Ratri Sesher Gaan

রাত্রি শেষের গান

Product Summery

মাইনুল, সাদাসিধে একজন মানুষ। এক পা খোঁড়া, স্ত্রী আর এক মেয়ে নিয়ে নির্ঝঞ্ছাট পরিবার। মাঝরাতে জড়িয়ে পড়ল এক ঝামেলায়। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান কবির খানকে পাওয়া গেল মৃত অবস্থায়। খুনিকে ধরার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠল স্থানীয় থানা। উপর মহল থেকে চাপ আসছে ক্রমাগত। থানার দুই অফিসার, আরিফুল হক এবং হাফিজ সরকার উঠে পড়ে লাগল খুনিকে খুঁজে বের করতে। এক খুনের সমাধান না হতেই দ্বিতীয় খুন। তারপর... মাইনুল কি খুনি? কিংবা খুনি কে?

আরও পড়ুন >

Tab Article

মাইনুল, সাদাসিধে একজন মানুষ। এক পা খোঁড়া, স্ত্রী আর এক মেয়ে নিয়ে নির্ঝঞ্ছাট পরিবার। মাঝরাতে জড়িয়ে পড়ল এক ঝামেলায়। রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান কবির খানকে পাওয়া গেল মৃত অবস্থায়। খুনিকে ধরার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠল স্থানীয় থানা। উপর মহল থেকে চাপ আসছে ক্রমাগত। থানার দুই অফিসার, আরিফুল হক এবং হাফিজ সরকার উঠে পড়ে লাগল খুনিকে খুঁজে বের করতে। এক খুনের সমাধান না হতেই দ্বিতীয় খুন। তারপর... মাইনুল কি খুনি? কিংবা খুনি কে?

Tab Article

শরীফুল হাসানের জন্ম ময়মনসিংহে। ব্রহ্মপুত্রের তীরে তার শৈশব কেটেছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর। শরীফুল হাসানের প্রথম উপন্যাস প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে, ‘সাম্ভালা’ শিরোনামে। অন্য দুটি বইয়ের সাথে, এই মনোমুগ্ধকর ফ্যান্টাসি ট্রিলজি দেশ ও দেশের বাইরে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। সাম্ভালা ট্রিলজির ইংরেজি অনুবাদ বের হয় ভারত থেকে। সাম্ভালা ট্রিলজি (সাম্ভালা, সাম্ভালা দ্বিতীয় যাত্রা, সাম্ভালা শেষ যাত্রা), ‘ঋভু’, ‘আঁধারের যাত্রী’, ‘অদ্ভূতুড়ে বইঘর’ তাঁর উল্লেখযোগ্য বই । এ ছাড়া বেশ কিছু গল্প সংকলনে প্রকাশিত হয়েছে তার ছোটগল্প।

1 REVIEW for ' রাত্রি শেষের গান'

কিছু মানুষ পানি খাওয়ার গল্পটা এমন রঙ চড়িয়ে বলতে পারে যে মনে হয় বেচারা বুঝি এন্টার্কটিকা গিয়ে বরফ খুঁড়ে পানি খেয়েছে! আর কেউ কেউ বিষ খাওয়ার গল্পটাও এমন সাদামাটা করে বলে যে মনে হয়, ধুর! এ আর এমন কি! বিষ তো আমরা নিত্যই তিন বেলা খাই। লেখকের লেখা এই প্রথম পড়লাম আর মনে হলো তিনি দ্বিতীয় শ্রেণীর মাঝে পড়েন। এই বইয়ে এমন এমন ঘটনা এসেছে যাতে পাঠক মনে বিশাল ধাক্কার মতোন লাগার কথা। কিন্তু লেখকের সাদাসিধে লেখনশৈলীতে ঐ ধাক্কা হয়ে গিয়েছে অনেকটা বাংলা সিনেমায় বই কাঁখে হেঁটে যাওয়া নায়িকার সাথে নায়কের খাওয়া মধুর ধাক্কার মতোন। এখন এই ব্যাপারটা কি আমার ভালো লেগেছে নাকি না তা নিয়ে আমি বিরাট দ্বিধায় আছি। এমন নয় যে আঙ্গুল তুলে লেখকের লেখনীতে আমি ভুল দেখাতে পারছি; কিংবা বিরক্তিতে আমার মাথা গরম হয়ে গিয়েছে। কিন্তু পড়ে মনে হয়নি যে মাত্র ১২৮ পৃষ্ঠার একটা বই পড়লাম... মনে হলো কী জানি একটা বাদ পড়ে গেল... এ যেন ভরপেট পোলাউ-কোর্মা খেয়ে, "পোলাউ-কোর্মাই কি খেলাম? নাকি ভাত-ভর্তা খেলাম"- এমন একটা অবস্থা। মূল হত্যা রহস্য এমন না যে আকস্মিকতায় চেয়ার উলটে পড়ে যেতে হবে। লেখনশৈলীর কারণে সোজা-সরল মনে হতেও পারে কিন্তু রহস্য খুব সোজা-সরলও নয়। খুনের তদন্ত একটু ধীর গতির মনে হলেও আমার মনে হয়েছে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এটাই বাস্তব। কিন্তু জায়গায় জায়গায় অনেক ফাঁকফোকর আছে। কাহিনী মেলাতে গিয়ে গল্পের চরিত্ররা এমন কিছু কাজ টুকটাক করেছে যেগুলো তাদের করার কথা না। পুলিশ এমন কিছু জায়গা খুঁটিয়ে দেখা বাদ দিয়েছে যেটা পুলিশের করাটা মানায়নি। গল্পের খাতিরে ধরে নিতে হবে যে মানুষ উদ্বিগ্ন থাকলে অনেক সময় আগেপিছে না ভেবে কাজ করে বসে। আর আমাদের পুলিশ ভাইয়েরা যা করা উচিত তাও করে না-এটাই প্রথা। মূল হত্যা রহস্য আর তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে আমার মধ্যে একটা খচখচানি আসলে রয়েই গিয়েছে। সার কথা, অতিরিক্ত খুঁতখুঁতে না হলে আর সাদাসিধে লেখনীতে অল্পেই ধৈর্যচ্যুতি না ঘটলে পরিস্থিতির চাপে পড়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেয়া কিছু মানুষের গল্পে ডুবতে চাইলে হাতে নিয়ে বসুন "রাত্রি শেষের গান"।

Pichchi Leeha 2022-01-20 13:17:00

ADD A REVIEW

Your Rating


content title
Loading the player...