দেবরাজ ইন্দ্র বিশ্বামিত্রের তপস্যা ভঙ্গ করতে অপ্সরা মেনকাকে তাঁর নিকট প্রেরণ করেন। মেনকা তাঁর কাজে সফল হন। তাঁর রূপ ও লাবণ্যে বিশ্বামিত্র মোহিত হন। মেনকার সাথে তার শারীরিক সম্পর্ক হয়। তাদের ঘরে সন্তানও আসে একসময়। তারা সন্তানের নাম রাখেন শকুন্তলা। তপস্যার্জিত পুণ্যফল ক্ষয়ের জন্য ক্রুদ্ধ হয়ে একদিন বিশ্বামিত্র তার সঙ্গীনি মেনকা ও কন্যা শকুন্তলাকে পরিত্যাগ করে চলে যান। শকুন্তলার জীবনে নেমে আসে দুর্বিষহ। একই দুর্বিষহ নেমেছিল শকুন্তলার পুত্র ভরতের জীবনে। কিন্তু এই জীবনের এই দুর্বিষহ দিন তাদের বেশিদিন থাকেনি। কিভাবে তারা দুর্বিষহ জীবনের পা দেয় আর কিভাবে সে জীবন থেকে মুক্তি পায়, শকুন্তলা আখ্যানের পরিচ্ছেদে পরিচ্ছেদে আছে সেই গল্প। যা একজন পাঠককে শুধু কাহিনীর স্বাদই দিবে না, ভারতীয় মিথলজি সম্পর্কেও জানতে আগ্রহী করে তুলবে।

ভারতীয় চিত্রশিল্পী, নন্দনতাত্ত্বিক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ও পিতামহ ছিলেন একাডেমিক নিয়মের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রজন্মের শিল্পী। এ সুবাদে তিনি ছোটবেলাতেই চিত্রকলার আবহে বেড়ে ওঠেন। পড়াশোনা সংস্কৃত কলেজে। ১৮৯০ সালে রবীন্দ্রনাথের খামখেয়ালি সভার সদস্য হন। যুক্ত হন কবিতার সাথে, নাটকের সাথে। ১৮৯৬ সালে কোলকাতা আর্ট স্কুলের সহকারী অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। গল্প, কবিতা, চিঠিপত্র, শিল্প আলোচনা, যাত্রাপালা, পুঁথি, স্মৃতিকথা সব মিলিয়ে তাঁর প্রকাশিত রচনা সংখ্যা প্রায় চারশ’। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যের রয়েছে- ‘শকুন্তলা’, ‘ক্ষীরেরপুতুল’, ‘রাজকাহিনী, ‘ভূত পত্রীর দেশ’, ‘নালক’, ‘বুড়ো আংলা’, ‘রং বেরং’, ‘ভারত শিল্পে মূর্তি’ ইত্যাদি।

No review found

Write a review

    Bad           Good
content title
Loading the player...
Boighor

Stay Connected