1
মারণ বাতাস - সুচিত্রা ভট্টাচার্য
57:06
1
মারণ বাতাস - সুচিত্রা ভট্টাচার্য
57:06

বেসরকারি গোয়েন্দা শ্রীমতি প্রজ্ঞাপারমিতা মুখার্জী ওরফে মিতিন কলকাতা লালবাজার পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার অনিশ্চয় মজুমদারের মুখে এক হত্যাকাণ্ডের খবর পেলেন। ঘটনার বিবরণীতে পুলিশকর্তা এও জানালেন যে অপরাধীকে খুব সহজেই সনাক্ত করা গেছে এবং সেই আততায়ী স্বয়ং নিহতের স্ত্রী। কিন্তু মিতিনের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় জানান দিচ্ছিলো পুলিসি উপসংহার নেহাতই অতিরিক্ত সরলীকরণ এবং রহস্যের জট ছাড়াতে মিতিন স্বকীয় তদন্তে উপনীত হলেন পুলিশ বড়কর্তার অনুমতি নিয়ে। সন্দেহের তালিকার প্রধান সাক্ষীদের সাথে কথা বলার সময়ে মিতিনের চোখে ধরা পড়ে একটি ফটোভোলটাইক সেল চালিত দেওয়াল ঘড়ি এবং একটি বিশেষ সাক্ষী বিবরণীর অসঙ্গতি। প্রখ্যাত মহিলা গোয়েন্দা চরিত্র মিতিন মাসি কাহিনী সংকলনের কিংবদন্তি রচয়িতা সুচিত্রা ভট্টাচার্য্যের কলমে রুদ্ধশ্বাস ক্রাইম থ্রিলার অবলম্বনে রোমাঞ্চকর শ্রুতিকাহিনী শুনুন বইঘরে।

বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় লেখক সুচিত্রা ভট্টাচার্য। জন্মসূত্রে ভারতীয় নাগরিক। জন্ম ১৯৫০ সালের ১০ জানুয়ারি। বাংলাদেশের পাঠকের কাছেও ছিলেন সুপরিচিত। তাঁর বিপুল জনপ্রিয়তার শুরু নব্বইয়ের দশকে। ‘কাচের দেয়াল’, ‘কাছের মানুষ’, ‘দহন’, ‘হেমন্তের পাখি’, ‘নীল ঘূর্ণি’, ‘অলীক সুখ’-এর মতো উপন্যাস ও বেশ কিছু ছোট গল্প তাঁকে বহুলপঠিত লেখকের আসনে বসায়। ২০০৪ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে পুরোপুরি লেখাতেই মনোনিবেশ করেন সুচিত্রা। বৈঠকী মেজাজ আর হাসিমুখের মানুষটি রাজনৈতিক-সামাজিক ঘটনাতেও বারবার সরব হয়েছিলেন। শহুরে মধ্যবিত্ত জীবন ও তার টানাপড়েন ছিল তাঁর লেখার প্রিয় বিষয়। বারবার উঠে আসত মেয়েদের জীবনের কথা। তাঁর লেখা থেকে ‘দহন’, ‘ইচ্ছে’, ‘রামধনু’, ‘অলীক সুখ’-এর মতো আলোচিত কিছু চলচ্চিত্র তৈরি হয়েছে। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত অভিনয় করেছিলেন ‘দহন’ ও ‘অলীক সুখ’-এ। ২০১৫ সালের ১২ মে প্রয়াত হন সুচিত্রা।

No review found

Write a review

    Bad           Good
content title
Loading the player...
Boighor

Stay Connected