ডাঃ লুৎফর রহমান তাঁর ‘মহৎ জীবন’ গ্রন্থে লিখেছেন, আলস্য জীবনযাপন না করে কাজ করা উত্তম। জীবনে উন্নতি করতে হলে জ্ঞান তথা কাজের কোনো বিকল্প নেই। পণ্ডিত তথা বই পড়ে জ্ঞান অর্জন ও মানুষকে সেবা করার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। দালানকোঠা, হাতিঘোড়া, শত শত বিলাসবহুল উপহার কোনো কিছুর মাঝেই মানুষের তৃপ্তি নাই। সৎকাজ মানুষকে তৃপ্তি দিতে সক্ষম।

বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাঙালি মুসলিম সমাজে যে রেনেসাঁর সূচনা হয়েছিলো ডাঃ লুৎফর রহমান তার বিশিষ্ট চিন্তানায়ক ছিলেন। তিনি একজন বাংলাদেশী সাহিত্যিক ও মানবতাবাদী। তিনি মাগুরা জেলার পারনান্দুয়ালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯২১ সালে কৃষ্ণনগর হোমিওপ্যাথিক কলেজ থেকে এইচ.এম.বি ডিগ্রী লাভ করেন। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করে ‘ডাক্তার সাহেব’ নামে জনসাধারণের কাছে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। লুৎফর রহমানের সাহিত্য সাধনা শুরু হয়েছিল কবিতার মাধ্যমে। ১৯১৫ সালে চল্লিশটি কবিতা নিয়ে তার প্রথম এবং একমাত্র কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। পরে তিনি অসংখ্য প্রবন্ধ, কিছুসংখ্যক উপন্যাস, কিছু শিশুতোষ সাহিত্য, ছোটগল্প, কথিকা ইত্যাদি রচনা করেন। তার কিছু অনুবাদ কর্মও পাওয়া যায়। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো- উন্নত জীবন, মহৎ জীবন, উচ্চ জীবন, মানব জীবন, ধর্ম জীবন, রানী অহিংসা, রাজপথ, অমাবস্যা।

No review found

Write a review

    Bad           Good
content title
Loading the player...
Boighor

Stay Connected