Sandipan Pathshala

সন্দীপন পাঠশালা

Product Summery

পাঠশালায় ঢুকে সীতারাম স্তম্ভিত হয়ে গেল। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন উঠান এবং বারান্দাটাকে কদৰ্যভাবে নোংরা করে গিয়েছে। উচ্ছিষ্ট শালপাতা, মাংসের অবশিষ্ট, হাড়ের পড়ে আছে চারিদিকে। এঁটো মাটির হাঁড়ি ভেঙে ছড়িয়েছে। সাদা ধবধবে দেওয়ালে কাঠকয়লার টুকরো দিয়ে লিখেছে-চাষা-চাষা-চাষা, শুঁড়ি-শুঁড়ি-শুঁড়ি। একটা সংস্কৃত শ্লোক লিখেছে। বিচিত্র তার ভাষা, বিচিত্র তার ভাব। — ‘অশ্বপৃষ্ঠে গজস্কন্ধে যদি বা - দোলায়াং যাতে - ন চাষা সজানায়াতে।’

Tab Article

পাঠশালায় ঢুকে সীতারাম স্তম্ভিত হয়ে গেল। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন উঠান এবং বারান্দাটাকে কদৰ্যভাবে নোংরা করে গিয়েছে। উচ্ছিষ্ট শালপাতা, মাংসের অবশিষ্ট, হাড়ের পড়ে আছে চারিদিকে। এঁটো মাটির হাঁড়ি ভেঙে ছড়িয়েছে। সাদা ধবধবে দেওয়ালে কাঠকয়লার টুকরো দিয়ে লিখেছে-চাষা-চাষা-চাষা, শুঁড়ি-শুঁড়ি-শুঁড়ি। একটা সংস্কৃত শ্লোক লিখেছে। বিচিত্র তার ভাষা, বিচিত্র তার ভাব। — ‘অশ্বপৃষ্ঠে গজস্কন্ধে যদি বা - দোলায়াং যাতে - ন চাষা সজানায়াতে।’

Tab Article

তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিধান সভার নির্বাচিত সদস্য হিসেবে আট বছর দায়িত্ব পালন করেন। প্রথম জীবনে কিছু কবিতা লিখলেও কথাসাহিত্যিক হিসেবেই তারাশঙ্করের প্রধান খ্যাতি। বীরভূম-বর্ধমান অঞ্চলের মাটি ও মানুষ, বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের জীবনচিত্র, স্বাধীনতা আন্দোলন, যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, অর্থনৈতিক বৈষম্য, ব্যক্তির মহিমা ও বিদ্রোহ, সামন্ততন্ত্র-ধনতন্ত্রের দ্বন্দ্বে ধনতন্ত্রের বিজয় ইত্যাদি তাঁর উপন্যাসের বিষয়বস্তু। তারাশঙ্কর প্রায় দুশ’ গ্রন্থ রচনা করেন। সেগুলির মধ্যে চৈতালী ঘূর্ণি (১৯৩২), ধাত্রীদেবতা (১৯৩৯), গণদেবতা (১৯৪৩), পঞ্চগ্রাম (১৯৪৪), কবি (১৯৪৪), হাঁসুলি বাঁকের উপকথা (১৯৪৭), আরোগ্য নিকেতন (১৯৫৩) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘শরৎস্মৃতি পুরস্কার’ (১৯৪৭) ও ‘জগত্তারিণী স্বর্ণপদক’ (১৯৫৬) লাভ করেন। এছাড়া তিনি ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ (১৯৫৫), ‘সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার’ (১৯৫৬), ‘জ্ঞানপীঠ পুরস্কার’ (১৯৬৭) এবং ‘পদ্মশ্রী’ (১৯৬২) ও ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত হন।

ADD A REVIEW

Your Rating

0 REVIEW for সন্দীপন পাঠশালা !

এ রকম আরও বই