Kete Jak Ondhokar

কেটে যাক অন্ধকার

Product Summery

মিরপুরের পরিত্যাক্ত এক বাড়িতে টিভি রিপোর্টার নাফিস কী এমন খুঁজে পেল, যা তার বিশ্বাসের সব ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে? সবার অলক্ষ্যে কোন অশুভ নরখাদক হানা দিচ্ছে ব্যস্ত নগরী ঢাকায়? কেন? ওদিকে ময়মনসিংহে পা রাখতেই রফিক শিকদারের মনে জেগেছে অজস্র প্রশ্ন। অদ্ভুত সব রহস্য দেখা দিচ্ছে তার চারপাশে। অতীত-বর্তমানের কোন যোগসূত্র তাকে টেনে এনেছে এখানে, তার দাদার মাজারে? তবে কি তার জীবনে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সব এক সুতোয় গাথা? তিন অদ্ভুত ভাই হাবিল-নাবিল-কাবিলই বা কী চায়? হেম্মেজের রহস্যময় আচরণ বারবার সন্দেহের জন্ম দিচ্ছে। সব বিপত্তি পেরিয়ে মায়াবাঘ এর আক্রমণের জবাব খুঁজতে রফিক ছুটে গেল খুলনায়। ওদিকে রাজশাহীতে নদীর তীরে একের পর এক উধাও হচ্ছে মানুষ। হারিয়ে যাচ্ছে প্রাণীরা। সত্যকলামের ‘অপ্রাকৃত’ বিভাগেও জমা হয়েছে ময়মনসিংহের বন-পাহাড়ে ঘটে যাওয়া এক নারকীয় তাণ্ডবের ঘটনা। সাফওয়াত হাসপাতালে, আইরিনের ভাবনায় আগামীদিনে বেঁচে থাকার প্রচেষ্টা ৷ আর সবার প্রচেষ্টাকে বিফল করতেই নরক থেকে হাজির হয়েছে সেই প্রাচীন অভিশাপ, যার কারণে প্রাণ হারাতে হয়েছিল অতীতের কোন রফিক শিকদারকে। আসলেই কি তাই? না কি সবকিছুর পেছনে লুকিয়ে আছে ভিন্ন কোন আততায়ী? কী তার উদ্দেশ্য? অন্ধকার সে রাতের যুদ্ধে রফিক কী বেঁচে ফিরতে পারবে? বাপ্পী খানের লেখা ‘হার না মানা অন্ধকার’ ও ‘ঘিরে থাকা অন্ধকার’ এর সাফল্যের পর অন্ধকার ট্রিলজির শেষ বই ‘কেটে যাক অন্ধকার’; যেখানে ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অদ্ভুত কিছু অতিপ্রাকৃত আখ্যান।

Tab Article

মিরপুরের পরিত্যাক্ত এক বাড়িতে টিভি রিপোর্টার নাফিস কী এমন খুঁজে পেল, যা তার বিশ্বাসের সব ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে? সবার অলক্ষ্যে কোন অশুভ নরখাদক হানা দিচ্ছে ব্যস্ত নগরী ঢাকায়? কেন? ওদিকে ময়মনসিংহে পা রাখতেই রফিক শিকদারের মনে জেগেছে অজস্র প্রশ্ন। অদ্ভুত সব রহস্য দেখা দিচ্ছে তার চারপাশে। অতীত-বর্তমানের কোন যোগসূত্র তাকে টেনে এনেছে এখানে, তার দাদার মাজারে? তবে কি তার জীবনে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সব এক সুতোয় গাথা? তিন অদ্ভুত ভাই হাবিল-নাবিল-কাবিলই বা কী চায়? হেম্মেজের রহস্যময় আচরণ বারবার সন্দেহের জন্ম দিচ্ছে। সব বিপত্তি পেরিয়ে মায়াবাঘ এর আক্রমণের জবাব খুঁজতে রফিক ছুটে গেল খুলনায়। ওদিকে রাজশাহীতে নদীর তীরে একের পর এক উধাও হচ্ছে মানুষ। হারিয়ে যাচ্ছে প্রাণীরা। সত্যকলামের ‘অপ্রাকৃত’ বিভাগেও জমা হয়েছে ময়মনসিংহের বন-পাহাড়ে ঘটে যাওয়া এক নারকীয় তাণ্ডবের ঘটনা। সাফওয়াত হাসপাতালে, আইরিনের ভাবনায় আগামীদিনে বেঁচে থাকার প্রচেষ্টা ৷ আর সবার প্রচেষ্টাকে বিফল করতেই নরক থেকে হাজির হয়েছে সেই প্রাচীন অভিশাপ, যার কারণে প্রাণ হারাতে হয়েছিল অতীতের কোন রফিক শিকদারকে। আসলেই কি তাই? না কি সবকিছুর পেছনে লুকিয়ে আছে ভিন্ন কোন আততায়ী? কী তার উদ্দেশ্য? অন্ধকার সে রাতের যুদ্ধে রফিক কী বেঁচে ফিরতে পারবে? বাপ্পী খানের লেখা ‘হার না মানা অন্ধকার’ ও ‘ঘিরে থাকা অন্ধকার’ এর সাফল্যের পর অন্ধকার ট্রিলজির শেষ বই ‘কেটে যাক অন্ধকার’; যেখানে ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে অদ্ভুত কিছু অতিপ্রাকৃত আখ্যান।

Tab Article

বাপ্পী খান মিউজিশিয়ান, মিডিয়াকর্মী হিসেবে পরিচিত হলেও লেখালেখিতেও নিজস্ব স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। থ্রিলার, হরর আর অ্যাডভেঞ্চার তার পছন্দের জনরা। ২০১৭ সালে বাতিঘর প্রকাশনীর ‘থ্রিলার গল্প সংকলন ৪’-এ তার ‘বুমেরাং’ ও ‘প্রহেলিকা’ নামক দুটো গল্প স্থান পেয়েছিল তার। এরপর বাংলাদেশ-কলকাতা মিলিয়ে আরও বেশ কয়েকটি সংকলনে লিখেছেন পাঠকপ্রিয় কিছু গল্প। বাপ্পী খানের লেখা প্রথম নভেলা ‘একা’ প্রকাশিত হয় ২০১৭ এর ডিসেম্বরে, কলকাতা থেকে। এরপর বাতিঘর প্রকাশনী থেকে ২০১৮ সালে ‘নিশাচর’ ও ২০১৯ সালে ‘হার না মানা অন্ধকার’ প্রকাশিত হয়। ২০২০ সালে অন্ধকার সিরিজের দ্বিতীয় বই, ‘ঘিরে থাকা অন্ধকার’ প্রকাশিত হয়। কলকাতার অভিযান পাবলিশার্স ‘হার না মানা অন্ধকার’ ও ‘ঘিরে থাকা অন্ধকার’-এর কলকাতা সংস্করণ প্রকাশ করেছে। ২০২১ সালে প্রকাশিত হয়েছে অন্ধকার ট্রিলজির শেষ বই ‘কেটে যাক অন্ধকার’ ও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে কিশোর অ্যাডভেঞ্চার নভেলা ‘ক্ষ্যাপা’।

ADD A REVIEW

Your Rating

3 REVIEW for কেটে যাক অন্ধকার !

অজানাকে জানার বাসনা মানুষ্যমনের এক আদিম প্রবৃত্তি। সাথে যদি যুক্ত হয় বিপদের আশংকা তাহলে যেন আরও বেশি হাতছানি দিয়ে ডাকে। অজানা রহস্য ভেদের তাড়না ব্যক্তিকে ধাবিত করে অজানা-অচেনা পথে। তারপর? ফলাফল কি সর্বদা শুভ হয়... অন্ধকার জগৎকে জানার প্রয়াস চলে আসছে সে অতীতকাল থেকেই। অনেকে তো জীবন বাজি দিয়ে হলেও পিছপা হয় না। কিন্তু অন্ধকার জগতের প্রাণীগুলোর দেখা পাওয়া কি এতটাই সোজা? এ নিয়ে তো তর্ক-বির্তকও কম নয়। রয়ে যায় বিশ্বাস-অবিশ্বাসের টানাপোড়েনও। এত শ্রাস্ত্র এত গ্রন্থ এত লোকগাথা সবই কি মিথ্যে? জোর গলায় যেমন মেনে নেওয়া যায় না তেমনি একদম অস্বীকারও তো করা যায় না। যতক্ষণ না মুখোমুখি হতে হয় অন্ধকার জগতের অস্তিত্বের সাথে... ● আখ্যান — "সত্য-কলাম"- এর কর্ণধার রফিক শিকদার, ট্যাবলয়েড পত্রিকার অবস্থা দিনকে দিন অবনতিই হচ্ছে। বিষয়টি ভাবাচ্ছে তাকে। চাচার স্মৃতি জড়িয়ে আছে সত্য-কলামের সাথে তাই যেভাবেই হোক পত্রিকাটি বন্ধ হতে দেওয়া যাবে না। হঠাৎই একদিন অতীতের স্মৃতি তাড়িত করে, সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে অতিপ্রাকৃতিক ঘটনা নিয়ে ফিচার করার। তারপর, শুরু হয় একের পর এক অশুভের সাক্ষাৎ... ঢাকায় একের পর এক যুবকের বিখণ্ডিত লাশ পাওয়া যাচ্ছে। রিপোর্টার নাফিসের সন্ধানে বের হয়ে আসে কল্পনাতীত এক সত্য! অতীতের বহু রহস্যের সমাধান মেলে ময়মনসিংহে। রফিক জানতে পারে তার অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ একসূত্রে গাঁথা, কীভাবে? রহস্যময় তিন ভাই কী জানে আর হেম্মেজই বা কী করছে সেখানে? মায়াবাঘ কেন তাড়া করছে তাকে? রাজশাহীতে অদৃশ্য জীবের আগমন ঘটেছে। নিমিষেই খেয়ে ফেলছে জীবিত মানুষকে, পড়ে থাকছে কংকাল! সাথে যুক্ত হয়েছে ময়মনসিংহে পানি দেও এর তান্ডব। অন্ধকার জগতের সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে রফিক। কী অপেক্ষা করছে সামনে... ● পাঠপ্রতিক্রিয়া ও পর্যালোচনা — 'অন্ধকার' শব্দের মাঝেই লুকিয়ে আছে অচেনা-অজানা রহস্য। " কেটে যাক অন্ধকার ", " অন্ধকার সিরিজ "- এর তৃতীয় বই। বেশ কিছু অতিপ্রাকৃত গল্পের সমাহার বলা চলে। তবে দু'একটা গল্পের সাথে বিজ্ঞানের যোগসূত্র দেখানো হয়েছে। সিরিজের বিশেষ দিক হলো প্রচলিত ভূত-প্রেত নয় বরং বিভিন্ন জাগতিক-মহাজাগতিক জীবদের নিয়ে লেখা। বিষয়টা ভালো লেগেছে অন্যরকম একটা স্বাদ পেয়েছি। বইয়ের ইলাস্ট্রেশনগুলো দারুণ। কিছু ইলাস্ট্রেশন দেখে তো গা শিরশির করে উঠেছে। ট্রিলজির কাহিনি বলতে গেলে একটি সার্কেল। যার একদিক থেকে শুরু হয়ে অন্যদিক থেকে মিলে গেছে। একটি বই পড়লে বাকিগুলো পড়তেই হবে নাহলে গল্পের মূল কাহিনি বুঝায় যাবে না। অবশ্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা বুঝার উপায় নেয়। প্রথমে তো রেজ্জেকের গল্প শোনার পর আফসোস থেকে গিয়েছিল। রাজস্থানের রহস্যের খোলাসা হলো না। কিন্তু টুইস্ট তো বাকি। তবে প্রথম থেকেই নরখাদককে নিয়ে সন্দেহ ছিল। শেষে যেয়ে তৃপ্তি পেয়েছি মন মতো উত্তর। লাস্টের টুইস্টটা অসাধারণ ছিল। কাবিল-হাবিল-নাবিল নিয়ে আরও গল্প থাকলে ভালো হতো। যদিও ট্রিলজি লেখা কিন্তু " কেটে যাক অন্ধকার "- এর শেষে কিছু প্রশ্ন থেকেই যায় যেন নতুন কোনো বইয়ের আভাস। গল্পগুলো বেশ ভালোই লেগেছে তবে রাজশাহীর গল্পটা একটু খাপছাড়া ঠেকেছে। রহস্য টুইস্টে ভরপুর। অধিকাংশ সময়ই পড়া হয়েছে রাতে তাই আরও উপভোগ করেছি। একবার তো আয়নায় ছায়া দেখে চমকে উঠেছিলাম, জিকোর আয়না রহস্যের কথা ভেবে। রফিকের তাবিজ নিয়ে ফ্যান্টাসি ছিল এমন ম্যাজিক্যাল কিন্তু তাবিজের ইতিহাস জেনে ওর দশহাতের কাছেও যেতে চাই না বাবা। ● লেখনশৈলী ও বর্ণনা — দৃশ্যপটগুলো স্পষ্টভাবেই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বিশেষ করে গ্রামীণ পরিবেশের বর্ণনা। মনে হচ্ছিল ঝর্ণার পাশে বসে আছি তো আবার মনে হচ্ছে সুন্দরবনে ঘুরে বেড়াচ্ছি। এককথায় ঝরঝরে লেখনী। বিভিন্ন তন্ত্রের বিবরণও সহজ ভাষায় করা হয়েছে। অতিরিক্ত কোনো আলোচনাও নেয়। ● চরিত্রায়ন — ট্রিলজিতে বেশ কিছু চরিত্রের দেখা মেলে। রফিক মূল চরিত্র এছাড়া আছে চাচাতো বোন আইরিন, সাফওয়ান, কাবিল-হাবিল-নাবিল (তিন রহস্যময় ভাই), হেম্মেজ, কিয়াসু,মিশি, মৃত্তিকা আরও অনেকে। বইয়ের অধিকাংশ গল্পই রফিকের ডাইরি থেকে। সত্য-কলাম, মৃত্তিকার ডাইরি আর আইরিনের ব্লগ থেকেও আছে। রহস্যময় তিন ভাইয়ের জবানীতেও কিছু গল্প আছে। বিশেষ করে তাদের অতীতের গল্পটা অন্যরকম ছিল। ● বানান ও সম্পাদনা — বানানে অল্পবিস্তর কিছু ভুল রয়েছে। 'গ্লাস', 'ব্যথা' দুটি বানানে ও 'উ' কার (ু) এর ব্যবহারে একাধিক ত্রুটি রয়েছে। বইয়ে ২৪৯-২৫১ পেজে বেশ কিছু জায়গায় 'হেম্মেজ'- কে 'রেজ্জেক' লেখা হয়েছে। এছাড়াও দু'এক জায়গায় নামে সমস্যা আছে। চমৎকার একটি বই। গভীর নিঃশব্দ রাতে পড়ার মজাই আলাদা। রাত যত বাড়ে গল্পের আমেজও তত বাড়ে। অতিপ্রাকৃত প্রিয় পাঠকদের জন্য হাইলি রিকমন্ডেড। তবে সিরিজ কিন্তু এখানেই শেষ নয়। সিরিজের প্রিকুয়েল আসার কথা আরও তিনটি। আশা করা যায় পরবর্তী ২০২৩, ২৪ ও ২৫ সালে বাকি তিনটি বই পাঠকের হাতে থাকবে।

Rafia Rahman 2022-04-17 14:03:36

কেটে যাক অন্ধকার আলোর বিপরীতে থাকা অন্ধকার নিয়ে মানুষের জল্পনা কল্পনার শেষ নেই।অশুভ শক্তির আধারও এই অন্ধকার।আর অনেকগুলো অন্ধকার আখ্যানের সমন্বয়েই বাপ্পী খানের অন্ধকার ট্রিলজি। পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ হার না মানা অন্ধকার এবং ঘিরে থাকা অন্ধকার পড়ার পর স্বভাবতই দুটো প্রশ্ন মাথায় উঁকি দেয়। ঘটনাগুলোর পরিণতি কি হতে চলেছে এবং সেগুলো কিভাবে সংযুক্ত। সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর এবং ‘অপ্রাকৃত’ পত্রিকায় প্রকাশিত আরও কিছু নতুন ঘটনা নিয়েই কেটে যাক অন্ধকার। সাথে নতুন একটা অন্ধকার আখ্যান শুরুর ইঙ্গিত। যখন শুনেছিলাম পূর্বের কাহিনীগুলোর সাথে এই বইয়ের বেশ জোরালো সম্পর্ক রয়েছে তখন ভাবলাম এতো এতো ঘটনার মধ্যে লেখক কিভাবে সংযোগ রেখা টানবেন, কিভাবেই কাহিনীর সমাপ্তি টানবেন...আগ্রহ বাড়ছিল। তবুও শুরু করতে করতে আরেকটা মাস পেরিয়ে গেলো। অবশেষে দুইদিন আগে শুরু করলাম বইটা।মজার ব্যাপার কাল সারাদিনও বৃষ্টি হচ্ছিল। প্রথম থেকেই লেখকের চমৎকার লিখনশৈলীতে মোহাচ্ছন্ন হয়ে রইলাম। তারপর ঘটনার ঘনঘটা, দুর্দান্ত ডিটেইলিং, ভয় জাগানিয়া বিবরণ আর নিখুঁত সব শব্দের প্রয়োগ গল্পের ভেতর ঢুকে যাই অকপটে। অপ্রাকৃতে প্রকাশিত গল্পগুলো খুবই ভালো লেগেছে। আবার সুন্দরবনের রক্তচোষাদের কাহিনীটাও ভালো ছিল। তবে বিশেষ করে সুরিয়ার কাহিনীটা অর্থাৎ ‘সাক্ষী’ নামের গল্পটা সবসময় প্রিয় হয়ে থাকবে। শেষদিকে কাহিনী ঝুলে পড়েছিল বলে মনে হয়েছে। পুরো বইয়ে গতি বেশ ভালো ছিল। কিন্তু শেষে কেন যেন ধীর মনে হয়েছে। আর শেষটা হালকা প্রেডিক্টেবলও ছিল। আহরণী, মেঘারণীসহ যেসকল ফ্যান্টাসিকাল টার্ম আর রীতির উল্লেখ করেছেন সেগুলো সুন্দর ছিল। এ কারণে লেখক বাহবা পেতেই পারেন। চরিত্রগুলোর কথা বলতে গেলে শেষ পর্যন্ত রফিক শিকদারকে প্রধান চরিত্র হিসেবে গতানুগতিক মনে হয়েছে। সৎ, একনিষ্ঠ, উদারমনা। অন্যান্য চরিত্রগুলোর মাঝে হেম্মেজ আর নাবিলকে খুবই ভালো লেগেছে। চরিত্রায়ণ মোটামুটি ভালোই ছিল। নাফিসের কথা মনে আছে? নিশাচরের প্রধান চরিত্র এই বইটা শুরু হয় নাফিসকে দিয়ে। ব্যাপারটা ভালোই লেগেছে। বিভূতির তারানাথ কিংবা হালের সৌমিক দের কালীগুনীন ভালো লাগলে এইটাও পড়ে ফেলুন।তবে অন্ধকার ট্রিলজি নিজের জায়গা থেকে স্বকীয়। রেটিং:৪.২৫/৫

Tarik Mahtab Siam 2022-01-21 21:38:05

রফিক শিকদার, অন্ধকার ট্রিলজির মূল চরিত্র যার নানা অতিপ্রাকৃত অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে তিনটি বইয়ের কাহিনী এগিয়েছে। তিনটা বইয়ের অনেক চরিত্র একই থাকলেও ঝুলে যায়নি। কাহিনীর প্রয়োজনে চরিত্রগুলোর উপস্থাপন যথার্থ ছিলো। আমার মনে হয় এই বই যারা পড়েছে সবার মধ্যেই একটা প্রশ্ন বা অনুধাবন হয়েছে; খারাপ – ভালো কি আসলেই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ? ভালোর মধ্যেও লালন হয়। তফাৎটা শুধু নিয়ন্ত্রণের, দমনের। রফিক শিকদার বা তার সাথে থাকা মানুষগুলো এরই প্রমাণ দিয়ে গেছেন প্রত্যেক বিপদের মধ্যে, জীবন- মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। বইয়ের কাহিনী প্লট, লেখা সাবলীল। আটাশ বছর আগে ঘটে যাওয়া এক ঘটনার ছায়া পড়েছে রফিক শিকদারের জীবনে। অশুভ এই ছায়া তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে সব খানে। জমজ তিন ভাইয়ের রহস্যময় কাজকর্ম, তাদের অতীত সব মিলিয়ে কিসের সামনে দাঁড়াতে হবে রফিক শিকদার আন্দাজও করেনি। অদ্ভুত সব রহস্য দেখা দিচ্ছে তার চারপাশে। অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যতের কোন যোগসূত্র রফিক শিকদারকে টেনে এনেছে এখানে, তার দাদার মাজারে। এই বইয়ের (ট্রিলজি) সবচেয়ে যেটা আকর্ষনীয় লেগেছে তা হলো ঘটনাস্থলের বর্ণনা। যেখানে যে ঘটনার ঘটবে বা কোনো পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে স্থানের যে বর্ণনা দেয়া হয়েছে তা অনেক চমৎকার। ঘটনাগুলো পূর্নতা পেয়েছে এই বর্ণনার কারণেই।

Zabin Rahman 2022-01-12 15:08:12

এ রকম আরও বই