ঐতিহাসিক উপন্যাস। এটি মুঘল রাজপুত্রদের বিবাদকে কেন্দ্র করে রচিত। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৮৪ – ভাদ্র, ১২৮৫)। পত্রিকায় অসমাপ্ত উপন্যাসটি সমাপ্ত করে ১৮৮২ সালে ৮৩ পৃষ্ঠার প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা বেড়ে হয় ৯০। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে চতুর্থ সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা হয় ৪৩৪।

বাংলা গদ্যের সম্রাট বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে। তার হাতেই প্রথম বাংলা কথাসাহিত্য সাবালক হয়ে ওঠে। নিজস্ব চিন্তা ও সময়কালকে তিনি চিত্রিত করেছেন তার অসামান্য সব লেখায়। তিনি হুগলি কলেজে অধ্যয়নকালে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সংবাদ প্রভাকর ও সংবাদ সাধুরঞ্জনে লেখা শুরু করেন। তার অনেক লেখা এই দুই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। পড়া শেষ করে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। তিনি সারা জীবন তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন। তিনি বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। কমলাকান্ত ছদ্মনামেও লিখতেন তিনি। তার প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো- দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা, কৃষ্ণকান্তের উইল,দেবী চৌধুরানী, আনন্দমঠ।

No review found

Write a review

    Bad           Good
content title
Loading the player...
Boighor

Stay Connected