আলোচিত বই

Items Showing 1 to 15 from 15 books results

নীলস্বপ্ন

মারুফ রেহমান
  • ৳৫৫

পরিষ্কার নীলাকাশ। কড়া রোদ উঠেছে। কিন্তু বাতাস ঠান্ডা। রঞ্জু রাস্তা দিয়ে হাঁটছে। আজ ফুল ফোটার দিন। লিপির বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। রফিকের ঘরে ফুটফুটে একটা রাজকন্যা এসেছে। পারুলের পেটে নতুন মানুষ, পৃথিবীতে আসার অপেক্ষা করছে। মোশারফ পারুলকে সঙ্গে করে ভিন দেশে সংসারের ছবি আঁকছে। ছায়াকুটির বাড়িও আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখে জেগে উঠেছে। সবচেয়ে বড় খবর হলো, রঞ্জু বিসিএস পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে। এদিকে রিয়া নীল শাড়ি পরেছে। চোখে কাজল দিয়েছে। এতে চোখ দুটি আরও টানা টানা লাগছে। তার হাতে একগুচ্ছ লাল গোলাপ। শরীর থেকে মিষ্টি একটা গন্ধ ভেসে আসছে। রিয়া কার জন্য অপেক্ষা করছে? বাবার মৃত্যুর পর রঞ্জু কি পারবে ছায়াকুটির বাড়ির হাল ধরতে?

আসমান

মারুফ রেহমান
  • ৳৫০

আমেরিকার কুখ্যাত জেল গুয়ানতানামো বে থেকে বিনা বিচারে ১২ বছর জেল খেটে মুক্তি পেয়েছে এক বাংলাদেশি। ওয়াশিংটন পোস্টের এই খবরে চমকে গেছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাফ জানিয়ে দিয়েছে এমন সন্ত্রাসীর দায়িত্ব বাংলাদেশ নেবে না। আমেরিকান আর্মির কার্গো প্লেন তাকে ফেলে গেছে আলবেনিয়ার তিরানা বিমান বন্দরে। ট্রাভেল ডকুমেন্টহীন দেশহীন মানুষটাকে পৃথিবীর কোনো দেশ রাজনৈতিক আশ্রয় দেয় না। রিফিউজির স্ট্যাটাস নিয়ে তাকে থাকতে হবে রেডক্রসের শেল্টারে। মানুষটা এখন কোথায় যাবে? চেনা সব দরজা বন্ধ হয়ে গেলে, একটা অচেনা দরজা খুলে যায়, জীবন বন্দি হয়ে গেলে সেটা জীবনকেও ছাপিয়ে যায়, সেই জীবনের গল্প জীবনের চেয়েও বড় হয়ে যায়... The Fiction Based on Fact; এই উপন্যাসের স্থান সত্য, কাল সত্য, ইতিহাস সত্য, কাল্পনিক শুধু এর চরিত্রগুলো।

খুন করার পর তাকে ভালোবেসে ফেলি

মারুফ রেহমান
  • ৳৬০

খ্যাতিমান শিল্পপতি এফ এম মিন্টুর বিরুদ্ধে একাধিক খুন-ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে পত্রিকা অফিসে হাজির হয় এক তরুনী। তার বক্তব্য চমকে ওঠার মতো। গোপনে শুরু হয় অনুসন্ধান। একপর্যায়ে কিছু তথ্য-প্রমাণও হাতে আসে। এরপর হঠাৎ করেই খুন হন মিন্টু। ক্লু-লেস এ খুনের ঘটনার কিনারা করা মুশকিল হয়ে পড়ে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনির তদন্তের সমান্তরালে নিজস্ব অনুসন্ধান চালান এক ক্রাইম রিপোর্টার। মিন্টুর স্ত্রী ও তার ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীকে ঘিরে সন্দেহ দানা বেঁধে ওঠে। শেষে তুচ্ছ সূত্র থেকে বের হয়ে আসে চমকপ্রদ গল্প। এটুকু বলা যায়, রুদ্ধশ্বাস এ উপন্যাসের শেষে নিশ্চিতভাবেই পাঠকের জন্য অপেক্ষা করে আছে দারুণ বিস্ময়! ভিন্নধর্মী উপন্যাসটি পড়ে শুধু রহস্য-রোমাঞ্চ নয়, একাধারে গোয়েন্দা কাহিনি আর প্রথাভাঙা প্রেমের অ্যাখ্যানের স্বাদও মিলবে।

বেজক্যাম্প হোটেলের মধ্যরাত

মারুফ রেহমান
  • ৳৪০

আমি আর এলিটা দাঁড়িয়ে আছি ব্যালকনিতে। জমে যাওয়া ঠাণ্ডায় ঘুমিয়ে গেছে পুরো পারো। নিস্তব্ধ পৃথিবী। এলিটার নিঃশ্বাসের শব্দ স্পষ্ট। শব্দের সাথে অনুমান করা যায় তার নাকের কাছটা তিরতির করে কেঁপে উঠছে। শরীরে পুলওভার চাপিয়েছি। কে জানতো ফের এই বেজক্যাম্পেই এসে ঠেকবো, কে জানতো আবার আমাদের দু’জনকে প্রকৃতি এই বারান্দায় এনে ফেলবে, ঠিক এমনই নিশিরাতে। ঠিক যেন সেই রাত ফিরে এসেছে, যেখান থেকে ভালো মন্দের শুরু। যেখান থেকে টর্নেডো শুরু হয়ে পরিণত হলো শান্ত সমুদ্রে। আজকের সাথে সেদিনের পার্থক্য এক জায়গায়। সে রাতে চাঁদ ছিল না। আজকের ঘুমন্ত পারোর আকাশে এক থালা নিঃসঙ্গ চাঁদ রয়েছে। পারোর শীত, কুয়াশার চাদর জোছনাকে মলিন করতে পারেনি বটে। ফিনকি দিয়ে ঝরছে চাঁদের আলো। এলিটার মুখ যেন গ্রামের মেলা থেকে কেনা এক টুকরো ঝকঝকে আয়না, আলো প্রতিফলিত হয়ে চাঁদকেই ফিরিয়ে দিচ্ছে।

চলুন, মানুষের কারখানায়

মারুফ রেহমান
  • ৳৪০

আশালতা দেবী বৈশাখী যাত্রাদলের প্রধান নায়িকা। সৌন্দর্যের দেবী। বছর দশেক আগে পাশের বাড়ির অমলের হাত ধরে পালিয়ে এসেছিল খুলনায়। কথা ছিল, অমল বিয়ে করবে। কিন্তু বিক্রি করে দেয় বানিশান্তার এক পার্টির কাছে। আশা পুলিশের হাত ঘুরে বৈশাখী যাত্রাদলের গোবিন্দ দেবনাথের কাছে আশ্রয় পায়। গোবিন্দ যখন আশালতাকে যাত্রাপালার নায়িকায় রূপান্তরিত করলেন, সামনে এসে দাঁড়ায় যাত্রার প্রধান নায়ক সেলিম চৌধুরী। নায়কের সঙ্গে পাল্লা দিতে আসেন খোদ যাত্রাদলের আধিকারিক গোবিন্দ দেবনাথ এবং ঢাকা থেকে আসা সিনেমার এক পরিচালক; সেও হরণ করতে চায় আশালতাকে। একজন আশালতা চারদিকের আমন্ত্রণে যখন দিশেহারা, ঠিক সেই সময় যাত্রাদল যায় ভাণ্ডারিয়ায়, যাত্রাভিনয় করতে। আশালতা দেবীর সৌন্দর্য আর যাত্রাভিনয়ে মুগ্ধ সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জালালউদ্দিন খোন্দকার। একা একজন আশালতা দেবী, মুখোমুখি অনেক চরিত্র। কোথায়, কতদূর যাবে আশালতা? কি করবে সেলিম চৌধুরী, গোবিন্দ দেবনাথ, খোন্দকার ও তার স্ত্রী হেলেনা খানম?

একরাত্রি

মারুফ রেহমান
  • ৳৬০

রাত গভীর হয়েছে। নীলুর থাকার ঘরের জানালা দিয়ে চাঁদের আলো বিছানার ওপর আছড়ে পড়েছে। সঙ্গে মৃদুমন্দ বাতাসের হালকা পরশ। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার ফলে তাহসান সৃষ্টিকর্তার এই দানটুকু নয়নভরে দেখতে পেল। এমন সময় নীলু জ্বলন্ত মোমবাতি হাতে নিয়ে রুমে ঢুকল। এখন জোছনার আলোয় প্রদীপের মতো নিবু নিবু মোমবাতির আলো নিতান্তই ম্লান হয়ে গেল। জোছনার আলোর সঙ্গে তাহসান তার মনের আলো মিশিয়ে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে, নীলু প্রতিমার মতো গভীর মায়াভরা কালো চোখে তার দিকে চেয়ে আছে। হাসনাহেনার পাগল করা সুবাস আবার বইতে শুরু করেছে। জোছনার আলো, হেনা ফুলের সুবাস আর নীলুর মায়াভরা মুখখানি একসঙ্গে মিশে গিয়ে এই নির্জন কক্ষটি আজ যেন স্বপ্নরাজ্যেরই একটুকরা অংশ হয়ে গেল। তাহসান মনে মনে ভাবে, এই মধুময় পরিবেশে নীলুর মতো একজন মানবীর সঙ্গে একই কক্ষে হাজার বছর কাটিয়ে দেওয়া যায়। কে জানে কিসের টানে, কিসের মোহে দুটি প্রাণ আজ এত পাশাপাশি, কাছাকাছি চলে এসেছে! তাহসানের রঙিন ভাবনা বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না। কোত্থেকে যেন দমকা হাওয়ায় ভেসে একখণ্ড চাপা কষ্ট এসে তার মনটাকে উদাস করে দিল। বারবার তাহসানের মনে হলো, এখানে সে এক রাতের অতিথি ছাড়া আর কিছুই না।

১৯৭১ বিধ্বস্ত বাড়িয়ায় শুধুই লাশ এবং

মারুফ রেহমান
  • ৳৯০

সবুজ ঘাসের ওপর জমাট বেঁধে আছে রক্ত! কারও রক্ত আবার মিশে গেছে বেলাইয়ের স্বচ্ছ জলে। এখানে সেখানে পড়ে আছে শিয়াল-কুকুরে খাওয়া অসংখ্য বীভৎস শরীর। দাউদাউ পুড়ছে বাড়িঘর। বাতাসে কেবলই লাশের গন্ধ। ১৯৭১ সাল। ১৪ মে। শুক্রবার। দুপুর ১টার মিনিট দশেক আগে হঠাৎ করেই পাকিস্তানি বাহিনী আক্রমণ করে বাড়িয়া এলাকায়। মিশন মাত্র ৪ থেকে ৫ ঘণ্টার। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় ‍হিন্দু অধ্যুষিত গাজীপুরের বাড়িয়া। তিন দিকে বেলাই বিলে বেষ্টিত বাড়িয়ায় নির্বিচারে চালানো হয় গণহত্যা। বিল সাঁতরে কিংবা নৌকায় চড়ে আত্মরক্ষা করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন শত শত নারী-পুরুষ আর শিশু। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নৃশংসতম এই গণহত্যার ঘটনায় কতজন প্রাণ হারিয়েছেন তার সঠিক পরিসংখ্যান বের করা সম্ভব হয়নি। তবে পাকিস্তানি নরপশুদের হত্যা শিকারের উল্লাসের নিচে শহিদ হন অন্তত দু’শত মানুষ। এঁদের কারোই ঠাঁই হয় নি স্বাধীনতাযুদ্ধের দলিলপত্রে। শ’খানেক শহিদের একটি নামের তালিকা ধরে প্রায় ৩ বছর অনুসন্ধানের পর গ্রন্থভুক্ত হলো বাড়িয়া গণহত্যা। বিধ্বস্ত বাড়িয়ায় শহিদ হওয়া সেই সকল নারী-পুরুষ ও শিশুদের নানা অজানা অধ্যায় ও বীভৎস সেই ঘটনার লোমহর্ষক বর্ণনা উঠে এসেছে।

Items Showing 1 to 15 from 15 books results

Boighor

Stay Connected