ধর্ম

Items Showing 1 to 12 from 12 books results

সপ্তপদী

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  • ফ্রি বই

বাড়ি গিয়ে চিঠি লিখেছিলেন বাবা। লিখেছিলেন, “ইচ্ছা ছিল আসিবার সময় তোমার সম্মুখেই সকল কথা বুঝাইয়া বলিয়া আসি কিন্তু ‘সাবধানে চলিবে’ এই কথা ছাড়া কোনো কথা বলিতে পারি নাই। পত্রেও সকল কথা খুলিয়া লিখিতে বসিয়াও লিখিতে কেমন যেন বাধা অনুভব করিতেছি। তোমার মাকেও এসব কথা বলিতে পারিতেছি না। তাহা হইতে আমার মনের অবস্থা বুঝতে পারিবে। মনে হইতেছে উচিত হইবে না। তুমি উপযুক্ত পুত্র। বিদ্যাবুদ্ধিতে তুমি যখন সুখ্যাতি পাইতেছ, তখন কী করিয়া মন্দ বলিব? কিন্তু তবু বলিতেছি, আমার ভাল লাগিল না। মনে হইতেছে, ভাল হইবে না। যেন বড় বেশি আগাইয়া যাইতেছ। আমাদের শাস্ত্রে বলে, উপনয়নের সময় তিন পায়ের বেশি অগ্রসর হইতে নাই। তাহাতে আর ফিরিবার উপায় থাকে না। আমার মনে হইতেছে, তিন পায়ের বেশিই অগ্রসর হইয়াছ তুমি। অপর দিকে বলে, সাত পা একসঙ্গে পথ হাঁটিলে অবিচ্ছেদ্য বন্ধুত্ব হয়। দেখিলাম, কলিকাতায় তুমি অনেক পা অনেকের সঙ্গে হাঁটিয়াছ। সাত পা কি না জানি না। সপ্তপদ পূর্ণ না হইয়া থাকিলে আর আগাইও না। গোবিন্দ তোমাকে রক্ষা করুন। সপ্তপদ পূর্ণ হইয়া থাকিলে তিনি যেন আর দুইপদ তোমাকে আগাইয়া দেন।”

মহর্ষি খাজা মঈন উদ্দীন চিশতি (রহ.)

শেখ ফজলল করিম
  • ফ্রি বই

খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী ভারতীয় উপমহাদেশে কিংবদন্তিতুল্য একজন সুফি ব্যক্তিত্ব। তিনি তাঁর পীর উসমান হারুনির নির্দেশে ভারতে আগমন করে মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দেন এবং তারই মাধ্যমে বহু লোক ইসলাম গ্রহণ করেন। তাঁর চিশতি ধারার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক ধারা বা সিলসিলা এমনভাবে পরিচিত করেন ; পরবর্তীতে তাঁর অনুসারীরা যেমন, বখতিয়ার কাকী, বাবা ফরিদ, নাজিমদ্দিন আউলিয়াসহ আরো অনেকে ভারতের ইতিহাসে সুফি ধারাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান। মুসলিম সাধকদের মধ্যেই তিনিই প্রথম ভারতে বাজনাসহ সামা সংগীতের প্রচলন করে ইসলামের মননশীল আভিজাত্যের দিকটি তুলে ধরেন।

মৃত্যুক্ষুধা

কাজী নজরুল ইসলাম
  • ফ্রি বই

‘মৃত্যুক্ষুধা’ উপন্যাসটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের একটি রচনা। উপন্যাসটি শুরু হয় মূলত একটি দরিদ্র মুসলিম পরিবারের গল্প নিয়ে। যে পরিবারে রোগগ্রস্ত বৃদ্ধ মা, ৩ জন বিধবা পুত্রবধূ ও তাদের দেবর প্যাঁকালে। পরিবারের প্রায় অনেকগুলো সন্তানের ভরণপোষণের ভার আঠারো-উনিশ বছরের প্যাঁকালের ওপর। উপন্যাসে নজরুলের দ্বৈতসত্তার প্রকাশ ঘটেছে প্যাঁকালে ও আনসার চরিত্রের মধ্যে। আবার মেজ বউ-রুবি চরিত্রও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। উপন্যাসের চরিত্ররা ক্ষুধার তাড়নায় ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করে। ভালোভাবে বেঁচে থাকার জন্য মেজ বউকে এক যুদ্ধরত নারীর জীবন বেছে নিতে হয়েছে। কিন্তু তারপরও মেজ-বৌকে ফিরে আসতে হয় তার চিরচেনা সেই বস্তিজীবনে। সে মিশনারীদের বহু অনুরোধেও তিনি আর ফিরে যাননি আবার তওবা করে মুসলমানও হননি। কাজী নজরুল ইসলামের এ উপন্যাসে যুদ্ধোত্তর সময়ের শ্রেণিবৈষম্য, অর্থসংকট, নগরচেতনার প্রকাশ পেয়েছে। এখানে দারিদ্রের চিত্র, সাম্য ও বিপ্লবীচেতনা অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত।

Items Showing 1 to 12 from 12 books results

Boighor

Stay Connected