বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গগন চৌধুরি। তার নানামাত্রিক জীবনে রমণী ও ঐশ্বর্যের প্রাচুর্য ছিল বেশ। পোড়খাওয়া গগন সময়টাকে বশে আনতে গিয়ে বৈধ-অবৈধ নানারকম কাজে যুক্ত হন। তার বিচিত্র চলার পথে গলি-ঘুপচি ধরে অনিবার্যভাবে আসে প্রেম। একদিন নিজের বাড়িতে নিহত হন ব্যবসায়ী গগন চৌধুরি। খুন নাকি আত্মহনন! ডিটেকটিভ অলোকেশ একটি আগ্নেয়াস্ত্র ক্রয়ের সূত্রে এই কেসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন। ইন্সপেক্টর নাজিরের ধারণা, অলোক তাকে খুন না করলেও কিছু একটা সংশ্লেষ তার ছিলই। গগন চৌধুরি কেসে প্রায় ফেঁসেই যাচ্ছিল অলোকেশ। খুব কাছের বান্ধবী ও বিশিষ্ট আর্কিটেক্ট উর্বী ওরফে জলপিপি এসে দাঁড়ায় ওর পাশে...নতুন বাঁক নেয় ঘটনাপ্রবাহ...

এক্স-নটরডেমিয়ান, ইংরেজি সাহিত্যে এমএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আন্তর্জাতিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় মাস্টার্স করেন লন্ডনে। লেখালেখির শুরুটা তার কলেজকাল থেকেই। তিনি অসম্ভব প্রাণোচ্ছল একজন মানুষ। ঘুরতে পছন্দ করেন। নতুন দেশ নতুন মানুষ তার আগ্রহের বিষয়। বিভিন্ন দৈনিক ও সাময়িকীতে নিয়মিত গল্প লিখছেন। শিশু কিশোরদের জন্য লিখছেন ছড়া, কবিতা, অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস, ভুতুড়ে ও গোয়েন্দাগল্প। পেশাগত কাজের ফাঁকে (বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস) তিনি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে নিয়মিত কলাম লেখেন। তিনি আড্ডার আমেজে জম্পেশ গল্পও বলেন । লেখক বস্তুত গোয়েন্দাগল্পের দারুণ ভক্ত। লেখা থেকে শেখা, তার মানে অন্ধ অনুকরণ নয়। সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা ও কোনান ডয়েলের শার্লক হোমসের আদলে নির্মিত ডিটেকটিভ অলোকেশ রয় তার প্রিয় চরিত্র। ক্রাইম জোন, অশরীরী, অন্তরালে, ক্রাইসিস, কফিমেকার, যে রহস্যের কিনারা হয়নি, জলপিপি তার উল্লেখযোগ্য গোয়েন্দাগ্রন্থ। অসামান্য মেধার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি নটরডেম কলেজে থেকে ১৯৯৫ সালে 'অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সেলেন্স' এবং স্পাই উপন্যাসের জন্য "এসিআই আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮ লাভ করেন । তার জন্ম গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থানাধীন জহরের কান্দি গ্রামে স্ত্রী ডা. অপতী মণ্ডল। দুই ছেলে অনিকেত ও অগ্নিশ। তারাও লেখে। পুরো লেখক পরিবার ।

No review found

Write a review

    Bad           Good
content title
Loading the player...
Boighor

Stay Connected