কী গাছ তার নাম জানে না রঞ্জন, গাছের তলাটা দেখিয়ে বলে, চল বসি। সোজা দাঁড়িয়ে পড়ে বিলু, না বসলে ভিজিটার্স রুমে বসবেন। এখানে না ! কেন? জেদী হতে চায় রঞ্জন, এখানেই বসব, অসুবিধা কী? না। আপনাকে মানায় না। বুড়ো হয়ে গেছি ? আপনি আমার অন্যরকম, মনে মনে ভাবে বিলু। ‘আমার’ কথাটার জন্য লজ্জায় রাঙ্গা হয় বিলু। বিলু বিলক্ষণ জানে, এই লোকটার সঙ্গে ওর বিয়ে হবে। স্বামী-স্ত্রী ! একটা শিহরণ বয়ে যায়। কীরকম ভয় মেশান আনন্দ। এর মানে কী? উপন্যাস কি চরিত্রের জার্নির বিবরণ ? চরিত্র কি যেতে চায় একটা কোনখানে ? একটা বিন্দু বিন্দু থেকে কি শুরু হয়েছিল এই যাত্রাপথ ? এটা হতেই পারে না যে, রঞ্জনের মা কখনো ওকে কোলে কাঁখে করেনি, চুকচুক করে সময়ে অসময়ে চুমু খায়নি। কিন্তু মনে পড়ে না, মনে পড়ে না। কেন মনে পড়ে না? এখনো বাড়িটা খুঁজে পেলে কি হত্যাকাণ্ডটা ঠেকানো সম্ভব? কিন্তু রঞ্জনের মতো মঞ্জরও মনে পড়ে না। কিছুতেই ফুটে উঠছে না সম্পূর্ণ বাড়ির ছবিটা। কোন রাস্তায় সে কালো বাড়ি।

জন্ম ১৪ জুন ১৯৫১, নারিন্দা, ঢাকায়। বুয়েট থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে গ্রাজুয়েট। শুরুতে ২২ বছর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও পরে বিদেশি উপদেষ্টা ও নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ সেক্টরে কাজ করেছেন। ১৯৬৮ সালে গল্প লেখা শুরু দৈনিক পত্রিকার ছোটদের পাতায়। বড়দের জন্য লেখা প্রথম গল্প প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালে দৈনিক পাকিস্তানের সাহিত্য পাতায়। নিয়মিত ছোটগল্প ও উপন্যাস লেখেন দৈনিক পত্রিকার সাহিত্য পাতা ও ঈদ সংখ্যায়। প্রথম উপন্যাস 'টাপুর টাপুর' প্রকাশিত হয় ১৯৮৪ সালে। এ পর্যন্ত প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস পলাতকা, পাথরগুলো, কুশীলব, অশেষ, 'সোনার আলোয়, প্রিয়তম, হৃদয়, ছত্রাক, সিংহাসন, টাপুর টুপুর প্রভৃতি । ছোটগল্প সংকলন সুগন্ধী ও এত কাছাকাছি।

No review found

Write a review

    Bad           Good
content title
Loading the player...
Boighor

Stay Connected