Matir Pingira

মাটির পিঞ্জিরা

Product Summery

‘খালপাড়ের নির্জনতায় লাঠি ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে পশ্চিম আকাশে ডুবতে বসা চাঁদের দিকে তাকিয়ে গভীর কষ্টে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল তারাজুল।’ কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলনের নভেলা ‘মাটির পিঞ্জিরা’র শেষ বাক্য এটি। লেখক তার চরিত্র বিন্যাসে জীবন বাঁকের এক উজ্জ্বল ছবি এঁকেছেন এই নভেলায়। জীনের গুঢ় রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা করেছেন। আবছায়া অন্ধকারে মুখের আড়ালের মুখোশকে দেখার মতোই তিনি পরিচয় করিয়ে দেন পরিচিত-অপরিচিত চরিত্রদের সাথে। ‘বাড়ির তিনটা সেয়ানা মেয়ে রাতভর বাড়ি থাকছে না, বাড়ির লায়েক ছেলেটির সেই হদিস থাকবে তা কী করে সম্ভব? মা-বাবা তাই জানবে না তাদের বাড়ির মেয়ে তিনটি হাটের আগের রাতে রাত কাটাতে যাচ্ছে হাটখোলার ছইলা নাওয়ে। রাত কাটিয়ে ফিরে আসছে ভোরবেলা। যাওয়ার সময় কে তাদের দুয়ার খুলে দিচ্ছে, ফেরার পর কে তাদের দুয়ার খুলে ঘরে নিচ্ছে ।’ অভাবের জীবনে এমন দৃশ্য পরি-শিরিদের মধ্যেই দেখা যায়। আর নিরব দর্শক তারাজুলের হাহাকার যেন জগতকে অসহ্য করে তোলে।

Tab Article

‘খালপাড়ের নির্জনতায় লাঠি ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে পশ্চিম আকাশে ডুবতে বসা চাঁদের দিকে তাকিয়ে গভীর কষ্টে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল তারাজুল।’ কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলনের নভেলা ‘মাটির পিঞ্জিরা’র শেষ বাক্য এটি। লেখক তার চরিত্র বিন্যাসে জীবন বাঁকের এক উজ্জ্বল ছবি এঁকেছেন এই নভেলায়। জীনের গুঢ় রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা করেছেন। আবছায়া অন্ধকারে মুখের আড়ালের মুখোশকে দেখার মতোই তিনি পরিচয় করিয়ে দেন পরিচিত-অপরিচিত চরিত্রদের সাথে। ‘বাড়ির তিনটা সেয়ানা মেয়ে রাতভর বাড়ি থাকছে না, বাড়ির লায়েক ছেলেটির সেই হদিস থাকবে তা কী করে সম্ভব? মা-বাবা তাই জানবে না তাদের বাড়ির মেয়ে তিনটি হাটের আগের রাতে রাত কাটাতে যাচ্ছে হাটখোলার ছইলা নাওয়ে। রাত কাটিয়ে ফিরে আসছে ভোরবেলা। যাওয়ার সময় কে তাদের দুয়ার খুলে দিচ্ছে, ফেরার পর কে তাদের দুয়ার খুলে ঘরে নিচ্ছে ।’ অভাবের জীবনে এমন দৃশ্য পরি-শিরিদের মধ্যেই দেখা যায়। আর নিরব দর্শক তারাজুলের হাহাকার যেন জগতকে অসহ্য করে তোলে।

Tab Article

ইমদাদুল হক মিলন বাংলা ভাষার জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। গল্প, উপন্যাস ও নাটক এই তিন শাখাতেই তিনি সিদ্ধহস্ত। ‘কিশোর বাংলা পত্রিকা’য় একটি শিশুতোষ গল্প লিখে তিনি সাহিত্যজগতে আত্মপ্রকাশ করেন। এপার-ওপার দুই বাংলায়ই তিনি তুমুল জনপ্রিয়। তাঁর আলোড়ন সৃষ্টিকারী উপন্যাসের মধ্যে 'নূরজাহান' অন্যতম। এ ছাড়া অধিবাস, পরাধীনতা, কালাকাল, পরবাস, কালোঘোড়া, মাটি ও মানুষের উপাখ্যান, জীবনপুর, লিলিয়ান উপাখ্যান, কবি ও একটি মেয়ে, পর, সাড়ে তিন হাত ভূমি প্রভৃতি তাঁর অন্যতম রচনা। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন। ইমদাদুল হক মিলন ১৯৫৫ সালে বিক্রমপুরের মেদিনীমণ্ডল গ্রামে নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার পয়সা গ্রামে।

ADD A REVIEW

Your Rating

0 REVIEW for মাটির পিঞ্জিরা !

এই লেখকের আরও বই

এ রকম আরও বই