এডিটরস চয়েস

Items Showing 1 to 24 from 50 books results

ফিরে আসা

মাহরীন ফেরদৌস
  • ৳৫৫

আমেরিকা থেকে বারো বছর পর ঢাকা ফিরেছে রুহুল ইসলাম উল্লাস। এইচ.এস.সি পাশের পর বৃত্তি নিয়ে সে আমেরিকায় পড়তে গিয়েছিল। গত ছয় মাস আগে গ্রীন কার্ড পেয়েছে। ছোট বোন কান্তির সাথে গল্প করছিল উল্লাস। হঠাৎ অপরিচিত এক মেয়ের ফোন আসলো। তার নাম নাতাশা। সে উল্লাসের সাথে দেখা করতে চায়। দেখা করে অবাক হয় উল্লাস। নাতাশা অসম্ভব সুন্দরী। কিন্তু এই সৌন্দর্য-ই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। আলী জুলফিকার ক্ষমতাসীন দলের নেতা। সে নাতাশাকে পছন্দ করে। বিয়ে করতে চায়। নাতাশা ও তাদের বাড়ির প্রতি লোভ তার। সে জন্য নাতাশা উল্লাসের সহযোগিতা নিয়ে আমেরিকা চলে যেতে চায়। জুলফিকারের হাত থেকে নাতাশাকে রক্ষা করার চেষ্টা করে উল্লাস।

চলুন, মানুষের কারখানায়

মাহরীন ফেরদৌস
  • ৳৪০

আশালতা দেবী বৈশাখী যাত্রাদলের প্রধান নায়িকা। সৌন্দর্যের দেবী। বছর দশেক আগে পাশের বাড়ির অমলের হাত ধরে পালিয়ে এসেছিল খুলনায়। কথা ছিল, অমল বিয়ে করবে। কিন্তু বিক্রি করে দেয় বানিশান্তার এক পার্টির কাছে। আশা পুলিশের হাত ঘুরে বৈশাখী যাত্রাদলের গোবিন্দ দেবনাথের কাছে আশ্রয় পায়। গোবিন্দ যখন আশালতাকে যাত্রাপালার নায়িকায় রূপান্তরিত করলেন, সামনে এসে দাঁড়ায় যাত্রার প্রধান নায়ক সেলিম চৌধুরী। নায়কের সঙ্গে পাল্লা দিতে আসেন খোদ যাত্রাদলের আধিকারিক গোবিন্দ দেবনাথ এবং ঢাকা থেকে আসা সিনেমার এক পরিচালক; সেও হরণ করতে চায় আশালতাকে। একজন আশালতা চারদিকের আমন্ত্রণে যখন দিশেহারা, ঠিক সেই সময় যাত্রাদল যায় ভাণ্ডারিয়ায়, যাত্রাভিনয় করতে। আশালতা দেবীর সৌন্দর্য আর যাত্রাভিনয়ে মুগ্ধ সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জালালউদ্দিন খোন্দকার। একা একজন আশালতা দেবী, মুখোমুখি অনেক চরিত্র। কোথায়, কতদূর যাবে আশালতা? কি করবে সেলিম চৌধুরী, গোবিন্দ দেবনাথ, খোন্দকার ও তার স্ত্রী হেলেনা খানম?

সময় অসময়ের মুক্তিযুদ্ধ

মাহরীন ফেরদৌস
  • ৳৭৫

এইসব কথকতার হৃদয়ে মুক্তিযুদ্ধ—যে মুক্তিযুদ্ধের শুরু ও শেষ কেবল একাত্তরেই নয়। মুক্তির চেতনা এসেছিল একাত্তরের অনেক আগে এ যেমন আমরা জানি, তেমনি জানি সেটিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য একরকম নিত্যসংগ্রামের প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়নি। সবক’টি লেখায় এ কথাই বলা আছে, আভাসে হলেও। জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত লড়াইয়ের ময়দানে মুক্তিযুদ্ধ করতে পারেননি। তিনি তখন দেশের বাইরে, সেখানে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত সংগঠিত করেছেন। দেশের ভেতরে ব্যক্তিগত ক্ষয়ক্ষতিও তো তাঁর কম হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের শরিক তিনি এভাবেই, সমস্ত মন-প্রাণ দিয়ে, বোধ ও আবেগ দিয়ে। জ্যোতিপ্রকাশের পাঠকমাত্রই জানেন, তাঁর রচনার গ্রন্থনা, গল্পের কারুকাজ ভিন্ন চরিত্রের, অন্য মাত্রার। সেখানে ঘটনার ঘনঘটা ও অনুপুঙ্খিতা থাকে না, তিনি বিছিয়ে রাখেন সংকেত। ফিকশন ও ফ্যান্টাসির গাঁটছড়া বাঁধেন। কখনো কাহিনির বয়ানে থাকে আত্মজৈবনিকতা, গল্পবীজের সঙ্গে সঙ্গত করে স্বগতকথন। এ সকলই তাঁর কাহিনি নির্মাণের নিজস্ব সীলমোহর। যাঁরা সহৃদয় হৃদয়সংবেদী রসগ্রাহী তাঁর গল্পের, তাঁরা সকলেই অবগত আছেন জ্যোতির এই গল্পচারিত্র্যে। ষাটের অমিতশক্তি এই গল্পকার, প্রায় কিংবদন্তীয়, আবার ফিরে এস

পরানে বাজে বাঁশি

মাহরীন ফেরদৌস
  • ৳৫০

একজন বৃদ্ধ পত্রিকার শোক সংবাদের পাতায় হারিয়ে যাওয়া পরিচিতজনদের খুঁজতে থাকেন এবং একদিন সেই শোক সংবাদের পাতায় তার ছবিও দেখতে পান মোতাহার। আবার অফিসের প্রয়োজনীয় মোতাহার, সময়ের ব্যবধানে কেমন করে অপ্রয়োজনীয় হয়ে যায় ‘হোমলেস’ গল্পে লেখক সেটি দেখিয়েছেন। ‘ভিক্ষুক সমাচার’ গল্পে এক সময়ের মেধাবী ছাত্র হাসানের ভিক্ষুকদের নিয়ে গবেষণায় উঠে এসেছে ভিক্ষা-বাণিজ্যের আড়ালে থাকা অনেক তথ্য। হোক গল্প কিন্তু তা যেন চলমান সময়ের রাজনীতি- অর্থনীতি ও অপরাধ জগতের একটা ছবি। বইয়ের নাম গল্প ‘পরাণে বাজে বাঁশি’তে কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদকে উপস্থিত করে একটি দম্পতির দীর্ঘ দিনের দূরত্বকে আবিষ্কার করেছেন লেখক। গ্রন্থে সংকলিত অন্য গল্পগুলো হলো- জুলেখার জবানবন্দি, চম্পার মায়ের ডায়েরি, মাথামোটা এজাজ, সুখ-দুঃখের গল্প।

ফানুস

মাহরীন ফেরদৌস
  • ৳১৩০

মানুষ বুকে পুষে রাখে অসংখ্য অনুভব, এক জীবনে তার পুরোটা কখনোই বোঝা হয় না। আর হয় না বলেই নিজের অগোচরে আশ্চর্য এক সম্মোহনে বুঁদ হয়ে যায় তারা। সেই সম্মোহনের নাম ভালোবাসা। জীবনের বাকিটা সময় প্রবল স্রোতের মতো ভাসিয়ে নিয়ে যেতে থাকে সেই অনুভব, প্ৰবল ঘূর্ণিতে ডুবিয়েও দিতে থাকে। বুকের গহিনে সঙ্গোপনে লুকিয়ে রাখা এই আলতো অনুভবটুকু জীবনভর বয়ে বেড়ায়। কখনো ঝলমলে রোদে তা জেগে ওঠে, কখনো ভিজে যায় প্রবল বৃষ্টি ও বিষাদে। কতটা দূরে গেলে মানুষ হয়ে যায় অচেনা ফানুস ওই দূরত্বের গল্পটুকু আর কখনোই জানা হয় না। কারণ বুকের ভেতর যে রয়ে যায় আলগোছে সযতনে, কোন সে শারীরিক দূরত্ব তাকে আড়াল করে? মন সে এমনই জিয়নকাঠি, তার স্পর্শের কাছে রয়, জেগে থাকে না-ছোঁয়া দূরত্বের অদেখা মন কিংবা মানুষও।'ফানুস' তেমনই এক ভালোবাসার গল্প, সম্পর্কের গল্প। যেখানে অনুভবের আখরে লেখা হতে থাকে জীবন ও যন্ত্রণার গল্প। —সাদাত হোসাইন, কথাসাহিত্যিক

শঙ্খচিল

মাহরীন ফেরদৌস
  • ৳১১০

আমাদের চারপাশে অজস্ত্র গল্প। এই গল্প শুরু হয় সকালে সূর্য ওঠার পর থেকে, চলতে থাকে দিনভর, রাতভর। গল্পেরা কখনো থেমে থাকে না। গল্প খুঁজে পাওয়া যায় খুব সকালে কাজে বের হওয়া সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীর দিনলিপিতে কিংবা ঘাসে জমা শিশিরে উদোম পা ভিজিয়ে মাঠের পানে ছুটে চলা কৃষকের জীবনে। গল্প জমা হয় গৃহিণীর আটপৌরে হেঁসেলে কিংবা চাকুরিজীবীর ব্যস্ত কম্পিউটারে। গল্প জমা থাকে সড়কদ্বীপে অগভীর শিকড় নিয়ে বড় হওয়া বকুল অথবা মাঠের কোণে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ছাতিম গাছের অগ্রহায়ণে ফোটা ফুলের মাতাল সুবাসে। গল্প তৈরি হয় কমলি দাদীর অকারণে জড়ো করা সুপুরির খোল কিংবা শুকনো নারকেল পাতায়। জীবনের এই গল্পগুলো দৃশ্যকাব্যের মতো, অনুভব করা যায়। অনুভূতি স্পর্শ করা এসব গল্পে মাটির ঘ্রাণ পাওয়া যায়। ফেলে আসা শৈশব, সংসার, সম্পর্ক, দাম্পত্য, দুর্ভাগ্য এ রকম বিচিত্র অনুভব নিয়ে পুরো ‘শঙ্খচিল’ বইটি এক টুকরো জীবনের প্রতিচ্ছবি।

১৯৭১ বিধ্বস্ত বাড়িয়ায় শুধুই লাশ এবং

মাহরীন ফেরদৌস
  • ৳৯০

সবুজ ঘাসের ওপর জমাট বেঁধে আছে রক্ত! কারও রক্ত আবার মিশে গেছে বেলাইয়ের স্বচ্ছ জলে। এখানে সেখানে পড়ে আছে শিয়াল-কুকুরে খাওয়া অসংখ্য বীভৎস শরীর। দাউদাউ পুড়ছে বাড়িঘর। বাতাসে কেবলই লাশের গন্ধ। ১৯৭১ সাল। ১৪ মে। শুক্রবার। দুপুর ১টার মিনিট দশেক আগে হঠাৎ করেই পাকিস্তানি বাহিনী আক্রমণ করে বাড়িয়া এলাকায়। মিশন মাত্র ৪ থেকে ৫ ঘণ্টার। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় ‍হিন্দু অধ্যুষিত গাজীপুরের বাড়িয়া। তিন দিকে বেলাই বিলে বেষ্টিত বাড়িয়ায় নির্বিচারে চালানো হয় গণহত্যা। বিল সাঁতরে কিংবা নৌকায় চড়ে আত্মরক্ষা করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন শত শত নারী-পুরুষ আর শিশু। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নৃশংসতম এই গণহত্যার ঘটনায় কতজন প্রাণ হারিয়েছেন তার সঠিক পরিসংখ্যান বের করা সম্ভব হয়নি। তবে পাকিস্তানি নরপশুদের হত্যা শিকারের উল্লাসের নিচে শহিদ হন অন্তত দু’শত মানুষ। এঁদের কারোই ঠাঁই হয় নি স্বাধীনতাযুদ্ধের দলিলপত্রে। শ’খানেক শহিদের একটি নামের তালিকা ধরে প্রায় ৩ বছর অনুসন্ধানের পর গ্রন্থভুক্ত হলো বাড়িয়া গণহত্যা। বিধ্বস্ত বাড়িয়ায় শহিদ হওয়া সেই সকল নারী-পুরুষ ও শিশুদের নানা অজানা অধ্যায় ও বীভৎস সেই ঘটনার লোমহর্ষক বর্ণনা উঠে এসেছে।

জালবন্দি জীবন

মাহরীন ফেরদৌস
  • ৳৯০

উচ্চ শিক্ষার্থে বিদেশে গিয়ে রোহেনের পরিচয় হয় বাংলাদেশি তরুণী টিয়ারা আর চীনা তরুণী লি’র সঙ্গে। রোহেনের বন্ধু রিশানের সাথেও এই দুই তরুণীর বন্ধুত্ব হয়। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে রোহেন। অর্থনৈতিক আর সামাজিক অবস্থানের মাপকাঠিতে টিয়ারা আর রিশানের সাথে ওর অনেক ব্যবধান। কৃষ্টি আর সংস্কৃতির দিক থেকে ততোধিক ভিন্ন অবস্থানে লি। ভিন্ন ভাষাভাষী, ভিন্ন কৃষ্টি আর ভিন্ন ভিন্ন আর্থসামাজিক অবস্থানের এইসব তরুণ-তরুণীর বন্ধুত্ব, প্রেম আর ভালোবাসার গল্প নিয়ে রচিত হয়েছে ‘জালবন্দি জীবন’। অত্যন্ত মেধাবি, বন্ধু-স্বজনদের প্রিয়মুখ রোহেনের স্বপ্নগুলো কঠিন বাস্তবের নির্মম অভিঘাতে একের পর এক খাবি খেতে থাকে। উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন দেখা এই তরুণটি এবং তার বন্ধুরা এক সময় জড়িয়ে পড়ে জীবনের জালে। নির্মোহ বাস্তব আর মোহময়ী স্বপ্ন-এ দুইয়ের দোলাচলে কখনো স্বপ্নপূরণ, কখনোবা স্বপ্নভঙ্গ কিংবা নতুন স্বপ্নের হাতছানি। পথ চলতে গিয়ে রোহেন অনুভব করে জীবন যেমন অঞ্জলিভরে দেয়, তেমনি কেড়েও নেয় অনেক কিছু। তবুও কোন সে জালে যা মানুষকে জড়িয়ে নেয়? যার টানে মানুষ ছুটে বেড়ায় এক বুক আকুতি নিয়ে?

একরাত্রি

মাহরীন ফেরদৌস
  • ৳৬০

রাত গভীর হয়েছে। নীলুর থাকার ঘরের জানালা দিয়ে চাঁদের আলো বিছানার ওপর আছড়ে পড়েছে। সঙ্গে মৃদুমন্দ বাতাসের হালকা পরশ। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার ফলে তাহসান সৃষ্টিকর্তার এই দানটুকু নয়নভরে দেখতে পেল। এমন সময় নীলু জ্বলন্ত মোমবাতি হাতে নিয়ে রুমে ঢুকল। এখন জোছনার আলোয় প্রদীপের মতো নিবু নিবু মোমবাতির আলো নিতান্তই ম্লান হয়ে গেল। জোছনার আলোর সঙ্গে তাহসান তার মনের আলো মিশিয়ে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে, নীলু প্রতিমার মতো গভীর মায়াভরা কালো চোখে তার দিকে চেয়ে আছে। হাসনাহেনার পাগল করা সুবাস আবার বইতে শুরু করেছে। জোছনার আলো, হেনা ফুলের সুবাস আর নীলুর মায়াভরা মুখখানি একসঙ্গে মিশে গিয়ে এই নির্জন কক্ষটি আজ যেন স্বপ্নরাজ্যেরই একটুকরা অংশ হয়ে গেল। তাহসান মনে মনে ভাবে, এই মধুময় পরিবেশে নীলুর মতো একজন মানবীর সঙ্গে একই কক্ষে হাজার বছর কাটিয়ে দেওয়া যায়। কে জানে কিসের টানে, কিসের মোহে দুটি প্রাণ আজ এত পাশাপাশি, কাছাকাছি চলে এসেছে! তাহসানের রঙিন ভাবনা বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না। কোত্থেকে যেন দমকা হাওয়ায় ভেসে একখণ্ড চাপা কষ্ট এসে তার মনটাকে উদাস করে দিল। বারবার তাহসানের মনে হলো, এখানে সে এক রাতের অতিথি ছাড়া আর কিছুই না।

পিতা

মাহরীন ফেরদৌস
  • ৳৮৫

"পিতা। পরিবারের সবকিছু আগলে রাখা একটি চরিত্রের নাম। কেমন করে যেন নিজের ভেতর পুরো একটা সংসারের গল্প লুকিয়ে রাখেন। আস্থা, নির্ভরতা, সাহস আর ভালোবাসার বিস্তীর্ণ ছায়া দিয়ে স্বার্থহীনভাবে যে মানুষ আমাদের আগলে রাখেন তিনি এই পিতা। একটা দীর্ঘ সময় পরিবারের সবকিছু নিজের কাঁধে নিয়ে চলা এই পিতা সময় পেরুতেই কেমন করে জানি অনেকের কাছে গৌণ হয়ে ওঠেন। হারালেই অনুধাবন হয় পিতার এই শূন্যতা। শৈশব, কৈশোর আর তারুণ্য পেরিয়ে এই আমরাও একদিন পিতা হয়ে উঠি। তখন অনুধাবন করি কতটা দায়, মায়া আর ভালোবাসা নিয়ে একজন পিতা আমাদের পিতা হয়ে ওঠার স্থানটিতে নিয়ে এসেছেন। ‘পিতা’ গল্পগ্রন্থে আছে একজন পিতার দায়, ভালোবাসা, অভিমান, স্বপ্ন, সুখ আর কষ্ট নিয়ে নয়টি ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের গল্প। এই গল্পগুলো পড়ে নিজের ভেতরটা একবারের জন্যে হলেও জেগে উঠে বলবে, এ আমার গল্প, আমাদের গল্প।"

সিসেমের দ্বিতীয় দরজা

মাহরীন ফেরদৌস
  • ৳৮০

স্বপ্ন আর বাস্তবের বিভ্রমে পড়ে খুন হয় সুবর্ণা। অচিনের উদ্দেশে স্টিমারে ওঠে মুনতাসির। ঘোর-লাগা চন্দ্ররাত্রিতে সমুদ্রের ঘাই খেয়ে ঝলসে উঠা ঢেউ দেখতে দেখতে ঘাড়ে পূর্বাশার নিঃশ্বাসের গন্ধ অনুভব করে। অপরূপা পূর্বাশার সঙ্গে নানা কথোপথনের দীর্ঘ যাত্রা চলতে থাকে। সুবর্ণার পিঠাপিঠি পালিত ভাই অপুর প্রতি সুবর্ণার বাড়াবাড়ি প্রগাঢ় মায়া ভালোবাসাকে সবাই সন্দেহের চোখে দেখে। মুনতাসিরের হাতে অস্ত্র ওঠে সেই কারণেই। এইসব দিক চক্রে মুনতাসির যেখানে পৌঁছায় সেখানেও তার দেখা হয় আরেক অথবা একই সুবর্ণার সঙ্গে। সুররিয়ালিস্টিক এই উপন্যাসটি কখনো সত্যের মতো মিথ্যা, কখনো মিথ্যার মতো সত্যে আক্রান্ত।

নীলস্বপ্ন

মাহরীন ফেরদৌস
  • ৳৫৫

পরিষ্কার নীলাকাশ। কড়া রোদ উঠেছে। কিন্তু বাতাস ঠান্ডা। রঞ্জু রাস্তা দিয়ে হাঁটছে। আজ ফুল ফোটার দিন। লিপির বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। রফিকের ঘরে ফুটফুটে একটা রাজকন্যা এসেছে। পারুলের পেটে নতুন মানুষ, পৃথিবীতে আসার অপেক্ষা করছে। মোশারফ পারুলকে সঙ্গে করে ভিন দেশে সংসারের ছবি আঁকছে। ছায়াকুটির বাড়িও আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখে জেগে উঠেছে। সবচেয়ে বড় খবর হলো, রঞ্জু বিসিএস পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে। এদিকে রিয়া নীল শাড়ি পরেছে। চোখে কাজল দিয়েছে। এতে চোখ দুটি আরও টানা টানা লাগছে। তার হাতে একগুচ্ছ লাল গোলাপ। শরীর থেকে মিষ্টি একটা গন্ধ ভেসে আসছে। রিয়া কার জন্য অপেক্ষা করছে? বাবার মৃত্যুর পর রঞ্জু কি পারবে ছায়াকুটির বাড়ির হাল ধরতে?

গল্পগুলো বাড়ি গেছে

মাহরীন ফেরদৌস
  • ৳৩০

বাসায় ঢুকেই বুঝতে পারলাম গরুর মাংস রান্না হচ্ছে। কষানো মাংসের ঘ্রাণে বাড়িঘর ডুবে আছে। মনে হয় প্রায় সপ্তাহ দুয়েক পর আজকে বাসায় ভালো-মন্দ কিছু রান্না হচ্ছে। করিডোর দিয়ে যেতে যেতে এক ঝলক রান্নাঘরের দিকে তাকালাম। কে রান্না করছে, আম্মা নাকি মামি? দেখলাম মামি কাঠের বড় চামচ দিয়ে কড়াইয়ে প্রবল বেগে মাংস নাড়ছেন। কড়াই থেকে ধোঁয়া উঠছে। আমার পেটের ভেতরে খিদে তাণ্ডব নৃত্য শুরু করে দিলো। লম্বা পা ফেলে আম্মার ঘরের দিকে চলে গেলাম। আম্মা খাটে বসে কিবলামুখি হয়ে তসবি গুনছেন। আমি বাথরুমের দরজা যথাসম্ভব আস্তে খোলার চেষ্টা করলাম। আম্মা তাও টের পেয়ে গেলেন। ‘মনু নাকি! কখন আইছিস?’ ‘এই তো।’ ‘এই তো’ বলে আমি বাথরুমে ঢুকে গেলাম। আম্মার সঙ্গে কথা বাড়াতে চাই না। কী লাভ কথা বলে? কী বলব আমি?

Items Showing 1 to 24 from 50 books results

Boighor

Stay Connected