1
রামধনু রং
30:09
1
রামধনু রং
30:09

ছোট্ট পাপু এক বিশিষ্ট শিশুবিদ্যালয়ে, ভর্তি প্রবেশিকা পরীক্ষার সম্মুখীন। উদ্বিগ্ন মা-বাবা নানা ভাবে পাপুকে প্রস্তুতি নেওয়াচ্ছেন, পাছে কাঙ্খিত স্কুলের সীমিত আসন পাপুর অধরা থেকে যায়। স্কুল প্রবেশিকা লড়াইয়ের এই ইদুর দৌড়, পাপুর জীবনে এটি প্রথমবার নয়, কিন্তু এখনো অবধি এই প্রবল প্রতিযোগিতামূলক এবং বেশ কিছুটা অসাম্যের মল্লযুদ্ধে, কাঙ্খিত আসন পাপুর অর্জন হয়ে ওঠেনি। চিন্তিত মা-বাবা এবারের প্রচেষ্টায়, কসরতের কোনো ত্রুটি রাখেননি এবং শিশুর মনসংযোগ বজায় রাখতে, কঠোর হাতে শিশুর সহজাত চঞ্চলতা ও বহুমুখী কৌতূহল দমনে তারা সচেষ্ট হয়েছেন। প্রবেশিকা সাক্ষাৎকারে মা-বাবার অপেক্ষিত প্রায় কোনো প্রশ্নই পাপুকে করলেন না, স্কুলের পরীক্ষক দিদিমুনিরা। পক্ষান্তরে, অপ্রত্যাশিত প্রশ্নের আকস্মিকতায় ব্যুহল মা-বাবার বৈপরীত্যে, অকুতভয় পাপু তার শিশুসুলভ সারল্যে সপ্রতিভ। পাপুর সহজাত অপেশাদারী অভিব্যক্তি কি তবে স্কুল প্রবেশিকায়, পুনর্বার ব্যর্থ করবে তাকে? মদ্ধবিত্ত সংসারের সন্তান প্রতিপালনের পরিচিত এই রূপরেখা অনুধাবনের অতি বাস্তব আলেখ্য শুনুন বইঘরে।

বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় লেখক সুচিত্রা ভট্টাচার্য। জন্মসূত্রে ভারতীয় নাগরিক। জন্ম ১৯৫০ সালের ১০ জানুয়ারি। বাংলাদেশের পাঠকের কাছেও ছিলেন সুপরিচিত। তাঁর বিপুল জনপ্রিয়তার শুরু নব্বইয়ের দশকে। ‘কাচের দেয়াল’, ‘কাছের মানুষ’, ‘দহন’, ‘হেমন্তের পাখি’, ‘নীল ঘূর্ণি’, ‘অলীক সুখ’-এর মতো উপন্যাস ও বেশ কিছু ছোট গল্প তাঁকে বহুলপঠিত লেখকের আসনে বসায়। ২০০৪ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে পুরোপুরি লেখাতেই মনোনিবেশ করেন সুচিত্রা। বৈঠকী মেজাজ আর হাসিমুখের মানুষটি রাজনৈতিক-সামাজিক ঘটনাতেও বারবার সরব হয়েছিলেন। শহুরে মধ্যবিত্ত জীবন ও তার টানাপড়েন ছিল তাঁর লেখার প্রিয় বিষয়। বারবার উঠে আসত মেয়েদের জীবনের কথা। তাঁর লেখা থেকে ‘দহন’, ‘ইচ্ছে’, ‘রামধনু’, ‘অলীক সুখ’-এর মতো আলোচিত কিছু চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত অভিনয় করেছিলেন ‘দহন’ ও ‘অলীক সুখ’-এ। ২০১৫ সালের ১২ মে প্রয়াত হন সুচিত্রা।

No review found

Write a review

    Bad           Good
content title
Loading the player...
Boighor

Stay Connected