ক্লাসিক

Items Showing 1 to 24 from 54 books results

যোগাযোগ

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • ফ্রি বই

চট্টোপাধ্যায় পরিবার (বিপ্রদাস) এক সময় অভিজাত ছিল। এখন পতনের দিকে। অন্যদিকে ঘোষাল পরিবার (মধুসূদন) নব্য ধনী ও উদ্ধত। এই দুই পরিবারে মধ্যে বিবাদ চলে আসেছে। কুমুদিনী বিপ্রদাসের বোন এবং মধুসূদনের স্ত্রী। ফলে তাকে উভয় দিক সামলাতে হয়। কুমুদিনী অভিজাত ঐতিহ্যে লালিত পালিত হয়েছে এবং পরিবারের নারীদের সাথে ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করেছে। তার মনে স্বামী সম্পর্কে ধারণা হল স্বামী হবে দেবতুল্য, যাকে সে পূজা করবে। কিন্তু মধুসূদনের প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা প্রদর্শনে সে একটু নড়েচড়ে যায়। সে বাল্যকাল থেকে কীভাবে একজন পতিভক্ত স্ত্রী হবে সে শিক্ষা গ্রহণ করেছে, কিন্তু বিয়ের পর তার মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

নৌকাডুবি

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • ফ্রি বই

নির্ধারিত দিনে বিয়ে সম্পন্ন হলো। বরযাত্রী নৌকা দিয়ে ফিরছে। এমন সময় হঠাৎ শুরু হলো প্রচণ্ড ঝড়। ঝড়ে ডুবে গেল নৌকা। রমেশ ও তার স্ত্রী সুশীলা ছাড়া কেউ বেঁচে নেই। সময়ের সাথে সাথে রমেশ সুশীলার মধ্যে অনেক অসামঞ্জস্যতা দেখতে পেল। সুশীলার ভাষ্যমতে, তার স্বামী চিকিৎসক। কিন্তু রমেশ একজন উকিল। তাছাড়া সে জানায় তার নাম কমলা। রমেশ কৌশলে জানতে পারে সে মামার কাছে মানুষ হয়েছে, তার বাবা-মা মৃত এবং স্বামীর নাম নলিনাক্ষ। রমেশ বুঝে যায় কমলা তার স্ত্রী নয়। বেশ কিছুদিন পর হেমের সঙ্গে রমেশের আবার যোগাযোগ হয়। কিন্তু রমেশ হেমকে কিছু জানাতে পারে না। একসময় রমেশ হেমকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়।

গণদেবতা

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • ফ্রি বই

কুশলী অনিরুদ্ধ-গিরীশ, মাতব্বর শ্রেণীর হরিশ মন্ডল, প্রগতিশীল পেশাজীবি জগন-দেবু, পদ্ম-বিলু-দুর্গার মতো নানাশ্রেণীর নারীরা, বিপ্লবী যতীন- এ উপন্যাসের পাত্র-পাত্রীরা সকলেই গ্রামেরই বাসিন্দা। তবে সে গ্রাম বিভূতিভুষণের গ্রামের মতো শান্ত-স্নিগ্ধ নয় । শিল্পায়নের প্রভাবে শহরের ছোঁয়া এসে লেগেছে সেখানে। সামন্তপ্রথার বিলুপ্তিতে অর্থসমাগম বেড়েছে সমাজে, বিত্তের প্রভাবে পাওয়া ক্ষমতায় নিম্নস্তরের দুষ্টলোকেদের অনেকে ছিরুর মতো ভোল পাল্টে হয়েছে শ্রীহরি। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালোত্তীর্ণ এ উপন্যাসের পুরোটা জুড়েই পাওয়া যায় সামাজিক অবক্ষয় আর অনাচারের চিত্র।

চোখের বালি

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • ফ্রি বই

চোখের বালি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি সামাজিক উপন্যাস। ১৯০১-০২ সালে নবপর্যায় বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। ১৯০৩ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসের বিষয় ‘সমাজ ও যুগযুগান্তরাগত সংস্কারের সঙ্গে ব্যক্তিজীবনের বিরোধ’। উপন্যাসে চরিত্র গুলি হল :মহেন্দ্র, আশা, বিহারী, বিনোদিনী, রাজলক্ষ্মী, অন্নপূর্ণা। মহেন্দ্র তার মা রাজলক্ষ্মীর প্রথম অনুরোধে বিনোদিনীকে বিবাহ করে না। কিন্তু পরে তার কাকীর অনুরোধে আশাকে বিয়ে করে কিন্তু আশাকে বিয়ে করে সে তার মা কাকী ও পুরাতন বন্ধু বিহারীকে ভুলে যায়। কিন্তু শেষে নানা বাধা বিঘ্ন শেষে আবারও ফিরে আসে।

চতুষ্কোণ

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • ৳১০

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় জীবন ও সৃষ্টিতে ঋজু বৈজ্ঞানিকতাকে মেনে চলতেন, সেই তিনিও সৌন্দর্য ও সংবেদনশীলতার গুরুত্বকে অস্বীকার করেননি। তার রচিত চতুষ্কোণ উপন্যাসের মধ্যে শরীর-মনের সন্ধানের দ্বন্দ্ব ও দ্বন্দ্বোত্তরণের এক চূড়ান্ত নিদর্শন। মুদির হিসেবে সংসারের সুখ-দুঃখের হিসাব করা, শুধু মাটির ওপরে ভূমিকম্পের কারণ খোঁজা। যত আপত্তিকরই হোক, 'বিনা বাক্যব্যয়ে' সরসী তার দেহটা রাজকুমারকে দেখতে দিয়েছে। তার এই উপন্যাসের লক্ষ্য ব্যক্তির ভিতরদেশে, মনস্তত্ত্বে, বস্তুবাদিতা বা যৌনতায় তা অবসান মানে না, বস্তুবাদিতা বা যৌনতার আভ্যন্তর এলাকায় চ’লে যায় সত্যের সন্ধানে। উপন্যাস যে শেষ হয় এই বাক্যে 'জীবন তো খেলার জিনিস নয় মানুষের।' তা থেকে বোঝা যায়, সৌন্দর্যই অন্বিষ্ট ঔপন্যাসিকের, যত বিচিত্র পথে এই শিল্পরূপ কিংবা তার স্রষ্টা থাকুক তিনি এর সন্ধান করেন।

পদ্মানদীর মাঝি

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • ফ্রি বই

জীবন জীবিকার তাগিদে পদ্মানদীর সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত মানুষের কাহিনী এটি। পদ্মার সংগ্রামী জীবনের সাথে জেলেদের যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, তাতে তাদের আনন্দ নেই, নেই স্বপ্ন, নেই চাওয়া পাওয়া। আছে সীমাহীন বেদনা ভার। প্রাণান্তর পরিশ্রম করেও সেই পরিশ্রমের ফসল তারা ভোগ করতে পারে না। ভোগ করে মহাজন। উপসে তাদের দিন কাটে। জেলেদের জীবন দারিদ্র্যের নির্মম কষাঘাতে জর্জরিত। জেলেপাড়ার ঘরে ঘরে শিশুদের ক্রন্দন কোনো দিন থামে না। গ্রামের ব্রাহ্মণ শ্রেণীর লোকেরা অত্যন্ত ঘৃণাভরে জেলেদের পায়ে ঠেলে। কালবৈশাখীসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ তাদের অস্তিত্ব মুছে ফেলার জন্য বারবার আঘাত হানে।

শাস্তি

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • ফ্রি বই

মূল চরিত্র দুখিরাম, ছিদাম, বড় বৌ আর ছোট বৌ। রামবাংলার নিম্নবিত্ত, খেটে খাওয়া মানুষদের প্রতিদিনের জীবনপ্রবাহের নিখুঁত ছবি এই ‘শাস্তি’ গল্পটি। প্রাপ্য মজুরি থেকে বঞ্চনা, অতিরিক্ত শ্রম বিনিয়োগের যন্ত্রণা আর উপরি পাওনা হিসেবে কটূবাক্য এবং গঞ্জনার পীড়নে দুই ভাইয়ের নিত্যদিনের জীবন অসহনীয় ও দুর্বিষহ। অর্থনৈতিক অব্যবস্থার দুর্বিপাকে পড়া দুখিরাম ও ছিদামের পারিবারিক জীবনও সঙ্গত কারণেই সুখকর ছিল না। স্ত্রীদের ঝগড়া, কলহ, বিবাদও প্রতিদিনের জীবনযুদ্ধের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। ঘরে বাইরে এই বিধ্বস্ত অবস্থার শিকার দুখিরাম ও ছিদাম। ঘটনার বিপাকে খুনের দায় চাপে ছোট বৌ চন্দরার ওপর।

উদাসীন পথিকের মনের কথা

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • ফ্রি বই

‘উদাসীন পথিকের মনের কথা’য় উঠে এসেছে এক প্রতিবাদী বাঙালি নারী জমিদার প্যারীসুন্দরীর জীবন কাহিনী। সঙ্গে আছে অত্যাচারী এক নীলকর টিআই কেনির অত্যাচারের বিবরণ। কাহিনী দুটি ধারায় বিভক্ত। একদিকে রয়েছে নীলকর টিআই কেনির সঙ্গে সুন্দরপুরের (সদরপুর) মহিলা জমিদার প্যারীসুন্দরীর দ্বন্দ্ব, রায়ত-প্রজার ওপর কেনির অত্যাচার-নিপীড়ন, নীল স্বাধীণতা সংগ্রাম ও কেনির পরিণতি। কাহিনীর দ্বিতীয় ধারাটি গড়ে উঠেছে মোশাররফ-জনক মীর মোয়াজ্জম হোসেনের সঙ্গে তার ভ্রাতুষ্পুত্রী-পতি সা গোলামের তিক্ত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এবং এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মোয়াজ্জম হোসেনের দাম্পত্যজীবনের ঘটনা।

Items Showing 1 to 24 from 54 books results

Boighor

Stay Connected