Bicharak

বিচারক

Product Summery

মফঃস্বলের দায়রা আদালতের বিচারক জ্ঞানেন্দ্রনাথ। যাঁরা তাঁর চাকরী-জীবনের ইতিহাসের কথা জানেন-বলেন, মুন্সেফ থেকে জ্ঞানেন্দ্রবাবু আজ জজ হয়েছেন, সে অনেকেই হয়, কিন্তু তাঁর জীবনে লেখা যত রায় আপীলের অগ্নি-পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছে এত আর কারুর হয়েছে বলে তাঁরা জানেন না। কিন্তু আজ এমন একটি মামলার বিচারে বসেছেন তিনি যা তাকে ফিরিয়ে নিয়ে গেল প্রথম স্ত্রী সুমতির অগ্নিদগ্ধ হয়ে মরার দিনটায়, কোনরকমে আত্মরক্ষা করে যে দিনটা থেকে তিনি চরম অন্তর্দ্বন্দ্বে ভুগছেন আজ অবধি। সেদিনের ঘটনায় তিনি কি স্বার্থপরের মত নিজের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন? সুমতির মৃত্যুতে তাঁর দায় কতটুকু? সেই থেকে যে আগুনকে এত ভয় তার, আজ এই মামলাটা তাঁকে আবার দাঁড় করিয়ে দিয়েছে সেই অগ্নিপরীক্ষায়।

আরও পড়ুন >

Tab Article

মফঃস্বলের দায়রা আদালতের বিচারক জ্ঞানেন্দ্রনাথ। যাঁরা তাঁর চাকরী-জীবনের ইতিহাসের কথা জানেন-বলেন, মুন্সেফ থেকে জ্ঞানেন্দ্রবাবু আজ জজ হয়েছেন, সে অনেকেই হয়, কিন্তু তাঁর জীবনে লেখা যত রায় আপীলের অগ্নি-পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছে এত আর কারুর হয়েছে বলে তাঁরা জানেন না। কিন্তু আজ এমন একটি মামলার বিচারে বসেছেন তিনি যা তাকে ফিরিয়ে নিয়ে গেল প্রথম স্ত্রী সুমতির অগ্নিদগ্ধ হয়ে মরার দিনটায়, কোনরকমে আত্মরক্ষা করে যে দিনটা থেকে তিনি চরম অন্তর্দ্বন্দ্বে ভুগছেন আজ অবধি। সেদিনের ঘটনায় তিনি কি স্বার্থপরের মত নিজের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন? সুমতির মৃত্যুতে তাঁর দায় কতটুকু? সেই থেকে যে আগুনকে এত ভয় তার, আজ এই মামলাটা তাঁকে আবার দাঁড় করিয়ে দিয়েছে সেই অগ্নিপরীক্ষায়।

Tab Article

তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়। পরবর্তীকালে তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিধান সভার নির্বাচিত সদস্য হিসেবে আট বছর দায়িত্ব পালন করেন। প্রথম জীবনে কিছু কবিতা লিখলেও কথাসাহিত্যিক হিসেবেই তারাশঙ্করের প্রধান খ্যাতি। বীরভূম-বর্ধমান অঞ্চলের মাটি ও মানুষ, বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের জীবনচিত্র, স্বাধীনতা আন্দোলন, যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, অর্থনৈতিক বৈষম্য, ব্যক্তির মহিমা ও বিদ্রোহ, সামন্ততন্ত্র-ধনতন্ত্রের দ্বন্দ্বে ধনতন্ত্রের বিজয় ইত্যাদি তাঁর উপন্যাসের বিষয়বস্তু। তারাশঙ্কর প্রায় দুশ’ গ্রন্থ রচনা করেন। সেগুলির মধ্যে চৈতালী ঘূর্ণি (১৯৩২), ধাত্রীদেবতা (১৯৩৯), গণদেবতা (১৯৪৩), পঞ্চগ্রাম (১৯৪৪), কবি (১৯৪৪), হাঁসুলি বাঁকের উপকথা (১৯৪৭), আরোগ্য নিকেতন (১৯৫৩) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘শরৎস্মৃতি পুরস্কার’ (১৯৪৭) ও ‘জগত্তারিণী স্বর্ণপদক’ (১৯৫৬) লাভ করেন। এছাড়া তিনি ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ (১৯৫৫), ‘সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার’ (১৯৫৬), ‘জ্ঞানপীঠ পুরস্কার’ (১৯৬৭) এবং ‘পদ্মশ্রী’ (১৯৬২) ও ‘পদ্মভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত হন।

0 REVIEW for ' বিচারক'

No review found

ADD A REVIEW

Your Rating


content title
Loading the player...