Nirmane Rekhechi Juddher Haat

নির্মাণে রেখেছি যুদ্ধের হাত

Product Summery

৫৯টি ভিন্ন ধরনের কবিতা সংকলনে ‘নির্মাণে রেখেছি যুদ্ধের হাত’ গ্রন্থে প্রকাশ পেয়েছে প্রেম, বিরহ, ঈর্ষা, প্রকৃতি ও দেশপ্রেম। উঠে এসেছে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, গর্বিত বাঙালির পরিচয় ও লাল সবুজের নিশান। অন্য অনেকের মতোই প্রেম-ভালোবাসা-বিরহ, প্রাপ্তির পরিতৃপ্তি, না পাওয়ার বেদনা- সবকিছুকে ছাড়িয়ে তাঁর কবিতায় দেশপ্রেম, মানবপ্রেম এবং ব্যক্তিজীবনে শুদ্ধাচার চর্চা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়। কবিকে যে সর্বদ্রষ্টা হতে হয়, সে বিষয়ে তিনি সম্পূর্ণ সজাগ। ফলে মানবমনের বিচিত্র অনুভব, লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ, প্রতিশোধ ও ক্ষমা- সবকিছু তাঁর কবিতায় অত্যন্ত সাবলীলভাবে উঠে আসে। কবি শ্যামসুন্দর সত্য প্রকাশে অত্যন্ত নির্ভীক। যেকোনো অন্যায় অনাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে তিনি বলিষ্ঠ। অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশ এবং শুদ্ধ দেশপ্রেম প্রকাশে তিনি আপসহীন। ফলে কবিতার নান্দনিক বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ণ রেখেও তিনি তাঁর পাঠককে নৈতিকতার সহজ সরল পথে পরিচালিত করার প্রয়াস পান। তাঁর কবিতা গতিময়। প্রায় প্রতিটি কবিতা পাঠককে একটি ভ্রমণের মধ্য দিয়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যায়। সেই গন্তব্য হয়ে ওঠে একটি মানবিক মিলনমেলা। প্রতিটি কবিতা পাঠ শেষে পাঠক যেন একটু একটু করে মানুষ হিসেবে একটি শ্রেয়তর অবস্থানে পৌঁছাতে পারে, সেই প্রচেষ্টা কবি শ্যামসুন্দর শিকদারের কবিতায় দৃশ্যমান।

Tab Article

৫৯টি ভিন্ন ধরনের কবিতা সংকলনে ‘নির্মাণে রেখেছি যুদ্ধের হাত’ গ্রন্থে প্রকাশ পেয়েছে প্রেম, বিরহ, ঈর্ষা, প্রকৃতি ও দেশপ্রেম। উঠে এসেছে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, গর্বিত বাঙালির পরিচয় ও লাল সবুজের নিশান। অন্য অনেকের মতোই প্রেম-ভালোবাসা-বিরহ, প্রাপ্তির পরিতৃপ্তি, না পাওয়ার বেদনা- সবকিছুকে ছাড়িয়ে তাঁর কবিতায় দেশপ্রেম, মানবপ্রেম এবং ব্যক্তিজীবনে শুদ্ধাচার চর্চা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়। কবিকে যে সর্বদ্রষ্টা হতে হয়, সে বিষয়ে তিনি সম্পূর্ণ সজাগ। ফলে মানবমনের বিচিত্র অনুভব, লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ, প্রতিশোধ ও ক্ষমা- সবকিছু তাঁর কবিতায় অত্যন্ত সাবলীলভাবে উঠে আসে। কবি শ্যামসুন্দর সত্য প্রকাশে অত্যন্ত নির্ভীক। যেকোনো অন্যায় অনাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে তিনি বলিষ্ঠ। অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশ এবং শুদ্ধ দেশপ্রেম প্রকাশে তিনি আপসহীন। ফলে কবিতার নান্দনিক বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ণ রেখেও তিনি তাঁর পাঠককে নৈতিকতার সহজ সরল পথে পরিচালিত করার প্রয়াস পান। তাঁর কবিতা গতিময়। প্রায় প্রতিটি কবিতা পাঠককে একটি ভ্রমণের মধ্য দিয়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যায়। সেই গন্তব্য হয়ে ওঠে একটি মানবিক মিলনমেলা। প্রতিটি কবিতা পাঠ শেষে পাঠক যেন একটু একটু করে মানুষ হিসেবে একটি শ্রেয়তর অবস্থানে পৌঁছাতে পারে, সেই প্রচেষ্টা কবি শ্যামসুন্দর শিকদারের কবিতায় দৃশ্যমান।

Tab Article

শ্যামসুন্দর সিকদার শরীয়তপুর জেলার নাড়িয়া উপজেলার লোনসিং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ১৯৬০ সালের ১০ জানুয়ারি। তাঁর পিতার নাম গিরেন্দ্র মোহন সিকদার, মাতা কৃষ্ণদাসী সিকদার। শ্যামসুন্দর সিকদার একাধারে কবি, কলামিস্ট ও গবেষক। তাঁর লেখায় মানবতা, দেশপ্রেম, সমকালীন জীবন, প্রকৃতি ও সমাজ ব্যবস্থা, স্থানীয় ইতিহাস-ঐতিহ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের কথা অসাধারণভাবে ফুটে ওঠে। তাঁর প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে অন্যতম হলো জলে জলে সমুদ্র, অনাহারী অতিথি কাক, হৃদয়ে হৃদয়ে যুদ্ধ, ভালোবাসার বেহুলা, মেঘে মেঘে বিজলির চমক, নির্বাচিত ১০০ কবিতা, গোলাপের কাছে যাবো, নীল খামে ডিজিটাল ভালোবাসা, আঁচলে একে দেবো মানচিত্র (কবিতা) । প্রবন্ধ তালিকায় রয়েছে মা মাটি মানুষ ও সমকালীন প্রসঙ্গ, ডিজিটাল এবং বাংলাদেশঃ রূপকল্পের অন্তরূপ।মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ হলো একাত্তরের জীবন ও যুদ্ধ। গল্পগ্রন্থের নাম ভালোবাসার নির্বাসন। ভ্রমণ কাহিনি রয়েছে জাপানঃ ভূমিকম্পের সঙ্গে সহাবস্থান। ছড়ার বই ইচ্ছে ডানা। লিখেছেন শিশু কিশোরদের জন্য সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে সতর্কতা। গবেষণার বই হলো রাঙ্গামাটিঃ বৈচিত্রের ঐক্যতান, বিসিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ, শরিয়তপুরের ইতিবৃত্ত। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তাঁর কয়েকটি গ্রন্থ রয়েছে। শ্যামসুন্দর সিকদারের কর্মজীবন বর্ণাঢ্য ও বিচিত্র। শুরু করেন শিক্ষকতা দিয়ে, শেষ করেন সরকারের সর্বোচ্চ আমলা হিসেবে। ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৮৬ সালে প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান এবং মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন জেলা-উপজেলা ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন কৃতিত্বের সাথে। ২০১৪ সাল হতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং ২০১৭ সাল হতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে যথাক্রমে সচিব ও সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্মর্তব্য, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ প্রক্রিয়ায় তার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। শ্যামসুন্দর সিকদার গত ১০ জানুয়ারি, ২০১৯ সাল হতে দীর্ঘ কর্মজীবন থেকে অবসর লাভ করেন। ১৪ ডিসেম্বর ২০২০ সালে তিনি চার বছরের জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনে সজ্জন শ্যামসুন্দর ভালোবাসেন দেশ, মাটি ও মানুষকে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রয়েছে তাঁর গভীর আবেগ, বর্তমানে লেখালেখি ও ভ্রমণ হয়ে উঠেছে তাঁর প্রিয় বিষয়।

ADD A REVIEW

Your Rating

0 REVIEW for নির্মাণে রেখেছি যুদ্ধের হাত !

এ রকম আরও বই