও ভয়ের অনুভূতি হবে। গোটা বিষয়টি এতই নিখুঁতভাবে পরিবেশন করা হয়েছে যে মনে হবে পাঠক নিজেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে।

Miraj Gazi 2022-01-21 19:24:19

সয়না জ্বালা, তুমি বিনে চইল্লাম আমি শ্বাপদ সনে ।। বন্ধুর স্মৃতি ভুলতে না'রি বনের মাঝে দিনু পাড়ি । গাছের শাখে পাখি ডাকে দুঃখের কথা কইবো কাকে। সওয়ার হইয়া পঙ্খীর ডানায় বন্ধুর নাড়ি যাইতে মন চায়। দোলা লাগে ঝাউয়ের বনে, কত কতা ছিল মনে, প্রকাশি না কইতে পারি চলিয়া গেলাম ঘর ছাড়ি। বনের মাঝে জোছনারো বান নামিল য্যান স্বর্গের বাগান, ব্যাঘ্র সঙ্গি আমার হইলো মনের কতা আমায় কইলো। পশু পঙ্খী হইলো সাথী সুখেই কাটে দিবারাতি। বন্ধুর কথা ভুলবো বলি শ্বাপদ সনে আইলাম চলি, সয়না জ্বালা, তুমি বিনে চইল্লাম আমি শ্বাপদ সনে ।। বইয়ের নামঃ শ্বাপদ সনে লেখকঃ নাবিল মুনতাসিম প্রকাশনীঃ বাতিঘর প্রকাশনী পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২০৬ জনরাঃ হরর, থ্রিলার শুক্রবার। বেলা ১১ টা। চারদিক নিঃস্তব্ধ। আমি একা ঘরের এক কোণার সর্ব আলোকিত রুমে বসে আছি। তারপর পড়া শুরু করলাম "শ্বাপদ সনে"। আর বাকিটা... ইতিহাস! কাহিনীসংক্ষেপঃ বড়লোকের বখে যাওয়া সন্তান যাকে বলে আরকি, জামশেদ ঠিক তাই। ইন্টারন্যাশনাল গোল্ড মেডেলিস্ট শুটার। বন্ধুর সাথে ইনভেস্টিগেশনে যায় এক গ্রামে যেখানে গরু-ছাগল থেকে শুরু করে মানুষের লাশ পড়ছে। গুজব শোনা যায়, এ সবই এক পিশাচের কাজ। কিন্তু বাস্তবিক অর্থেই কে রয়েছে এর পেছনে?? পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ আমি ডার্ক ফ্যান্টাসি কিংবা হরর- যা-ই বলুন, এই জনরার বিরাট বড় ভক্ত। হরর জিনিসটাকে আমি অসম্ভব রকমের ভালোবাসি। যেমন ধরুন- রাতে বাথরুমে যাওয়ার সময় নিজে নিজে ভাবি- জানালার ওপাশ থেকে এখন কেউ অদ্ভুত স্বরে আমাকে ডাকবে কিংবা একা একা ঘুমালে নিজে থেকেই চিন্তা করি, 'আচ্ছা, আমি যদি এখন ভয় আনার চেষ্টা করি তবে কি সে আসবে? খাটের নিচ থেকে সে হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে আমার দিকে, মুহূর্তের জন্য দম বন্ধ হয়ে আসে। এটার মধ্যেও মজা খুঁজে পাওয়া যায়। তা, তেমনই দুপুরের স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে চাদর মুড়ি দিয়ে এটা শুরু করেছি। আমার এক্সপেক্টেশনের বাইরে ছিল যে, এটা এই লেভেলের হরর হতে পারে।(অতিরিক্ত লেভেলের ভালো বলবো না, তবে হ্যাঁ, যতটুকু ভালো বর্ণনা দিয়েছে ততটা আশা করিনি।) বাংলাদেশে সাধারণত হরর স্টোরিজ লেখা হয় 'ভূতের গল্প' নামে। কিন্তু এই দুটো শব্দ শুনলেই মনে পড়ে সেই চোখ নেই, কোটর থেকে রক্ত পড়া, চার পায়ে এগিয়ে আসতে থাকা সেই হাস্যকর ভূতগুলোর কথা। কিংবা, বাংলার ভূত-প্রেত-চূড়েল-স্কন্ধকাটা অয়্যারউলফও ইদানীংকালের হাস্যকর জিনিসে পরিণত হয়েছে। তাঁর ভেতর থেকেও আমি নাবিল মুনতাসিমের এই বইটা পড়ে বেশ মজা পেয়েছি। চরিত্রায়নঃ এই বইয়ে মোটমাট কয়টা চরিত্র ছিল তা গুনে দেখতে ইচ্ছে করছে না। তবে যাদের কথা এই মুহূর্তে মনে পড়ছে- জামশেদ, শিপলু, মজিদ দারোগা, খালেদুজ্জামান স্যার ব্লা ব্লা ব্লা। চরিত্রের সংখ্যা অগণিত।

Maliha Tabassum Arna 2022-01-16 17:55:10

বইয়ের শুরুতে বেশ চমকপ্রদ একটা পরিস্থিতি নিয়ে এসে তারপর লেখক বেশ সাবলীলভাবে পুরো গল্প এগিয়ে নিয়ে গেছেন। বিভিন্ন পরিস্থিতির বর্ণনা, আবহ এসব সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন। তবে আবহ ও পারিপার্শ্বিকের উপর জোর দিতে গিয়ে চরিত্রগুলোতে নজর দেয়া কম হয়ে গেছে । চরিত্রায়নে আরেকটু সময় দিলে ভালো হতো। আদর্শ থ্রিলারের মত রহস্য তৈরী করা এবং শেষে সকল সুতো মিলিয়ে নিয়ে রহস্য উদঘাটন করার পুরো প্রসেসটা ভালমতই ফুটিয়ে তুলেছেন। তবে থ্রিলার লেখার অভিজ্ঞ পাঠকেরা হয়তো একটু চিন্তা করলেই রহস্যের কিনারা করে ফেলতে পারবেন। লেখকের প্রথমদিকের লেখা হিসেবে চমৎকার একটি বই

Nahidul Islam 2022-01-13 23:41:55

ADD A REVIEW

Your Rating


content title
Loading the player...