Arkon

আর্কন

Product Summery

একদল খুনিদের মধ্যে কেউ প্রথমবারের মতো খুন করতে যাচ্ছে, কেউ আগে দুর্ঘটনাবশত খুন করেছে, কারও আবার খুন করাটাই পেশা। ওদের সবাইকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে মাটির গভীরে এক রহস্যময় গোলকধাঁধায়। ওরা জানতে পারলো, এখানে ওদের জন্য অপেক্ষা করছে ভয়ংকর, অপার্থিব এক প্রাণী। পালাতে চাইলে ওদের যেভাবেই হোক ওই প্রাণীকে খুন করতে হবে। শুরু হলো বেঁচে থাকার এক রোমহর্ষক অভিযান। বেরিয়ে আসতে শুরু করলো একের পর এক রহস্যের জাল। গোলকধাঁধার অজানা বিপদ, শিকারি প্রাণীটার নারকীয় থাবা আর একে অপরের ষড়যন্ত্র থেকে কেউ কি শেষ পর্যন্ত বাঁচবে? তানজীম রহমানের ‘আর্কন’ এক অনবদ্য হরর-থ্রিলার, যা পাঠককে নিয়ে যাবে শ্বাসরুদ্ধকর আর অজানা বিপদে ঘেরা অচেনা এক জগতে।

Tab Article

একদল খুনিদের মধ্যে কেউ প্রথমবারের মতো খুন করতে যাচ্ছে, কেউ আগে দুর্ঘটনাবশত খুন করেছে, কারও আবার খুন করাটাই পেশা। ওদের সবাইকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে মাটির গভীরে এক রহস্যময় গোলকধাঁধায়। ওরা জানতে পারলো, এখানে ওদের জন্য অপেক্ষা করছে ভয়ংকর, অপার্থিব এক প্রাণী। পালাতে চাইলে ওদের যেভাবেই হোক ওই প্রাণীকে খুন করতে হবে। শুরু হলো বেঁচে থাকার এক রোমহর্ষক অভিযান। বেরিয়ে আসতে শুরু করলো একের পর এক রহস্যের জাল। গোলকধাঁধার অজানা বিপদ, শিকারি প্রাণীটার নারকীয় থাবা আর একে অপরের ষড়যন্ত্র থেকে কেউ কি শেষ পর্যন্ত বাঁচবে? তানজীম রহমানের ‘আর্কন’ এক অনবদ্য হরর-থ্রিলার, যা পাঠককে নিয়ে যাবে শ্বাসরুদ্ধকর আর অজানা বিপদে ঘেরা অচেনা এক জগতে।

Tab Article

তানজীম রহমানের জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই ঢাকা শহরে। পড়াশোনা করেছে নর্থ-সাউথ ইউনিভার্সিটিতে। ছোটবেলা থেকেই বই পড়ার আগ্রহ, বিশেষ করে হরর, থ্রিলার, কল্পবিজ্ঞানের মতো বিভিন্ন জনরার বই। তবে লেখার জগতে তার পদার্পণ অনুবাদসাহিত্যের মাধ্যমে। স্টিফেন কিং-এর বিখ্যাত ভৌতিক উপন্যাস দ্য শাইনিং ছিল তার প্রথম অনুবাদগ্রন্থ। এরপর তিনি হারলান কোবেনের কট, ডিম কুন্টজের ডার্কফল এবং জিম বুচারের ড্রেসডেন ফাইলস: স্টর্ম ফ্রন্ট উপন্যাসের অনুবাদ সম্পন্ন করেন। তার প্রথম মৌলিক উপন্যাস আর্কন প্রকাশিত হলে পাঠক সমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। দ্বিতীয় উপন্যাস অক্টারিন তাকে নিয়ে যায় অন্য এক উচ্চতায়। বৈচিত্র্যপূর্ণ কাজের প্রতি ঝোঁক আছে বলে পরবর্তিতে একেবারে নিরীক্ষাধর্মি একটি নভেলা কেটজালকোয়াটল ও সৃষ্টিবিনাশ রহস্য লেখেন, আর বলাই বাহুল্য সেটাও পাঠকসমাজে বিশেষভাবে সমাদৃত হয়। এছাড়াও বাতিঘর প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত এ পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি থ্রিলার গল্পসঙ্কলন-এ প্রকাশিত হয়েছে তার মৌলিক ও অনুদিত ছোটগল্প। বর্তমানে তিনি প্রথম সারির একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থায় কর্মরত আছেন ।

ADD A REVIEW

Your Rating

3 REVIEW for আর্কন !

৫ জন খারাপ মানুষকে অন্ধ করে ছেড়ে দেয়া হলো একটি গোলকধাঁধায়। যেখানে রয়েছে অন্ধকার জগতের ভয়ংকর এক প্রানী যাকে মারতে হলে লাগবে নির্দিষ্ট একটি ছুড়ি। আর সেই ছুড়িটাও আছে এই গোলকধাঁধারই কোনো এক জায়গায়। এই অন্ধ ৫ জন মানুষের গোলকধাঁধা থেকে মুক্তি পাওয়ার একটাই উপায় আর তা হলো খুঁজে বের করো ছুড়ি আর মেরে ফেলো সেই অন্ধকারের প্রানী কে। কাজটা কি এতোটাই সহজ?? #পর্যালোচনাঃ বেশ অদ্ভুত একটা বই পড়ে শেষ করলাম। এর আগে এমন কোনো ধরণের বই পড়ার অভিজ্ঞতা আমার ছিলো না। বইটাকে একাধারে মিথোলজিক্যাল হরর থ্রিলার জনরাতে ফেলা যায়। সত্যি বলতে গতানুগতিক থ্রিলারের বাইরের এই বইটি পড়ে আমি বেশ অভিভূত হয়েছি। লেখকের প্রথম উপন্যাস হিসাবে চমৎকার লেখনী। বইয়ের একদম শেষ পর্যন্ত টানা ধরে রাখতে পেরেছেন তিনি আমাকে। শুরুটা ভয়াল একটা অংশ দিয়ে হলেও একে একে উন্মোচন করেছেন গল্পের প্রতিটা চরিত্র এবং তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড। কে এই মানুষগুলাকে অন্ধ করে এখানে এনে ফেললো সেই প্রশ্নটার জবাব সহজেই অনুমান করা গেলেও, কেনো এনে ফেললো এই প্রশ্নের জবাবটা বেশ ইউনিক ছিলো। মাথা ঘুরিয়ে দেবার মতো টুইস্ট না থাকলেও, যে ছোটো ছোটো চমকগুলা ছিলো বইয়ে তা বেশ ভালো লেগেছে

Zakaria Minhaz 2022-01-15 17:08:07

এক কথায় বলে দিচ্ছি বইটা আমার চমৎকার লেগেছে।এরকম থ্রিলার বাংলা ভাষায় আর্কন ছাড়া আর আছে বলে মনে হয় না।একটা ভিন্নধর্মী অসাধারণ প্লট। চরিত্রগুলো পুরোপুরিই অন্ধ।এই অন্ধ চরিত্রগুলোর সাথে এক অজানা গোলকধাঁধা ঘুরে বেড়ানো।ভেবেছিলাম বইটা বোরিং হয়ে উঠবে না তো?সত্যি বলতে একবারের জন্যও মনে হয়নি এমন।অধ্যায়গুলো বেশ বড়ো বড়ো।এসব ক্ষেত্রে সাধারণত গতি কমে যায় কিংবা একসময় বিরক্ত লেগে ওঠে।আর্কন পড়ার সময় এমন কিছুও হয়নি। তানজীম রহমানের যেকোনো বইয়ের কাহিনী সংক্ষেপ পড়লেই বুঝবেন লেখক ভিন্নধর্মী প্লটভিত্তিক কাহিনী লেখেন।আর এ ব্যাপারটাই প্রাথমিক আকর্ষণ হিসেবে কাজ করে। দ্বিতীয়ত লেখকের বর্ণনাভঙ্গী অসাধারণ।বইয়ে মিথ,কাল্ট,হরর সবকিছুর সাথেই অ্যাকশন ব্যাপারটা ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত।সেই বর্ণনাগুলোও দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।তাছাড়া অন্ধ চরিত্রগুলোর অনুমানের উপর গোলকধাঁধার পরিবেশ,বিপদ,আবহাওয়া বর্ণনার বিষয়গুলো নিঁখুতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।তিনি চাইলেই নিজের দৃষ্টিকোণ থেকে কাহিনী তুলে ধরতে পারতেন।তাহলে পাঠকও একটা ভালো ধারণা পেতো।কিন্তু চরিত্রদের অনুমানের উপর ভিত্তি করে বর্ণনা..এটা যাস্ট ওয়াও।কারণ এতে একটা ব্যাপার বেশ ভালোভাবে চোখে পড়ে।অজানা আতঙ্ক।চরিত্রগুলোর পাশাপাশি আমিও সেই অজানা আতঙ্ক টের পাচ্ছিলাম। তৃতীয়ত ভাইয়ার লিখনশৈলী।এই বইটা ওনার প্রথম বই।প্রথম বই মানেই কিছু খুঁত থাকা,বর্ণনায় কিংবা লেখায় হালকা জড়তা থাকা..বিচিত্র কিছু নয়।কিন্তু এই বইটা পড়ার সময় আমার বারবার মনে হচ্ছিল উনি জাত লেখক।অনেকটা born to be a writer টাইপ।আমার বেশ মনে ধরেছে ভাইয়ার লেখা।আবার কবে পড়তে পারবো কে জানে।লকডাউনে অক্টারিন আটকে আছে। শেষে কাহিনীর ব্যাপারে কিছু বলি।বইটা দুইভাগে বিভক্ত।প্রথম পর্ব-প্রশ্ন ও দ্বিতীয় পর্ব-উত্তর।বইয়ের অনেকটা মাঝ বরাবর উত্তর পর্ব শুরু হয়।আর অধ্যায়টা শুরুই হয় এতোক্ষণ ধরে মনের ভেতর জমে ওঠা সব প্রশ্নগুলোর উত্তর নিয়ে।তাহলে বাকি কাহিনী কি নিয়ে।আসলে এটাই মজার।উত্তর পেয়ে গেছি।কিন্তু বই তো শেষ হয়ে যায়নি।আরও অনেক কিছু লুকিয়ে আছে সামনে।সবশেষে আরও কিছু টুইস্ট।আরও কিছু অজানা কাহিনী।চমৎকার কাহিনীবিন্যাস।বারবার বোকা বনে গেছি। বইয়ে মিথ,থ্রিল,হরর,কাল্ট,সাইন্স,অ্যাকশান কি নেই!মনে হতে পারে জগাখিচুরি পাকিয়ে বসেননি তো লেখক? কোনো একটা রান্নার প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো পরিমিত উপাদানে থাকলে যেমন রান্নার স্বাদ দ্বিগুণ বেড়ে যায় তেমনই এই বইটার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা।লেখক সবই পরিমিত রেখেছেন।ধীরে ধীরে সুতো ছেড়েছেন।এ ব্যাপারটাও আমার দারুণ লেগেছে।সময়ের অপেক্ষা করে সঠিক সময়ে পাঠকের জন্যে একটা চমক..বোর হওয়ার কোনো সুযোগই দিতে চাননি লেখক। বইটাতে অনেক জনরার সমাবেশ ঘটলেও মোটাদাগে এটি কাল্ট-হররই আসলে।অনেকটা লভক্রাফটিয়ান ধাঁচের।তেমন ভয় জাগানিয়া না হলেও বারবার শিউরে উঠেছি লেখকের বর্ণনাভঙ্গীর অবদানে। আপনি যদি লভক্রাফটিয়ান কিংবা হরর থ্রিলার পছন্দ করেন তাহলে নির্দ্বিধায় বইটা তুলে নিতে পারেন।ভালো লাগবে।শুধু থ্রিলার পছন্দ করলেও আমন্ত্রণ রইলো।পড়ে দেখতে পারেন।

Tarik Mahtab Siam 2022-01-15 12:19:13

ঘুম থেকে উঠলেন। আপনি এখন বিছানায় শুয়ে আছেন, তাই না? কিন্তু না। আপনি শুয়ে আছেন পাথুরে মেঝেতে! কেমন লাগবে? বরফশীতল মেঝেতে শুয়েই আপনি চোখ খোলার চেষ্টা করলেন। পারলেন না। এরপর আপনি চোখে হাত বুলিয়ে দেখলেন সেখানে কিছু নেই! চুপসে আছে চোখের চামড়া! সেখানে শুধুই কিছু সেলাইয়ের দাগ! কেমন লাগবে আপনার? একনজরে বইটি, আর্কন তানজীম রহমান বাতিঘর ৩০০ ৩৩৬ পৃষ্ঠা অকাল্ট/হরর/মিথ/অ্যাকশন/থ্রিলার রেটিং-৫/৫ ★কাহিনি সংক্ষেপ- একদল খুনি। তাদের ছেড়ে দেয়া হলো মাটির তলার একটা গোলকধাঁধায়। একের পর এক বিপদ তাদের সামনে। কিন্তু তাদের জন্য অপেক্ষা করছে এক ভয়ংকর প্রাণী। খুনি দলের সবার চোখ উপড়ে নেয়া হয়েছে। শুরু হলো বেঁচে থাকার এক লোমহর্ষক কাহিনি। এই গোলকধাঁধার পদে পদে বিপদ। বিপদগুলো কাটিয়ে তারা কি পারবে সেই ভয়ংকর প্রাণীকে মেরে ফেলতে? নাকি সেই প্রাণীর সামনে কচুকাটা হয়ে যাবে? কাল্ট, হরর, মিথ, অ্যাকশন ও থ্রিলারের সংমিশ্রণে তৈরী তানজীম রহমানের দুর্দান্ত একগল্প ❝আর্কন❞। ★পাঠ-পতিক্রিয়া- বইটা শুরু হতেই ইন্টারেস্টিং। ‘শুভ্র নামের একছেলে নিজেকে আবিস্কার করলো পাথরের মেঝেতে। চোখে কিছুই দেখছে সে। চোখে হাত বুলিয়ে সে অনুভব করে তার চোখ নেই। সেখানটা চুপসে আছে!’ কিছুটা এভাবেই শুরু হলো গল্প। আর কি রাখা যায় হাত থেকে বইটা! একে একে চরিত্রগুলি প্রবেশ করে বইতে। বশির, শীতল, সিড, পিন্টু। এই পাঁচটি চরিত্র নিয়েই কাহিনি শুরু। লেখকের প্রথম বই হিসেবে লেখনী বেশ ভালো। পরিপক্ক ও সুখপাঠ্য। পড়ে আরাম পাওয়া যায়৷ একটানা পড়া যায়। এই বইয়ে উল্লেখ্য একটা জিনিস, প্রতিটা অধ্যায়ই বড় বড়। সাধারণত দেখা যায়, বড় বড় অধ্যায়ওয়ালা বইগুলো পড়ার সময় একসময় বিরক্তি চেপে বসে। ফলে বইয়ের গতি কমে যায়৷ কিন্তু এই বইয়ে তার ব্যাতিক্রম হয়েছে৷ বড় বড় অধ্যায় থাকা সত্ত্বেও রেসিং কার গতিতে পড়ে গিয়েছি। কোথাও বিরক্তি চেপে বসেনি। বইটাতে একই সাথে অনেকগুলা জনরার সংমিশ্রণে লেখা। কাল্ট, হরর, মিথ, থ্রিলার। সবগুলো উপাদানই বেশ সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন লেখক। সাথে হালকা হালকা ফ্যান্টাসি আবহ তৈরী করেছেন লেখক। যা আমার কাছে খুব ভালো লাগে। বইটা দুটি ভাগে বিভক্ত। প্রশ্ন ও উত্তর ভাগ। প্রশ্নভাগে লেখক রহস্য রেখে এবং উত্তরভাগে সেই প্রশ্নগুলোর সুষ্ঠু উত্তর দেন তিনি। একটি বইয়ের ভালো লাগা, খারাপ লাগা নির্ভর করে বইটার স্টার্টিং, প্লট, চরিত্র এবং এন্ডিং। বইটা স্টার্টিং খুবই ভালো লেগেছে আগেই বলেছি। এবার প্লট নিয়ে বলব। গোলকধাঁধাঁ নিয়ে খুব কম বই নেই জানি। কিন্তু এটাই আমার প্রথম। অনেকবই আছে যেগুলো গোলকধাঁধাতে কাহিনি শুরু,অ্যাডভেঞ্চার, গোলকধাঁধা থেকে বেরোনো, এই এরকমই। এই প্লটটাও তেমন। কিন্তু এখানে একটা ইউনিক জিনিস আছে। সেটা হচ্ছে, এখানে যাদের প্রবেশ করানো হয়েছে, তাদের চোখ নেই বা অন্ধ! অন্ধত্বের তারা দেখতে পারছে না সামনে কি। পথ খোলা নাকি বন্ধ! এতেই অনেক রোমাঞ্চ তৈরী হয় কাহিনিতে। চরিত্র নিয়ে আলাদা করে বলব। তার আগে এন্ডিং নিয়ে বলি, এই কাহিনির এন্ডিংটা চমকে যাবার মতো৷ একের পর এক টুইস্ট আসছিলো শুধু। সেই টুইস্টের সাথে অ্যাকশন! কি কম্বিনেশন! সবশেষে বলব, শেষটা দারুণ ছিল। ★চরিত্রায়ন- মূল চরিত্র মোট পাঁচজন। তারমধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় চরিত্র দুইজন। শুভ্র এবং সিড। এই বইয়ে দুটি ভাগের কথা বলেছিলাম। আবার সেই দুটি ভাগে আলাদা আলাদা অধ্যায় ছিল। একটা ❝আঁধারে-এখন❞ এবং ❝আলোতে-অতীত❞। এখানে অতীতে বিভিন্ন সময়ের কাহিনি আছে, তাই স্পেসিফিকভাবে বলা যায়। কিন্তু আঁধার টাইমলাইনে বর্তমানের কাহিনিই বলা হয়। এই আঁধার চ্যাপ্টার সবগুলো চরিত্র একসাথে থাকে। আর আলোতে এই চরিত্রগুলোর আলাদা আলাদা অতীত দেখানো হয়। কিভাবে তারা এখানে এসেছে। তারমধ্যে এই দুইজন চরিত্রকেই বেশ ভালো লাগে আমার। সিড ও শুভ্র। তাদের অতীতগল্পটা যেমন সুন্দর লাগে। তেমনি বর্তমানে তাদের কর্মকান্ড এবং চিন্তাভাবনা বেশ ভালো লাগে। অন্যান্য চরিত্র। যেমন,বশির, শীতল, পিন্টু এদেরও ভালোই লাগে। ★প্রোডাকশন,বাঁধাই,প্রচ্ছদ- বইটা ২০১৮ সংস্করণের। বাঁধাই মোটামুটি ধরণের। কিন্তু সমস্যা হলো, পেজগুলো সাদা কালারের। একদম এপাতা থেকে ওইপাতা দেখা যায়। একদম সাদামাটা পেজ। প্রচ্ছদ করেছেন বাংলাদেশের প্রথম সারির একজন প্রচ্ছদশিল্পী ওয়াসিফ নূর ভাই। প্রচ্ছদ বেশ সুন্দর লেগেছে। বিশেষ করে ব্যাককভার বেশি নজরকাড়া।

MD Azmayn Mahtab Sifat 2022-01-13 18:10:28

এ রকম আরও বই