স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পার্লামেন্ট গঠিত হয় ১৯৭৩ সালে। প্রতিষ্ঠার পর বাংলাদেশের পার্লামেন্ট চার দশকের বেশি সময় অতিক্রম করেছে। ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী পাস হওয়ার পর সংসদীয় ব্যবস্থার প্রতি দেশের মানুষের প্রত্যাশা বৃদ্ধি পায়। পুনঃপ্রতিষ্ঠিত সংসদীয় ব্যবস্থার অধীনে পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম ও নবম সংসদ পূর্ণমেয়াদ টিকে থেকে বিলুপ্ত হয়। সাধারণ বিবেচনায় এবং ১৯৯১-পূর্ববতী সংসদগুলোর তুলনায় এই চারটি সংসদের মেয়াদপূর্তি একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন। কিন্তু একটু গভীর পর্যবেক্ষণ থেকে এই চারটি সংসদের দুইটি বিশেষ নেতিবাচক বৈশিষ্ট্য বা প্রবণতা চিহ্নিত করা যায়। একটি হলো সংসদ সদস্যদের বিশেষ করে বিরোধী দলের সাংসদদের মাত্রাতিরিক্ত সংসদ বর্জন ও ওয়াকআউট। অন্যটি, সরকারি ও বিরোধী দলীয় সদস্যদের পরস্পরের প্রতি অসংসদীয় আচরণ ও অশোভন ভাষার প্রয়োগ। স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থার ওপর এসব ওয়াকআউট ও বর্জন কী রকম প্রভাব ফেলছে? সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের পরস্পরের প্রতি অসংসদীয় আচরণ ও অশোভন বাক্য বিনিময়কে কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?

জন্ম ১৯৬৫ সালে হবিগঞ্জে। পড়াশুনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। রাষ্ট্রবিজ্ঞান-এ অনার্স মাস্টার্স এবং পিস এন্ড কনফ্লিক্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে পিএইচডি করেছেন। তিনি সাংবাদিকতা দিয়ে পেশাজীবন শুরু করেন। ড. জালাল ফিরোজের সর্বাধিক আলোচিত গ্রন্থ 'পার্লামেন্টারি শব্দকোষ', ‌'বাংলাদেশের সাংঘর্ষিক রাজনীতি এবং পার্লামেন্ট' প্রভৃতি।

No review found

Write a review

    Bad           Good
content title
Loading the player...
Boighor

Stay Connected