অস্থির আর ঝঞ্ঝাবিক্ষুদ্ধ সময়ে ঘটে যাওয়া একটি খুনের রহস্য উদঘাটনে মরিয়া ভিন্ন মত আর স্বভাবের দু-জন মানুষ। অভিনবভাবে এক সন্দেহভাজনের সন্ধান পেলো তারা, অনেক কষ্টে তাকে ধরাও হলো কিন্তু হত্যারহস্য আর মিমাংসা করা গেলো না। এ ঘটনা বদলে দিলো তদন্তকারি দু-জনসহ আরো কিছু মানুষের জীবন। দুই যুগ পর স্মৃতিভারাক্রান্ত এক লেখক ব্যস্ত হয়ে পড়লো সেই হত্যারহস্য নিয়ে। চমকে যাবার মতো একটি ঘটনার মুখোমুখি হতে হলো তাকে। বিস্ময়কর সত্যটা জেনে যাবার পর নতুন এক সঙ্কটে নিপতিত হলো সে - সত্যটা প্রকাশ করার জন্য নির্ভর করতে হবে প্রকৃতির উপরে! ‘কেউ কথা রাখেনি’ একটি কাব্যিক অভিব্যক্তি। ঢালাও অভিযোগও বলা চলে। কিন্তু সত্যিটা হলো, কেউ কেউ কথা রাখে। মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের নিরীক্ষাধর্মী একটি কাজ। তার আগের কাজগুলোর তুলনায় একেবারেই ভিন্ন।

মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের প্রথম প্রকাশিত মৌলিক গ্রন্থ ‘নেমেসিস’। বিপুল জনপ্রিয়তার কারণে পর পর চারটি সিক্যুয়েল (‘কন্ট্রাক্ট’, ‘নেক্সাস’, ‘কনফেশন’ ও ‘করাচি’) লিখতে হয়। সেগুলোও পায় ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা। এ ছাড়া তার উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে ‘জাল’, ‘১৯৫২ নিছক কোনো সংখ্যা নয়’, ‘পেন্ডুলাম’, ‘কেউ কেউ কথা রাখে’ ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’ , ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও আসেন নি’ প্রভৃতি। শেষের দুটি উপন্যাসের গ্রহণযোগ্যতা ঈর্ষণীয়, অভাবনীয়। এই সিরিজ তাকে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করেছে পশ্চিমবঙ্গসহ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা বাংলা পাঠকের কাছে। সফল অনুবাদক ও জনপ্রিয় থ্রিলার লেখক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের আরেকটি পরিচয় হলো- তিনি বাতিঘর প্রকাশনীর প্রতিষ্ঠাতা প্রকাশক। তার জন্ম ঢাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে এক বছর অধ্যয়নের পর সেখান থেকে বেরিয়ে এসে তার সৃজনশীল সত্ত্বা বিকাশের উপযোগী আরেকটি বিষয় তথা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন মৌলিক রচনার আগেই বাংলার পাঠকের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন ভিনদেশী বিখ্যাত থ্রিলার অনুবাদ করার মধ্য দিয়ে।

No review found

Write a review

    Bad           Good
content title
Loading the player...
Boighor

Stay Connected