স্মারক

Items Showing 1 to 8 from 8 books results

হুমায়ূনকে নিয়ে

হাসান শাওন
  • ৳৫০

মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে খারাপ কথা বলতে নেই। ছোটবেলায় শোনা এ কথা মানতে বাধ্য সবাই। কারও না-ফেরার দেশে প্রবেশমাত্রই আমাদের বলতে হয়, ‘বড় ভালো লোক ছিলেন, উজ্জ্বল প্রতিভা, সংস্কৃতিমনা পরিবারে বেড়ে ওঠা...।’ হুমায়ূনের অনুপস্থিতিতে তাকে নিয়ে কিছু বলা চিরাচরিত এ টাইপ স্তুতির বাইরে কি-না, এ প্রশ্ন অসঙ্গত নয়। তবে সমস্যা হচ্ছে, হুমায়ূন অন্য লোকের মতো নিজেই নিজেকে শনাক্ত করেছেন প্রতিটি সৃষ্টিকর্মেই। একটু কঠিনই তার ছিদ্রান্বেষণ। তার প্রয়াণ মুহূর্ত থেকে খোদ প্রকৃতিও সম্মত আশ্চর্য এ নক্ষত্রের সব কামনা পূরণে। হয়তো অনেক অনেক অতিক্রান্ত সময় পর কিছুটা অনুমান করা যেতে পারে তার রহস্যময় সৃষ্টিজগৎ। অথবা কুৎসিত যত গুঞ্জণের পরও মানুষের আকাশস্পর্শী ভালোবাসা কী করে পান এই মানুষ—এর উত্তর।

স্মৃতির জানালা

নূরজাহান সরকার
  • ৳৯০

অখণ্ড ভারতে জন্ম নূরজাহান সরকারের। বাবার চাকুরী সূত্রে তার শৈশব-কৈশোর কেটেছে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায়। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর তারা পাকিস্তানে চলে আসেন। তার বরের চাকরি হয় রাজশাহীর সারদায় পুলিশ একাডেমিতে। কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের অনুরোধে তিনি তার পশ্চিমবঙ্গে কাটানো জীবন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার সময়কাল ও পরবর্তী জীবন নিয়ে স্মৃতিগদ্যের গ্রন্থ লিখেছেন। লেখক গ্রন্থের ভূমিকায় লিখেছন- ‘লেখক হুমায়ূন আহমেদ আর আমার কনিষ্ঠ পুত্র মাজহারুল ইসলাম দখিন হাওয়ায় পাশাপাশি ফ্ল্যাটে থাকে। আমি থাকি পুত্রের কাছেই। আর হুমায়ূনের রত্নগর্ভা জননী আয়েশা ফয়েজও বেশির ভাগ সময় থাকেন পুত্রের সঙ্গে। আয়েশা ফয়েজের সঙ্গে আমার বেশ সখ্য। আমরা দুই প্রবীণ নানা বিষয়ে গল্প করি। আমাদের সেই গল্পে মাঝে মাঝে যোগ দেয় হুমায়ূন। প্রচুর কৌতূহল তার। আমার কাছে অনেক কিছু জানতে চায়, বিশেষ করে আমার জীবনের নানা ঘটনা। ডায়মন্ড হারবার আর কলকাতায় আমার শৈশব-কৈশরের দিনগুলিতে যেন তার আগ্রহটা একটু বেশি। আমি তাকে সেসব বলি নিজের মতো করে। হুমায়ূন নিবিষ্ট শ্রোতা, মুগ্ধতা তার চোখে। সে বলে, খুব ইন্টারেস্টিং! আপনি এগুলি লিখে ফেলেন।

হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে নয় রাত

মাজহারুল ইসলাম
  • ৳৯০

জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদের প্রয়াণে মাজহারুল ইসলাম কোনো শোকগাথা লিখেন নি। বরং জীবনের দুর্লভতম নয়টি দিন-রাত্রির কথা উল্লেখ করেছেন তাঁর এই গ্রন্থে। জীবনের ২১৬টি ঘণ্টা ইউরোপের তিনটি দেশ একত্রে ঘুরেছেন তাঁরা দু’জন। হুমায়ূন আহমেদ যখনই দেশে কিংবা দেশের বাইরে ঘুরতে বেরিয়েছেন, দলবল ছিল তাঁর সঙ্গী। এই ছিল তাঁর রীতি। সেই তিনি শুধু মাজহারুল ইসলামকে সাথি করে নয়টি দিন-রাত্রি পার করেছেন জার্মানি, ফ্রান্স আর ইতালিতে। ইউরোপের ঐতিহ্য আর রূপের এই ঝলকের ভিড়েও মাজহারের একমাত্র আকর্ষণ ছিল প্রিয় লেখককে একান্তে দেখা, অনুভব করা। এই বইয়ে সেইসব অনুভব আর ঘটনার বর্ণনা আছে, যার দুর্লভ ও চাক্ষুষ সাক্ষী তিনি।

শাওনের বয়ানে হুমায়ূন

শোয়েব সর্বনাম
  • ৳৮০

গুলতেকিনের সঙ্গে হুমায়ূনের প্রেমের গল্প সকলেই জানেন। স্কুলপড়ুয়া অবস্থায় হুমায়ূনের উপন্যাস পইড়া গুলতেকিন তার প্রেমে পড়েন। অতঃপর বিয়েও করেন। যদিও সেই বিয়ে শেষ পর্যন্ত টিকে নাই। গুলতেকিনই কি হুমায়ূনের প্রথম প্রেম? শাওন জানাইতেছেন, না। তরুণ বয়সে আরো একটা মেয়ের প্রেমে পড়েছিলেন হুমায়ূন। হুমায়ূন তার আত্মজৈবনিক বইগুলাতে অনেক কথাই বলছেন। কিন্তু, প্রথম প্রেমের গল্প কোথাও বলেন নাই। শাওনের কাছে জানা যায়, নীলু নামের এক তরুণীর প্রেমে পড়ছিলেন হুমায়ূন। নীলু সম্ভবত হুমায়ূনের খুবই প্রিয় ছিলেন। তার অনেক উপন্যাসেই নীলুকে বারবার আসতে দেখা যায়। তবে এর কারণ প্রেম না অপরাধবোধ সেইটা গবেষকরা খুঁইজা বাইর করবেন। প্রথম জীবনে নীলুকেই বিয়ে করার কথা ছিল এই কিংবদন্তি সাহিত্যিকের। পরিকল্পনামতো, নীলু বাড়ি থেকে ব্যাগ গুছায়া নিয়া রেলস্টেশনে চইলা আসেন। হুমায়ূনের সেইখানে আগে থেকেই হাজির থাকার কথা। তিনি হাজিরও ছিলেন। কিন্তু কোনো এক রহস্যময় কারণে সেইদিন মেয়েটার মুখোমুখি হন নাই। বেচারি নীলু অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে একা একাই ট্রেনে উঠে পড়ে। দূর থেকে নীলুকে ট্রেনে উঠতে দেখার পর একাই বাড়িতে ফিরত আসেন হুমায়ূন। এর বহু বছর পর ‘আগুনের পরশমণি’ সিনেমার শুটিংয়ে নীলুর সাথে দেখা হয় হুমায়ূনের।

Items Showing 1 to 8 from 8 books results

Boighor

Stay Connected