Dudh Cha Kheye Toke Guli Kore Debo

দুধ চা খেয়ে তোকে গুলি করে দেব

Product Summery

মন মেজাজ ভালো থাকলে মোড়ের চা - দোকানি মান্নান মিয়া গল্প জুড়ে দেয়। গল্পটা এই মান্নান মিয়ার কাছ থেকেই শোনা। অনেক অনেক দিন আগের কথা, দুর্গম অরণ্যে এক দয়ালু সন্ত বাস করতেন। উনি ছিলেন এক ধন্বন্তরি চিকিৎসক। যে কোন রোগ সারাতে পারতেন। অসুস্থ কেউ উনার কাছে এসে খালি হাতে ফিরে যেত না। কিন্তু একটা জিনিস উনি সারাতে পারতেন না, সেটা হলো মৃত্যু। মানুষের মরণশীলতা তাকে পীড়িত করতো, ব্যথিত করতো। জানতেন, মৃত্যুর কাছে সবাই অসহায়। এক রহস্যময় গাছ খুঁজে পান তিনি। সন্তের মতে, গাছটি সহস্রাব্দ-প্রাচীন। মানবজাতির অভ্যুদয়ের আগে থেকেই আছে। কিন্তু কী সেই রহস্যময় গাছের মাহাত্ম্য? ঢাকা শহর জুড়ে কে জানি মানুষ খুন করে দেয়ালে গ্র্যাফিত্তি এঁকে যাচ্ছে - দুধ চা খেয়ে তোকে গুলি করে দেব। পত্রপত্রিকা উদ্ভট এক লেবেল সেঁটে দেয় খুনির-দুধ চা কিলার। পুলিশের সিনিয়র গোয়েন্দা রফিকুল ইসলামের কাছে খুনগুলো এক বিরাট রহস্য। কে এই খুনি? কী চায় সে? এই দুর্বোধ্য গ্র্যাফিত্তির মানেই বা কী? বিদগ্ধ পন্ডিত ড. মেহবুব আরেফীন চৌধুরী হইচই ফেলে দেন দ্য ইকোনমিস্ট - এ চা বিষয়ক একটি আর্টিকেল লিখে - দ্য টি অব শ্যানং। সবার ধারণা ডক্টরের কাছে বিশাল এক রহস্যের চাবি আছে। চাবি নাও, খুলে যাবে অফুরন্ত সম্পদের ভান্ডার!

Tab Article

মন মেজাজ ভালো থাকলে মোড়ের চা - দোকানি মান্নান মিয়া গল্প জুড়ে দেয়। গল্পটা এই মান্নান মিয়ার কাছ থেকেই শোনা। অনেক অনেক দিন আগের কথা, দুর্গম অরণ্যে এক দয়ালু সন্ত বাস করতেন। উনি ছিলেন এক ধন্বন্তরি চিকিৎসক। যে কোন রোগ সারাতে পারতেন। অসুস্থ কেউ উনার কাছে এসে খালি হাতে ফিরে যেত না। কিন্তু একটা জিনিস উনি সারাতে পারতেন না, সেটা হলো মৃত্যু। মানুষের মরণশীলতা তাকে পীড়িত করতো, ব্যথিত করতো। জানতেন, মৃত্যুর কাছে সবাই অসহায়। এক রহস্যময় গাছ খুঁজে পান তিনি। সন্তের মতে, গাছটি সহস্রাব্দ-প্রাচীন। মানবজাতির অভ্যুদয়ের আগে থেকেই আছে। কিন্তু কী সেই রহস্যময় গাছের মাহাত্ম্য? ঢাকা শহর জুড়ে কে জানি মানুষ খুন করে দেয়ালে গ্র্যাফিত্তি এঁকে যাচ্ছে - দুধ চা খেয়ে তোকে গুলি করে দেব। পত্রপত্রিকা উদ্ভট এক লেবেল সেঁটে দেয় খুনির-দুধ চা কিলার। পুলিশের সিনিয়র গোয়েন্দা রফিকুল ইসলামের কাছে খুনগুলো এক বিরাট রহস্য। কে এই খুনি? কী চায় সে? এই দুর্বোধ্য গ্র্যাফিত্তির মানেই বা কী? বিদগ্ধ পন্ডিত ড. মেহবুব আরেফীন চৌধুরী হইচই ফেলে দেন দ্য ইকোনমিস্ট - এ চা বিষয়ক একটি আর্টিকেল লিখে - দ্য টি অব শ্যানং। সবার ধারণা ডক্টরের কাছে বিশাল এক রহস্যের চাবি আছে। চাবি নাও, খুলে যাবে অফুরন্ত সম্পদের ভান্ডার!

Tab Article

জাহিদ হোসেনের জন্ম সিলেটে, বেড়ে ওঠা ঢাকায়। পড়াশোনা করেছেন নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। বর্তমানে একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত। বাস করছেন জন্মভূমি সিলেটেই। বইপড়ার প্রতি অসম্ভব ঝোঁক থেকেই লেখালেখিতে আগ্রহ। শুরু অনুবাদ দিয়ে। পরপর দু’টি অনুবাদ প্রকাশিত হয় তার। ‘অ্যাম্বার রুম’ ও ‘ম্যাক্সিমাম রাইডঃ দ্য অ্যাঞ্জেল এক্সপেরিমেন্ট’। এরই মধ্যে জাহিদ হোসেন প্রবেশ করেন মৌলিক লেখালেখির জগতে। মৌলিক থ্রিলার হিসেবে তার প্রথম প্রয়াস ‘ঈশ্বরের মুখোশ’, যা ২০১৫’র একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়। এরপর একে একে বের হয় ‘ফিনিক্স’, ‘কাদ্যুসেয়াস’, ‘একজোড়া চোখ খোঁজে আরেক জোড়া চোখকে’, ‘দুধ চা খেয়ে তোকে গুলি করে দেব’ ও ‘গিলগামেশ’। জাহিদ হোসেনের প্রকাশিত বই ওপার বাংলাতেও ব্যাপক সমাদৃত ও প্রশংসিত। কলকাতার অভিযান পাবলিশার্স ও বুকিকার্ট থেকে কয়েকটি বইয়ের ভারতীয় সংস্করণ প্রকাশের পর বেশ সাড়াও পান। উপন্যাস ও নভেলা ছাড়াও বেশ কয়েকটি ছোটগল্প লিখেছেন জাহিদ হোসেন। Email: zhussain.nsu@gmail.com

ADD A REVIEW

Your Rating

0 REVIEW for দুধ চা খেয়ে তোকে গুলি করে দেব !

এ রকম আরও বই