Ribhu

ঋভু

Product Summery

ঢাকায় পা রাখা মাত্রই অর্জুনের উপর আক্রমন, কেন? অর্জুন ঢাকায় এসেছেই বা কী উদ্দেশ্যে! বান্দরবনের সীমান্তে সাকিব আর অয়নের সাথে দেখা হলো এক অদ্ভুত মানুষের, নাম শাহরিয়ার সুলতান, বিশ্বখ্যাত অ্যাডভেঞ্চারার। দিনের পর দিন ক্যাম্প করে কিছু একটা খুঁজে চলেছে মানুষটা, কী সেটা? দুজন বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী পাহাড়ের তলার ল্যাবে গবেষণা করছেন কিছু একটা নিয়ে, যার পেছনে আছে গোপন এক সংগঠন, পুরো পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রন করতে চায় তারা। তেইশ'শ বছর আগে সম্রাট অশোক শুরু করেছিলেন অতিমানবীয় এক গবেষণা, তার ফল কি পাবে আজকের পৃথিবী? পড়ুন ইতিহাস, বিজ্ঞান, ফ্যান্টাসি আর অ্যাডভেঞ্চারের এক দুর্দান্ত উপ্যাখ্যান ঋভু।

Tab Article

ঢাকায় পা রাখা মাত্রই অর্জুনের উপর আক্রমন, কেন? অর্জুন ঢাকায় এসেছেই বা কী উদ্দেশ্যে! বান্দরবনের সীমান্তে সাকিব আর অয়নের সাথে দেখা হলো এক অদ্ভুত মানুষের, নাম শাহরিয়ার সুলতান, বিশ্বখ্যাত অ্যাডভেঞ্চারার। দিনের পর দিন ক্যাম্প করে কিছু একটা খুঁজে চলেছে মানুষটা, কী সেটা? দুজন বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী পাহাড়ের তলার ল্যাবে গবেষণা করছেন কিছু একটা নিয়ে, যার পেছনে আছে গোপন এক সংগঠন, পুরো পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রন করতে চায় তারা। তেইশ'শ বছর আগে সম্রাট অশোক শুরু করেছিলেন অতিমানবীয় এক গবেষণা, তার ফল কি পাবে আজকের পৃথিবী? পড়ুন ইতিহাস, বিজ্ঞান, ফ্যান্টাসি আর অ্যাডভেঞ্চারের এক দুর্দান্ত উপ্যাখ্যান ঋভু।

Tab Article

শরীফুল হাসানের জন্ম ময়মনসিংহে। ব্রহ্মপুত্রের তীরে তার শৈশব কেটেছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর। শরীফুল হাসানের প্রথম উপন্যাস প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে, ‘সাম্ভালা’ শিরোনামে। অন্য দুটি বইয়ের সাথে, এই মনোমুগ্ধকর ফ্যান্টাসি ট্রিলজি দেশ ও দেশের বাইরে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। সাম্ভালা ট্রিলজির ইংরেজি অনুবাদ বের হয় ভারত থেকে। সাম্ভালা ট্রিলজি (সাম্ভালা, সাম্ভালা দ্বিতীয় যাত্রা, সাম্ভালা শেষ যাত্রা), ‘ঋভু’, ‘আঁধারের যাত্রী’, ‘অদ্ভূতুড়ে বইঘর’ তাঁর উল্লেখযোগ্য বই । এ ছাড়া বেশ কিছু গল্প সংকলনে প্রকাশিত হয়েছে তার ছোটগল্প।

ADD A REVIEW

Your Rating

2 REVIEW for ঋভু !

বোকা-মেধাবী দ্বন্দ্বে সাফাল্য যে সবসময় সঠিক পথে পরিচালিত হয় সেটা অজানা নয়। শুধুমাত্র ‘সাফল্য’ পাওয়ার জন্য মানুষ কতকিছু না করে বসে। ভালো-মন্দের হিতাহিতজ্ঞান হারিয়ে করে ফেলে এমন অকল্পনীয় কিছু কাজ যা সচারাচর সুফলের চেয়েও কুফল বেশি ডেকে আনে। ইতিহাস এমন কাজের সাক্ষী অনেক। নিজের আত্মমর্যাদা বিসর্জন দিয়ে যে খ্যাতি অর্জন করা যায় সেটা আদতে কতটুকু কাজে লাগে? দিনশেষে এইরকম কাজের কোনো মূল্য থাকে? ভবিষ্যতে বা এই কাজ কতটা ভূমিকা রাখে? পৃথিবীতে প্রতিটা আবিষ্কার গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু সেটা যদি মানব কল্যানের বিরোধিতা করে তাহলে এই আবিষ্কারের তাৎপর্য কী? কূটকৌশল আর ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে দাঁড়ানো ❛ঋভু❜ উপন্যাস পড়লে বোঝা যায় ইতিহাসের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত কতশত প্রতারণা বিশেষ মাথাওয়ালা মানুষরা করে এসেছে। আর এই প্রতারণার ভুক্তভোগী হয়েছে সাধারণ মানুষ। কেউ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে চেয়ে হারিয়েছে পরিবার, আপনজন। কেউ হয়েছে গিনিপিগ আবার কেউ বরণ করে নিয়েছে দাসত্ব। সত্য-মিথ্যা খুঁজতে গিয়ে ভবলীলা সাঙ্গ হয়েছে এইরকম মানুষেরও অভাব নেই। ❛ঋভু❜ উপন্যাসে লেখক টেনে এনেছেন পৃথিবীর অন্ধকারাচ্ছন্ন বিষয়গুলো। কারা পুরো দুনিয়াকে নিজেদের কবজা করতে চায়? কেন করতে চায়? লাভ বা ক্ষতি কী সেটা জানার জন্য হলেও পড়তে পারেন এই উপন্যাসটি। লেখক ইতিহাস নির্ভর যে-কোনো ঘটনা দক্ষতার মাধ্যমে সাজাতে বেশ ভালোভাবে পারেন৷ তেমনই এই উপন্যাসে জড়িয়ে আছে মৌর্য্য সাম্রাজ্যের তৃতীয় শাসক, সম্রাট আশোকের জীবনকাল। তবে সেটা খুবই সংক্ষিপ্ত। খ্রিষ্টপূর্ব ২৬৮ থেকে ২৩২ সাল পর্যন্ত ছিল তার শাসনকাল। তিনি ছিলেন ইতিহাসের এক আদর্শ শাসক। কিন্তু এই শাসকের নৃশংসতা ছিল উদাহরণ দেওয়ার মতো। কতটা ভয়ানক ছিলেন তিনি, লেখক সেটা স্বল্পতার মধ্যে বুঝিয়ে দিয়েছেন। সম্রাট অশোক সিংহাসনে উপবিষ্ট হওয়ার প্রায় আট বছর পর খ্রিষ্টপূর্বাব্দ ২৬১তে আসে ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া সে-ই যুদ্ধ, কলিঙ্গের যুদ্ধ। এই হলো সে-ই কলিঙ্গ সাম্রাজ্য, যা চন্দ্রগুপ্তও জয় করতে পারেননি। কিন্তু তার পৌত্র অশোক, নৃশংসতার চরমে আরোহণ করে কলিঙ্গকে ঠিকই জয় করে নিয়েছিলেন। এইখানে লেখক ঢুকিয়েছেন অভিনব একটি মিথ! যে মিথ নির্ভর করে ‘ঋভু’ উপন্যাস লেখা হয়েছে। অর্থাৎ ইতিহাসে এই কলিঙ্গ যুদ্ধের ভয়াবহতা কতটুকু সেটা সবারই জানা কিন্তু কীভাবে এই যুদ্ধ ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ছিল সেটার পেছনের কাহিনি উপন্যাসে রয়েছে। এই মিথ সম্পূর্ণ কাল্পনিক তা-ই কেউ সত্যতা যাচাই না করা ভালো। সম্রাট আশোকের সাথে উপন্যাস ঠাঁই পেয়েছে ইতিহাসের অন্যতম সেরা দার্শনিক, রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ মহামতি চাণক্য! ব্যাপ্তি কম হলেও উপন্যাসে মূল নায়ক কিন্তু এই মহামতি চাণক্য। কেন সেটা পড়লে বুঝতে পারবেন৷ ইতিহাসের সাথে বর্তমান প্লট তৈরিতে লেখক বেশ ভালোই কাজ করেছেন। ইতিহাসে এখনও এমন অনেককিছু রয়েছে যেটার কোনো ব্যাখ্যা নেই, চাণক্যর মৃত্যু ছিল তেমনই একটি দিক। লেখক তাও উপন্যাসে সে দিকটি নিজের মতো খোলাসা করেছেন। বিজ্ঞানী কিছু চরিত্র উঠে এসেছে ❛ঋভু❜ উপন্যাসে। বিজ্ঞানীরা যথাসম্ভব তাদের গবেষণা গোপন রাখার চেষ্টা করেন। শুধুমাত্র বিজ্ঞানীরা এইরকম কাজ করেন তাও না। সাধারণ মানুষদের উচিত এই গোপনীয়তা বজায় রাখা। অপরিচিত কারও কাছে নিজের গোপনীয়তা ফাঁস করার অর্থ কিন্তু আত্মসমর্পণ করা। এইবার আসা যাক ঋভু অর্থ কী? ঋভু হচ্ছে দেবত্বপ্রাপ্ত মানুষ। বিজ্ঞানীরা হরদম নিত্য নতুন আবিষ্কারের নেশায় মত্ত থাকেন। সেটা করতে গিয়ে আবিষ্কার করে ফেলেন এমন কিছু যেটা কল্পনারও বাইরে। আর তাদের সব আবিষ্কার যে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে সেটা ভাবা ভুল। এই ❛ঋভু❜ উপন্যাসের সাথে ❛সাম্ভালা❜ উপন্যাসের বেশ সাদৃশ্য রয়েছে। লেখক একই কনসেপ্ট ব্যবহার করেছেন। তাই যারা সাম্ভালা পছন্দ করেন এই বইটি তাদের লুফে নেওয়ার মতো। ইতিহাস, লেখকের নিজস্ব মিথ, বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, প্রভাব বিস্তার, কূটনীতি ইত্যাদির মিশ্রণে এই উপন্যাসের আনাচে-কানাচে ভর্তি। আরও একটি বিশেষ দিক রয়েছে সেটা হচ্ছে গুপ্ত সংঘ! ইম্প্রেস করার জন্য লেখক কোনোকিছুর কমতি রাখেনি উপন্যাসে। তাই বলে আবার জগাখিচুড়ি বানিয়ে ফেলেননি। সবকিছুর কারণ দেখিয়েছেন। আবার কিছু কারণ ছিল উহ্য। যেগুলো বেশি ব্যাখা করার প্রয়োজন নেই। দিন শেষে এই বই ফিকশন ক্যাটাগরির হলেও বাস্তবে খুঁজতে গেলে এইরকম অনেক কিছুর অস্তিত্ব অবশ্যই রয়েছে। সবমিলিয়ে উপভোগ্য। লেখকের গল্প বুননে আলাদা দক্ষতা বিদ্যমান। কোন সিকুয়েন্স কখন টানবেন, কখন কোথায় পর্ব শেষ করে পাঠকদের থ্রিলের ছোঁয়া দিবেন সে-ই বিষয়ে জ্ঞান নখদর্পনে। কোনো পর্ব দীর্ঘসময় ধরে টেনে নিয়ে যাওয়ার কাজটা থেকে বিরত থাকেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ঘটনার ফ্লেভার অল্প সময়ের মধ্যে পাওয়া যায়। বেশিক্ষণ ধৈর্য ধরে থাকতে হয় না নির্দিষ্ট কাহিনি শেষ হওয়ার জন্য। গল্পের প্রেক্ষাপট বিশাল হলেও সেটাকে সহজভাবে ব্যাখা করে ছোটো করে বুঝিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা অসাধারণ। ❛ঋভু❜ উপন্যাস বিশাল কলেবরের উপন্যাস নির্দ্বিধায় করা যেত কিন্তু লেখক সেটা মেদহীন করেছেন দেখে ভালো লাগল। ঝরঝরে লেখনশৈলী পাশাপাশি শব্দচয়নে সাবলীলতা প্রশংসনীয়। কোনো ঘটনা বোঝার জন্য দুইবার পড়তে হয়নি। গল্পের শুরুতে সিকুয়েন্স বুঝতে কিছুটা বেগ পেতে হলেও লেখনশৈলী সে-ই যাত্রায় বাঁচিয়ে দিয়েছে। পুরো বইটি দারুণভাবে উপভোগ করলেও বানান, নামের মাত্রাতিরিক্ত ভুল ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে। তেইশ শ বছর পূর্বের ইতিহাস নির্ভর প্লট সাথে আবার বর্তমান। তাও তিন টাইমলাইনে সমান্তরালে এগিয়ে নিয়ে চলার জন্য যেইরকম বর্ণনাভঙ্গি থাকা উচিত সেইরকমটা রয়েছে। কোথাও থামার দরকার হয়নি, পারিপার্শ্বিক প্রাঞ্জল বর্ণনার পাশাপাশি চরিত্র বিল্ডাপ ও তাদের কাণ্ডকারখানা যথেষ্ট উপভোগ্য লেগেছে। তবে তেইশ শ বছর পূর্বের কাহিনি যে টোন থাকার কথা সেটা মিসিং। বর্তমান কাহিনি যেভাবে বর্ণনা করা হয়েছে একইভাবে মৌর্য বংশের কাহিনি তুলে ধরেছে। সেক্ষেত্রে আলাদা কোনো সমস্যা হয়নি। গল্পের মূল আর্কষণ হচ্ছে বর্তমান প্লট, শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক কারণে টেনেছে তেইশ শ বছর পূর্বের কাহিনি। বাদবাকি অ্যাকশন সিকুয়েন্স, অ্যাডভেঞ্চার জার্নি বেশ দারুণভা

Peal Roy Partha 2022-02-02 11:38:37

একটি গুপ্ত সংগঠন, ক্ষ্যাপাটে বিজ্ঞানী, গোয়েন্দা সংস্থা, ভয়ানক আবিষ্কার, সাথে ২৩০০ বছরের পুরোনো হারিয়ে যাওয়া বিদ্যা। এসব কিছু মিলে একেবারে জমে ক্ষীর হয়ে যাওয়ার মতো বই হওয়ার কথা "ঋভু"। কিন্তু কতোটা পেরেছে বইটা সেই এক্সপেক্টেশন পূরণ করতে!!? #পর্যালোচনাঃ ৬ মাস আগে যখন থ্রিলার বই পড়া শুরু করি, তখন মাশুদুক হকের ভেন্ট্রিলোকুইস্ট আর মিনিমালিস্ট আমাকে স্রেফ এই জনরাটার সাথে আঠার মতো আঁকড়ে ধরে। সেই তালিকায় লেখক শরীফুল হাসানের "সাম্ভালা" ট্রিলোজিও বেশ বড় একটা ভূমিকা পালন করেছিলো। এমনকি গত বছরে পড়া বইগুলোর মধ্যে সেরা ৭ বইয়ের একটা ছিলো সাম্ভালা। আর তাই অনেক আশা নিয়েই বসেছিলাম একই লেখকের "ঋভু" পড়ার জন্য। আমাকে বলতেই হচ্ছে আমি এই বইটা পড়ে চরম মাত্রায় হতাশ হয়েছি। বইটা শুরু থেকে নন লিনিয়ার ভাবে ৩টা ভিন্ন ভিন্ন টাইমলাইন ধরে এগিয়েছে। এই ধরণের বইগুলো এক সময়ে গিয়ে চরম উত্তেজনার কিছু মুহুর্তের জন্ম দেয়। সব সুতা জোড়া লাগার যে আনন্দ সেটা এই বইতে পুরোপুরি মিসিং ছিলো। একে তো আলাদা আলাদা টাইমলাইনের ঘটনাবলী, তার উপর আবার প্রতিটা টাইমলাইনের ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রের বয়ানে ভিন্ন ভিন্ন সিকুয়েন্সের অবতারনা করেছেন লেখক। আমি এই ধরণের বই পড়ে অভ্যস্থ। কিন্তু আমার মনে হয়েছে লেখক এই বইটাকে একটু অতিরিক্তই পেঁচিয়ে ফেলেছেন। কখনো গল্প এগিয়েছে ২৩০০ বছর পূর্বের মহা পন্ডিত চানক্য কিংবা সম্রাট অশোকের ভিউ থেকে, আবার সেটা এগিয়েছে করমজিৎ সিং, সাইদ পারভেজ, ডাঃ রামকৃষ্ণ কিংবা ডাঃ লুৎফরের ভিউ থেকে। শুধু এটুকুই নয় বর্তমান টাইমলাইনে এসে অয়ন, শাহরিয়ার সুলতান, অর্জুন কিংবা ঢাকা কিলার,  এমনকি ল্যাবের গিনিপিগ পলের ভিউ থেকেও ছোটো একটা প্যারা আছে। এতো এতো সিকুয়েন্স চেঞ্জের কারনেই কিনা গল্পের উত্তেজনাটুকু কখনোই উপভোগ করার সুযোগ হয়নি আমার। এছাড়া লেখকের লেখনশৈলী দেখেও বেশ অবাকই হয়েছি বলা যায়। কোথায় সাম্ভালা আর কোথায় ঋভু!!  সাম্ভালার মতো গুছালো কিংবা মন ভরানো লেখনীর অভাব ছিলো বইয়ে। আক্ষেপ শুধু এতোটুকুই নয়, আক্ষেপ আরো আছে। সাইদ পারভেজ কিংবা ঢাকা কিলারকে শুরুর উপস্থাপনা করা হয়েছিলো ভয়ংকর সন্ত্রাসী হিসাবে। অথচ এরপরের অংশগুলোতে এদের কিম্ভুতকিমাকার ভুল করতে দেখে স্রেফ জোকার মনে হয়েছে এদেরকে। একজন জাত শুটার নাকী তার টার্গেটকে ফাঁকায় পেয়েও গুলি লাগাতে ব্যার্থ হচ্ছে তাও আবার যেখানে সেই টার্গেট তাকে চিনেও না!! যে লোক নিজ হাতে পাহাড়ের গহীনে মাটির নিচে আস্ত একটা আধুনিক সুবিধা সম্বলিত ল্যাব স্থাপন করেছে, বেশ অনেকবার আসা যাওয়া করেছে। সে নাকী এখনো সেই ল্যাব নিজে চিনে না!! তাকে চেনানোর জন্য লোক পাঠানো লাগে। এই লোক আবার যেনোতেনো লোক নয়। বিশ্ব কন্ট্রোল করে যাচ্ছে এমন একটা সংগঠনের এজেন্ট

Zakaria Minhaz 2022-01-17 21:12:46

এ রকম আরও বই