Shapure Shardar

সাপুড়ে সর্দার

Product Summery

বনহুর নূরী এবং কেশবসহ গুহার শেষভাগে সুড়ঙ্গমুখে এসে দাঁড়ালো। মুক্ত আলো-বাতাস তার চোখেমুখে লাগতেই এবং জলপ্রপাতে নজর পড়তেই উচ্ছল হয়ে উঠলো সে খুশিতে। সোনালী সূর্যের আলো রূপালী জলপ্রপাতে পড়ে অপূর্ব সুন্দর লাগছিলো। নূরী বনহুরের দক্ষিণ হাতখানা চেপে ধরে খুশিভরা কণ্ঠে বললো- ‘হুর, কী সুন্দর, না?’ বনহুর তখন গম্ভীর কণ্ঠে বললো, ‘সুন্দরের মাধুর্য উপভোগ করার সময় এখন নয়। কি করে আমরা এখন এ গুহা থেকে জংলীদের নিষ্ঠুর দৃষ্টি এড়িয়ে চলে যেতে পারি, সেই চিন্তা করতে হবে।’ বনহুরের কথায় নূরীর মুখ চিন্তাযুক্ত হলো। কেশব বললো, ‘ভয়ানক দুশ্চিন্তার কথা বাবু, কি করে এখান হতে যাওয়া যাবে?’ ‘উপায় একটা করতেই হবে কেশব।’ বনহুর সুড়ঙ্গমুখে দাঁড়িয়ে তাকাতে লাগলো দূরে চারিদিকে। সুড়ঙ্গমুখের উপরেই সুউচ্চ পর্বতমালার শ্রেণীবদ্ধ শৃঙ্গ, আর নীচে জলপ্রপাতের কাকচক্ষুর ন্যায় স্বচ্ছ জলরাশি পর্বতমালার গায়ে অসংখ্য গাছ-পাছড়া আর লতাগুল্ম আচ্ছাদিত। বনহুর ভ্রু কুঞ্চিত করে কি যেন ভাবলো, তারপর বললো, ‘এসো কেশব, আমাদের জলপথেই পালাতে হবে।’ ‘জলপথে!’ অবাক কণ্ঠে বললো নূরী। বললো বনহুর, ‘হাঁ, জলপথে। জলপথে পালানো ছাড়া আমাদের কোনো উপায় নেই।’

Tab Article

বনহুর নূরী এবং কেশবসহ গুহার শেষভাগে সুড়ঙ্গমুখে এসে দাঁড়ালো। মুক্ত আলো-বাতাস তার চোখেমুখে লাগতেই এবং জলপ্রপাতে নজর পড়তেই উচ্ছল হয়ে উঠলো সে খুশিতে। সোনালী সূর্যের আলো রূপালী জলপ্রপাতে পড়ে অপূর্ব সুন্দর লাগছিলো। নূরী বনহুরের দক্ষিণ হাতখানা চেপে ধরে খুশিভরা কণ্ঠে বললো- ‘হুর, কী সুন্দর, না?’ বনহুর তখন গম্ভীর কণ্ঠে বললো, ‘সুন্দরের মাধুর্য উপভোগ করার সময় এখন নয়। কি করে আমরা এখন এ গুহা থেকে জংলীদের নিষ্ঠুর দৃষ্টি এড়িয়ে চলে যেতে পারি, সেই চিন্তা করতে হবে।’ বনহুরের কথায় নূরীর মুখ চিন্তাযুক্ত হলো। কেশব বললো, ‘ভয়ানক দুশ্চিন্তার কথা বাবু, কি করে এখান হতে যাওয়া যাবে?’ ‘উপায় একটা করতেই হবে কেশব।’ বনহুর সুড়ঙ্গমুখে দাঁড়িয়ে তাকাতে লাগলো দূরে চারিদিকে। সুড়ঙ্গমুখের উপরেই সুউচ্চ পর্বতমালার শ্রেণীবদ্ধ শৃঙ্গ, আর নীচে জলপ্রপাতের কাকচক্ষুর ন্যায় স্বচ্ছ জলরাশি পর্বতমালার গায়ে অসংখ্য গাছ-পাছড়া আর লতাগুল্ম আচ্ছাদিত। বনহুর ভ্রু কুঞ্চিত করে কি যেন ভাবলো, তারপর বললো, ‘এসো কেশব, আমাদের জলপথেই পালাতে হবে।’ ‘জলপথে!’ অবাক কণ্ঠে বললো নূরী। বললো বনহুর, ‘হাঁ, জলপথে। জলপথে পালানো ছাড়া আমাদের কোনো উপায় নেই।’

Tab Article

রোমেনা আফাজ প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক। তাঁর জন্ম বগুড়া জেলার শেরপুর থানায় ১৯২৬ সালে । তিনি ‘দস্যু বনহুর’ সিরিজের জন্য বাঙালি পাঠক সামজের কাছে বেশ পরিচিত। রোমেনা আফাজ লেখালেখি শুরু করেন শৈশব থেকেই। ছোটগল্প, কবিতা, কিশোর উপন্যাস, সামাজিক উপন্যাস, গোয়েন্দা সিরিজ ও রহস্য সিরিজ রচনা করেছেন তিনি। বাবা ছিলেন পুলিশ অফিসার। তার মুখে অপরাধ ও অপরাধীদের রোমহর্ষক কথা শুনে রোমাঞ্চকর গল্পের প্রতি মোহ সৃষ্টি হয়। তার লেখা ‘দস্যু বনহুর’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। এর জন্যই তিনি বিখ্যাত হন। সাহিত্য ও শিল্পকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য ২০১০ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয় রোমেনা আফাজকে।

ADD A REVIEW

Your Rating

0 REVIEW for সাপুড়ে সর্দার !

এই লেখকের আরও বই

এ রকম আরও বই