সামাজিক

Items Showing 1 to 24 from 68 books results

দুর্গেশনন্দিনী

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • ফ্রি বই

দুর্গেশনন্দিনী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। ১৮৬৫ সালের মার্চ মাসে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। দুর্গেশনন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্রের চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ বছর বয়সের রচনা। এই উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলা কথাসাহিত্যের ধারায় এক নতুন যুগ প্রবর্তিত হয়। ষোড়শ শতাব্দীর শেষভাগে উড়িষ্যার অধিকারকে কেন্দ্র করে মোঘল ও পাঠানের সংঘর্ষের পটভূমিতে এই উপন্যাস রচিত হয়। তবে এটিকে সম্পূর্ণরূপে ঐতিহাসিক উপন্যাস মনে করা হয় না। কোনো কোনো সমালোচক এই উপন্যাসে ওয়াল্টার স্কটের আইভানহো উপন্যাসের ছায়া লক্ষ্য করেছেন। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবদ্দশায় এই উপন্যাসের তেরোটি সংস্করণ প্রকাশিত হয় এবং ইংরেজি ও অন্যান্য ভারতীয় ভাষাতেও এটি অনূদিত হয়।

চোখের বালি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • ফ্রি বই

চোখের বালি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি সামাজিক উপন্যাস। ১৯০১-০২ সালে নবপর্যায় বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। ১৯০৩ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসের বিষয় ‘সমাজ ও যুগযুগান্তরাগত সংস্কারের সঙ্গে ব্যক্তিজীবনের বিরোধ’। উপন্যাসে চরিত্র গুলি হল :মহেন্দ্র, আশা, বিহারী, বিনোদিনী, রাজলক্ষ্মী, অন্নপূর্ণা। মহেন্দ্র তার মা রাজলক্ষ্মীর প্রথম অনুরোধে বিনোদিনীকে বিবাহ করে না। কিন্তু পরে তার কাকীর অনুরোধে আশাকে বিয়ে করে কিন্তু আশাকে বিয়ে করে সে তার মা কাকী ও পুরাতন বন্ধু বিহারীকে ভুলে যায়। কিন্তু শেষে নানা বাধা বিঘ্ন শেষে আবারও ফিরে আসে।

মাংসের তোরণ

আল মাহমুদ
  • ৳৫০

‘মাংসের তোরণ’ আল মাহমুদের একটি দেহবাদী গল্প। দৈহিক প্রয়োজন মেটাতে গল্পের চরিত্র আনজাম গিয়েছিল রাস্তায়, কোনো পতিতাকে তুলে আনতে। তুলেও এনেছিল তার গাড়ি করে। কিন্তু বাড়ির গাড়িবারান্দায় ঢুকেই দেখতে পায় মা’কে। বাধ্য হয়ে সে মার সঙ্গে মেয়েটিকে বান্ধবি বলে পরিচয় করিয়ে দেয়। হবু পুত্রবধুর বয়সী একটা মেয়েকে দেখে সহজ সরল রশিদা বেগমতো মহা খুশি। নিজ কক্ষে বসিয়ে আলাপ জুড়ে দিলেন মেয়েটির সংগে। রাগে ক্ষোভে আনজাম তার ঘরে গিয়ে মদে ডুবে যায়। মেয়েটি যখন তার ঘরে এসে নগ্ন হয় তখন আনজাম নগ্ননাভিমূলকে বাংলাদেশের মানচিত্র হিসেবে দেখতে লাগল। মেয়েটির নাভিমূল কি মানচিত্রের মতোই? নাকি আনজাম নেশাতুর বলে এমনটা মনে হচ্ছে? আনজাম ভেবে পায় না।

বিষবৃক্ষ

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • ফ্রি বই

বিষবৃক্ষ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। এটি বঙ্কিমচন্দ্রের চতুর্থ বাংলা উপন্যাস এবং তাঁর বিষবৃক্ষ-কৃষ্ণকান্তের উইল-রজনী গার্হস্থ্যধর্মী উপন্যাসত্রয়ীর অন্যতম।১২৭৯ বঙ্গাব্দের বৈশাখ সংখ্যা (১৮৭২) থেকে চৈত্র সংখ্যা (১৮৭৩) পর্যন্ত বঙ্গদর্শন পত্রিকায় মোট বারোটি কিস্তিতে বিষবৃক্ষ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭৩ সালের ১ জুন।এই উপন্যাসটি আধুনিক বাংলা উপন্যাস সাহিত্যের আদিযুগের একখানি উপন্যাস। বিষবৃক্ষ উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল সমসাময়িক বাঙালি হিন্দু সমাজের দুটি প্রধান সমস্যা - বিধবাবিবাহ ও বহুবিবাহ প্রথা।এই উপন্যাসের পটভূমি বিধবাবিবাহ আইন পাশ হওয়ার সমসাময়িক কাল। এই উপন্যাসের নায়িকা বিধবা কুন্দনন্দিনীর চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্রের কনিষ্ঠা কন্যার ছায়া অবলম্বনে রচিত হয় বলে জানা যায়।

রাইকমল

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  • ফ্রি বই

মহেশ মণ্ডল খুশি হইয়া আর একবার তামাক সাজিয়া খাইয়াছিল, খাওয়াইয়াছিল। এবং এবার সে জিজ্ঞাসা করিয়াছিল, বাবাজীর নাম কি ? বাউলও ওই সুরে সুর মিলাইয়া বলিয়াছিল, কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন-রসময় অনেক দূর, পঙ্করসে ডুবে রইলাম, বাপ-মা নাম দিয়েছেন রসিকদাস। ঘর কোথা গো? যাবে কোথা? ঘরের ঠিকানা বাউলের নাই বাবা, পথেই ঘুরছি; যাব ব্রজে তা পথের মাঝে পথ হারিয়েছি। ঠিক এই সময়েই ওই কমলিনীর সঙ্গে দেখা। মহেশ মোড়লের ছেলে রঞ্জনদের সঙ্গে খেলা সারিয়া সে তখন ঘরে ফিরিতেছিল। কচি মুখে রাসকলি ও খাটো চুলে বাঁধা চুড়া কুঁটি দেখিয়া বাউল বলিয়াছিল, এ যে দেখি খাসা বষ্টুমী! কি নাম গো তোমার? কমলিনী বলিয়াছিল, আমি কমল। বাউল বলিয়াছিল, শুধু কমল ন্যাড়া শোনায়, তুমি রাইকমল।

Items Showing 1 to 24 from 68 books results

Boighor

Stay Connected