মনস্তাত্ত্বিক

Items Showing 1 to 24 from 44 books results

রজনী

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • ফ্রি বই

রজনী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। ১৮৭৫ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রথম এই উপন্যাস প্রকাশিত হয়। বই আকারে প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৭৭ সালে। ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সজনীকান্ত দাসের মতে, "রজনী বাংলা ভাষায় প্রথম মনস্তত্ত্ব বিশ্লেষণমূলক উপন্যাস।" বঙ্কিমচন্দ্রের জীবদ্দশায় এই উপন্যাসের তিনটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল। তৃতীয় সংস্করণটি (শেষ সংস্করণ, যেটি উপন্যাসের অধুনা-প্রচলিত পাঠ) প্রকাশিত হয় ১৮৮৭ সালে। ১৮৯৬ সালে রজনী উপন্যাসের গুজরাটি অনুবাদ প্রকাশিত হয়। ১৯২৮ সালে উপন্যাসটি ইংরেজিতে অনূদিত হয়।

রাইকমল

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  • ফ্রি বই

মহেশ মণ্ডল খুশি হইয়া আর একবার তামাক সাজিয়া খাইয়াছিল, খাওয়াইয়াছিল। এবং এবার সে জিজ্ঞাসা করিয়াছিল, বাবাজীর নাম কি ? বাউলও ওই সুরে সুর মিলাইয়া বলিয়াছিল, কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন-রসময় অনেক দূর, পঙ্করসে ডুবে রইলাম, বাপ-মা নাম দিয়েছেন রসিকদাস। ঘর কোথা গো? যাবে কোথা? ঘরের ঠিকানা বাউলের নাই বাবা, পথেই ঘুরছি; যাব ব্রজে তা পথের মাঝে পথ হারিয়েছি। ঠিক এই সময়েই ওই কমলিনীর সঙ্গে দেখা। মহেশ মোড়লের ছেলে রঞ্জনদের সঙ্গে খেলা সারিয়া সে তখন ঘরে ফিরিতেছিল। কচি মুখে রাসকলি ও খাটো চুলে বাঁধা চুড়া কুঁটি দেখিয়া বাউল বলিয়াছিল, এ যে দেখি খাসা বষ্টুমী! কি নাম গো তোমার? কমলিনী বলিয়াছিল, আমি কমল। বাউল বলিয়াছিল, শুধু কমল ন্যাড়া শোনায়, তুমি রাইকমল।

সপ্তপদী

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  • ফ্রি বই

বাড়ি গিয়ে চিঠি লিখেছিলেন বাবা। লিখেছিলেন, “ইচ্ছা ছিল আসিবার সময় তোমার সম্মুখেই সকল কথা বুঝাইয়া বলিয়া আসি কিন্তু ‘সাবধানে চলিবে’ এই কথা ছাড়া কোনো কথা বলিতে পারি নাই। পত্রেও সকল কথা খুলিয়া লিখিতে বসিয়াও লিখিতে কেমন যেন বাধা অনুভব করিতেছি। তোমার মাকেও এসব কথা বলিতে পারিতেছি না। তাহা হইতে আমার মনের অবস্থা বুঝতে পারিবে। মনে হইতেছে উচিত হইবে না। তুমি উপযুক্ত পুত্র। বিদ্যাবুদ্ধিতে তুমি যখন সুখ্যাতি পাইতেছ, তখন কী করিয়া মন্দ বলিব? কিন্তু তবু বলিতেছি, আমার ভাল লাগিল না। মনে হইতেছে, ভাল হইবে না। যেন বড় বেশি আগাইয়া যাইতেছ। আমাদের শাস্ত্রে বলে, উপনয়নের সময় তিন পায়ের বেশি অগ্রসর হইতে নাই। তাহাতে আর ফিরিবার উপায় থাকে না। আমার মনে হইতেছে, তিন পায়ের বেশিই অগ্রসর হইয়াছ তুমি। অপর দিকে বলে, সাত পা একসঙ্গে পথ হাঁটিলে অবিচ্ছেদ্য বন্ধুত্ব হয়। দেখিলাম, কলিকাতায় তুমি অনেক পা অনেকের সঙ্গে হাঁটিয়াছ। সাত পা কি না জানি না। সপ্তপদ পূর্ণ না হইয়া থাকিলে আর আগাইও না। গোবিন্দ তোমাকে রক্ষা করুন। সপ্তপদ পূর্ণ হইয়া থাকিলে তিনি যেন আর দুইপদ তোমাকে আগাইয়া দেন।”

বাহ্যবস্তুর সহিত মানবপ্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার

অক্ষয়কুমার দত্ত
  • ফ্রি বই

মানুষের জীবনে বাস্তব জগতের হাতছানি ক্রমাগত তাকে নানান পরিস্থির মধ্য দিয়ে নিয়ে চলে। সেইসব বাহ্যবস্তুর ভোগ বিলাসের দ্রব্যে নিজেকে নিয়োজিত করে মানুষ নিজেকে সুখী বোধ করে। তবে মানুষের বাহ্যিক পৃথিবীর বাহিরেও আরেকটি জগত আছে, সেখানে রয়েছে ভিন্ন এক সত্ত্বা। যা মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করে তার বোধ-বিচার অনুযায়ী। অক্ষয়কুমার দত্ত তার ‘বাহ্যবস্তুর সহিত মানবপ্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার’-রচনায় মানুষের সেই মনোভাবনাকে জাগিয়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন। তিনি সুনিপুনভাবে বিশ্লেষণ করেছেন মানবিক বোধ জাগ্রত করতে পারলে এই নশ্বর পৃথিবীও স্বর্গ সমতুল্য হয়ে উঠবে। মানুষের নানান বাহ্য জিনিসের প্রতি লোভ ও সুখভোগের তুলনায় বিবেক ও মননের যে হাতছানি তার অন্তরে রয়েছে তার প্রতি আরো বেশি সতেচন ও যত্নশীল হতে পারলে মানুষের অসাধ্য অনেককিছুই তারসাধ্যের মধ্যে চলে আসবে। প্রবন্ধটি পাঠক মনের সুগভীরে অন্তর্নিহিত কোনো অদেখা ভূবনের দরজা খুলে দিয়ে তাকে নতুন এক দিগন্তের সামনে এনে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে।

পাখি আমার একলা পাখি

হুমায়ূন আহমেদ
  • ৳৫০

স্ত্রী রুপার প্রতি মুগ্ধ রঞ্জু। বাবার চোখে ক্রমশঃ ব্যক্তিত্বহীন হয়ে পড়ছে সে। মা একদিন বললেন, 'তুই খারাপ ধরনের ছেলে'। রঞ্জুর চোখে তার মা একজন খারাপ ধরনের মা, স্ত্রী হিসেবে ব্যর্থ, শিক্ষিকা হিসেবেও ব্যর্থ। বোন মুনিয়ার সঙ্গে রঞ্জুর বনিবনা আপাতদৃষ্টিতে 'ভালো'। এদিকে রুপাকে নিয়েও অসন্তোষ আছে রঞ্জুর মা-বাবার মনে, বিশেষ করে মুখের ওপর ফটফট করে কথা বলা রুপাকে অসহ্য লাগে তাদের কাছে! অন্যদিকে রঞ্জুকে দেখা যায় একটি খুনের পরিকল্পনা করছে। কে খুন হতে যাচ্ছে রঞ্জুর হাতে? হুমায়ূন আহমেদের চমক ও রহস্যের সঙ্গে পরিচিত পাঠকগণ এই গল্পেও পাবেন তুঙ্গস্পর্শী এক পাঠ-অনুভূতি।

Items Showing 1 to 24 from 44 books results

Boighor

Stay Connected