Dracula (Bram Stoker)

ড্রাকুলা (ব্র্যাম স্টোকার)

Product Summery

‘ড্রাকুলা’ ১৮৯৭ সালে গথিক ধারার লেখা একটা ভয়াল উপন্যাস। রচয়িতা আইরিশ সাহিত্যিক ব্র্যাম স্টোকার। তার রচনায় ভ্যাম্পায়ার (রক্তচোষা বাদুড়) কাউন্ট ড্রাকুলা চরিত্রটি প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। উপন্যাসটিতে রক্তচোষা কাউন্ট ড্রাকুলা তার নিজ গ্রাম ট্রান্সসিলভ্যানিয়া থেকে ইংল্যান্ডে এসে ঘাঁটি গাড়ে। যাতে ও আরও নতুন রক্ত পান করতে পারে, ও আরও দীর্ঘ জীবন লাভ করতে পারে। ওর এই অন্যায় কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ান অধ্যাপক আব্রাহাম ভ্যান হেলসিং। তার সাহায্যকারী হয়ে তার সাথে থাকে জনাথন, মরিস, মিনা হারকার। ড্রাকুলা লেখার পর ভয়াল উপন্যাস, প্রেত কাহিনি লেখার একটা ধারা তৈরি হয়ে যায় ইউরোপিয় সাহিত্যে।

আরও পড়ুন >

Tab Article

‘ড্রাকুলা’ ১৮৯৭ সালে গথিক ধারার লেখা একটা ভয়াল উপন্যাস। রচয়িতা আইরিশ সাহিত্যিক ব্র্যাম স্টোকার। তার রচনায় ভ্যাম্পায়ার (রক্তচোষা বাদুড়) কাউন্ট ড্রাকুলা চরিত্রটি প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। উপন্যাসটিতে রক্তচোষা কাউন্ট ড্রাকুলা তার নিজ গ্রাম ট্রান্সসিলভ্যানিয়া থেকে ইংল্যান্ডে এসে ঘাঁটি গাড়ে। যাতে ও আরও নতুন রক্ত পান করতে পারে, ও আরও দীর্ঘ জীবন লাভ করতে পারে। ওর এই অন্যায় কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ান অধ্যাপক আব্রাহাম ভ্যান হেলসিং। তার সাহায্যকারী হয়ে তার সাথে থাকে জনাথন, মরিস, মিনা হারকার। ড্রাকুলা লেখার পর ভয়াল উপন্যাস, প্রেত কাহিনি লেখার একটা ধারা তৈরি হয়ে যায় ইউরোপিয় সাহিত্যে।

Tab Article

সিদ্দিক মাহমুদুর রহমান জন্ম ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬, যশোরে। স্কুল জীবন (১৯৫৩-১৯৬৫) কলকাতায় পিতার চাকুরীসূত্রে, কলেজ জীবন (১৯৬৫-৬৯) যশোরে। স্নাতক পাশ করার পর মুক্তিযুদ্ধের কারণে স্নাতকোত্তর শেষ করতে পারেননি। প্রায় এক দশক সমাজসেবায় আত্মনিয়োগ করার পর ১৯৮০ সালে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করে শিক্ষা, প্রশাসন, প্রকাশনা, সম্পাদনা, অনুবাদ, সমন্বয়, জনসংযোগ বিভিন্ন পেশায় ও দায়িত্বে ছিলেন দীর্ঘ ত্রিশ বছর। সিদ্দিক মাহমুদ অনুবাদকর্মে দেখিয়েছেন অসামান্য দক্ষতা। এ যাবত অনুবাদ করেছেন প্রায় তিন হাজার বাংলা কবিতা, প্রকাশিত হয়েছে পঁচাত্তরটি গ্রন্থ। এছাড়াও তাঁর রয়েছে বেশ কয়েকটি গবেষণাগ্রন্থ, উপন্যাস, স্মৃতিকথা, গল্পগ্রন্থ ও কবিতার বই।

0 REVIEW for ' ড্রাকুলা (ব্র্যাম স্টোকার)'

No review found

ADD A REVIEW

Your Rating


content title
Loading the player...