Dabnish Akhyan; Asmaner Adhar

দাবনিশ আখ্যান; আসমানের আঁধার

Product Summery

এ এক অন্য দুনিয়ার গল্প। যে দুনিয়া আপনার চেনা-জানার বাইরে, আলাদা। দুনিয়াটি কেমন? মাটি থেকে অনেকটা উচ্চতায় রয়েছে কিছু ভাসমান ভূখণ্ড। একটা ভূখণ্ড হঠাৎ করে মান্দুব দ্বীপের ওপর এসে ভেড়ে; আর সেই ভাসমান ভূখণ্ড থেকে নেমে আসে বৃহৎ আকারের ভয়াল কিছু পোকা। দ্বীপবাসী এদের নাম দেয় আসমানের পোকা। পোকাগুলো এরই মধ্যে কয়েকজনকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। এদের আর খোঁজ মেলে না। ইব্রার, যে কি-না এই দ্বীপবাসীরই একজন, সকলের দিশেহারা অবস্থায়, সেই প্রথম রুখে দাঁড়ায়। শুরু করে সংগ্রাম। সংগ্রামের ঘাত-প্রতিঘাতে এগিয়ে যায় গল্প, দ্বীপবাসী খোঁজে পরিত্রাণের উপায়। দ্বীপের লবণ ব্যবসায়ী কায়াস হাম্মান আবার ভিন্ন কথা বলে। এতদিন ধরে ভুল উপাস্যের উপাসনা করার কারণেই নাকি এই সংকট! রুষ্ট হয়ে দেবতা আরাহুট এই সংকট পাঠিয়েছেন। সবার উচিত আরাহুটের উপাসনা করা। অন্যদিকে, নাইভা রাস্কি, যে কি-না একজন তাম্বুলক্রিয়ক, এই দ্বীপে ভ্রমণে এসে আটকা পড়ে যায়। সে দেয় পরিত্রাণের ভিন্ন এক উপায়। সেটি বড় ঝুঁকিপূর্ণ।

Tab Article

এ এক অন্য দুনিয়ার গল্প। যে দুনিয়া আপনার চেনা-জানার বাইরে, আলাদা। দুনিয়াটি কেমন? মাটি থেকে অনেকটা উচ্চতায় রয়েছে কিছু ভাসমান ভূখণ্ড। একটা ভূখণ্ড হঠাৎ করে মান্দুব দ্বীপের ওপর এসে ভেড়ে; আর সেই ভাসমান ভূখণ্ড থেকে নেমে আসে বৃহৎ আকারের ভয়াল কিছু পোকা। দ্বীপবাসী এদের নাম দেয় আসমানের পোকা। পোকাগুলো এরই মধ্যে কয়েকজনকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। এদের আর খোঁজ মেলে না। ইব্রার, যে কি-না এই দ্বীপবাসীরই একজন, সকলের দিশেহারা অবস্থায়, সেই প্রথম রুখে দাঁড়ায়। শুরু করে সংগ্রাম। সংগ্রামের ঘাত-প্রতিঘাতে এগিয়ে যায় গল্প, দ্বীপবাসী খোঁজে পরিত্রাণের উপায়। দ্বীপের লবণ ব্যবসায়ী কায়াস হাম্মান আবার ভিন্ন কথা বলে। এতদিন ধরে ভুল উপাস্যের উপাসনা করার কারণেই নাকি এই সংকট! রুষ্ট হয়ে দেবতা আরাহুট এই সংকট পাঠিয়েছেন। সবার উচিত আরাহুটের উপাসনা করা। অন্যদিকে, নাইভা রাস্কি, যে কি-না একজন তাম্বুলক্রিয়ক, এই দ্বীপে ভ্রমণে এসে আটকা পড়ে যায়। সে দেয় পরিত্রাণের ভিন্ন এক উপায়। সেটি বড় ঝুঁকিপূর্ণ।

Tab Article

তানজিরুল ইসলামের জন্ম লালমনিরহাটে। রংপুর জিলা স্কুল থেকে এসএসসি ও ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে যন্ত্রকৌশল বিভাগ থেকে অধ্যয়ন শেষ করেছেন। শৈশব থেকেই লেখালেখির প্রতি আগ্রহ। তানজিরুল ভালোবাসেন সায়েন্স ফিকশন ও ফ্যান্টাসি। থ্রিলার সাহিত্যের প্রতি রয়েছে তার আলাদা ঝোঁক। ‘অনুভূতিহীন’ নামক তার একটি কল্পবিজ্ঞানের গল্প প্রথম প্রকাশিত হয় কলেজ-ম্যাগাজিনে। থ্রিলার গল্প সংকলন-৪, অতীন্দ্রিয়, গল্প তরু, গল্পের আসর ও বিসর্গ সহ আরো কিছু সংকলনে তার বেশ কয়েকটি মৌলিক গল্প প্রকাশিত হয়েছে। বাতিঘর প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত মার্কিন থ্রিলার লেখক হারলান কোবেনের ‘টেল নো ওয়ান’ তার প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ। ‘প্রজাপতি বসে আছে মাত্রায়’ তার প্রথম মৌলিক উপন্যাস।

ADD A REVIEW

Your Rating

2 REVIEW for দাবনিশ আখ্যান; আসমানের আঁধার !

ফ্যান্টাসি বই। ওয়ার্ল্ড বিল্ডিং মোটামুটি ভালো, তবে ছড়ানো ছিটানো লেগেছে। স্পেশালি বইয়ের বেশিরভাগ অংশ অস্পৃশ্য দেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা নিয়ে। সিরিজের প্রথম বই হিসেবে কিছুটা ছাড় দেয়া উচিৎ হলেও সমালোচনার কিছু জায়গা রয়েছে। প্রথমত, শব্দচয়ন, বাক্যগঠনে ঠিক ফ্যান্টাসি ফিল আসেনি। আমার মনে হয় সম্পাদনার সময় বাক্যের গাঠনিক পরিবর্তন আনলে ফ্যান্টাসি বর্ণনা বেশ মানাতো। এছাড়াও, বইটা ছোট। ক্যারেক্টার ডেপথ আরেকটু দিলে মন্দ হত না। নেক্সট বইয়ের জন্য নানা অপশন ওপেন রাখা হয়েছে। লেখককে বলব পরবর্তী বই আরেকটু বড় করতে, বর্ণনা বাড়াতে, বর্ণনাশৈলী আর শব্দচয়ন পরিবর্তন করতে। আশা করি নেক্সট বইয়ে মূল ভূখণ্ড এক্সপ্লোর করা হবে৷ এধরনের ওয়ার্ল্ড বিল্ডিং নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। সিরিজে কয়টা বই থাকবে জানি না, তবে অন্তত পাঁচটা না থাকলে মন ভরার কথা না। পরের বইগুলোর জন্য শুভকামনা।

Monif Shah Chowdhury 2022-07-14 22:17:54

হারানোর অনুভূতি ঠিক কেমন হয়? প্রিয় কিছু হারিয়ে গেলে কী হয়? আপনজন ছেড়ে গেলে যন্ত্রণা ঠিক কতটুকু হয়? ভাবছেন আমি হয়তো কোনো রোমান্টিক উপন্যাসের আলোচনা করছি, ব্যাথা-বেদনা শুধু কি সমকালীন উপন্যাসে থাকে? হারিয়ে ফেলার তীব্র অনুভূতি যখন বড়ো দগদগে ক্ষতের সৃষ্টি করে তখন নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ কতটুকুই বা থাকে? হারানোর অনুভূতির বিপরীতে যখন আপন মানুষদের ভর্ৎসনা সহ্য করা লাগে তখনকার অবস্থা ঠিক কেমন হয় জানতে ❛দাবনিশ আখ্যান : আসমানের আঁধার❜ এপিক ফ্যান্টাসি উপন্যাসে আপনাকে ছোটো করে স্বাগত জানাচ্ছি। ছোটো করে স্বাগত জানানোর যে একটা কারণ আছে! যে জগতে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি সেটা মূলত সমুদ্রে থাকা অনেকগুলো দ্বীপের একটি, নাম—মান্দুব। যে দ্বীপের ওপরে মৃত্যুর কালোছায়া হয়ে ঝুলে আছে এক ভাসমান ভূখণ্ড! যেখান থেকে নেমে আসে বিভীষিকা। বাকিটা উপন্যাসের অন্তরালে... এই অন্তরালে বিভীষিকার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পাশাপাশি চলে বেঁচে থাকার লড়াই, ক্ষমতার লড়াই, ধর্মের লড়াই, নিজ স্বার্থ ও অস্তিত্ব উদ্ধারের লড়াই। আদতে লড়াইয়ের কোনো নির্দিষ্ট সীমারেখা নেই। যা এই দুনিয়ায় চলে তা অন্য দুনিয়ায়ও চলে। তবে এই লড়াইয়ের আসল ভিলেন কারা জানেন? মনুষ্য নামের হিংসালু জীব। যে জীবের বিরুদ্ধে লড়াই করা অন্য যে-কোনো কিছুর চেয়ে কঠিন। শঠতা ও কূটকৌশলে পূর্ণ এই জীব বড়ো ভয়ানক। এই জীব আপনার অন্তরের, আপনার পাশের, আপনার শ্রদ্ধার, আপনার সম্মানের। ঘরের শত্রু বিভীষণ, এই ঘর আমাদের পৃথিবী আর সেখানের শত্রু আমাদের আপনজন। যা ছিল, যা আছে আর যা সর্বদা থাকবে। যে ঘরে লড়াই হয় ধর্ম নিয়ে, অধিকার নিয়ে। অধিকার আদায় করার হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেয় ধর্মকে। ফ্যান্টাসি হিসেবে ❛দাবনিশ আখ্যান : আসমানের আঁধার❜ উপন্যাসকে পুরোপুরি এপিক বলা যাবে কি-না এই নিয়ে দ্বিধায় আছি। কারণ লেখক সেকেন্ডারি ওয়ার্ল্ড বিল্ডিংয়ে ‘পৃথিবী’-এর বিপরীতে অন্য কোনো নাম প্রয়োগ করেননি। মান্দুপ দ্বীপটি এই পৃথিবীর কোনো এক সমুদ্রে রয়েছে ধরে নিতে হচ্ছে। কোন সমুদ্রে সেটার নামও উল্লেখ নেই। থাকলে ভালো হতো। উপন্যাসের পুরো কাহিনি ঘটেছে এই মান্দুব দ্বীপ ও ভাসমান ভূখণ্ড কেন্দ্র করে। তবে লেখক শুধুমাত্র এই দ্বীপের অভ্যন্তরীণ কাহিনি নিয়ে বসে থাকেননি। কাহিনির ধাপে ধাপে তুলে নিয়ে এসেছেন বিভিন্ন জাতির কথা, তাদের ক্ষমতার কথা। তারমধ্য উল্লেখযোগ্য হচ্ছে—সিওকিন, অস্তার, তামাউন ইত্যাদি। ক্ষমতার দিক থেকে ‘সিওকিন’রা তাম্বুল ক্রিয়ক হয়ে থাকে। তাম্বুল হচ্ছে কোনো ক্রিয়া প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যম। হতে পারে সেটা ম্যাজিক, যাদু-টোনা এই টাইপ। এই তাম্বুল ক্রিয়কের মধ্যে আবার ভাগ রয়েছে, সেখানে যারা নিজেদের ‘রূপান্তর’ করতে পারে তারা আবার ‘স্থানান্তর’ করতে পারে না। বাধ্যবাধকতা এক্ষেত্রে রয়েছে। তবে এই তাম্বুল ক্রিয়া করতে প্রয়োজন হয় ‘কা’-এর। কী এই কা? অন্যদিকে ‘অস্তার’ জাতির লোকেরা হচ্ছে লড়াকু প্রজাতির। জন্ম থেকে তারা লড়াই করার মনোবলের পাশাপাশি হিলিং অ্যাভিলিটি ধারণ করে। অর্থাৎ কেউ আহত হলে, তার শরীর নিজ থেকে হিলিং সাপোর্ট দিয়ে দ্রুত সুস্থ করে তোলে। এছাড়া মান্দুব দ্বীপের মতো পুরো সেকেন্ডারি ওয়ার্ল্ডে একইরকম আরও দ্বীপ রয়েছে। তবে সেগুলো নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা নেই, সিরিজের পরের বইগুলোতে আসবে হয়তো। এক দ্বীপ থেকে আরেক দ্বীপে যাতায়াতের জন্য জাহাজ রয়েছে। জাহাজ যেহেতু আছে জলদস্যু তো থাকবেই। আরেকটি জাতি রয়েছে সেটি হচ্ছে—অস্পৃশ। কারা এই অস্পৃশ আর কে এই জাতির সম্রাট সেটা এই উপন্যাসের টুইস্ট। ❛দাবনিশ আখ্যান : আসমানের আঁধার❜ উপন্যাসের ভালোলাগার পাশাপাশি কিছু অতি নাটকীয়তা রয়েছে। যা কিছুক্ষেত্রে কাহিনির গতি নিম্নদিকে ধাবিত করেছে। আলোচনা করা যাক– গল্প বুননে লেখকের পারদর্শীতা ভালো তবে সেটাকে আরও শানিত করার প্রয়োজন ছিল। শুরুর দিকে যেটা করার দরকার সেটা করতে উনি কিছুটা ব্যর্থ। প্রথম ইমপ্রেশনস যেভাবে হওয়া দরকার সেভাবে হয়নি। এক্ষেত্রে কাহিনিতে ঢুকতে অনীহা আসতে পারে, এমনিতে আকর্ষণ করার মতো এলিমেন্ট তেমন ছিল না। তবে কয়েক অধ্যায় যাওয়ার পর সিকুয়েন্স সুন্দর করে সাজিয়েছেন। আবার ইমোশন তৈরির পূর্বে সেটাকে খতমও করেছেন। অর্থাৎ কোনো ঘটনার প্রবাহ ঘটার আগে সেটা থামিয়ে দিয়েছেন একইসাথে কোনো চরিত্রের প্রতি অনুভূতি তৈরি করার পূর্বে আঘাত করে চুরমারও করেছেন। এসব ছোটোখাটো দিকগুলো গল্প বুননে বাধা সৃষ্টি করেছে। আশা করছি দ্বিতীয় পার্টে লেখক বিষয়গুলো কাটিয়ে উঠতে পারবেন। সাহিত্যের ফুলঝুরি, ভারী শব্দ, যৌগিক বাক্য এইরকম কিছু লেখনশৈলীতে ছিল না। লেখনশৈলীর যে দিকটি বেশি আকৃষ্ট করেছে সেটি হচ্ছে পুরোপুরি বাংলা ভাষা নির্ভর। লেখক অপ্রয়োজনে তো দূরে থাক, প্রয়োজনে বাক্যে ইংরেজি ঢুকিয়ে পাণ্ডিত্য দেখাতে যাননি। প্রাঞ্জল বাক্য দিয়ে পুরো উপন্যাস লেখেছেন সাথে ওয়ার্ল্ড বিল্ডিং করার জন্য যেসব উপকরণ এনেছেন সবকিছু সোজা বাংলায় বর্ণনা করেছেন। সংলাপে দিকেও এই বিষয়টি বিশেষ নজরে রেখেছেন। পুরো উপন্যাস যদি আপনি এক বসায় শেষ করতে পারেন তাহলে লেখনশৈলীর জন্য সেটা অনায়াসে সম্ভব। টানা পড়া যায়, প্রথম দুই অধ্যায় কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি করলে সেটা সহজে কাটিয়ে দারুণভাবে পুরো গল্প উপস্থাপন করেছেন। লেখনশৈলী যতটা পোক্ত ছিল সেদিক থেকে বর্ণনাভঙ্গি আরও স্ট্যাবল হওয়া ডিজার্ভ করে। তবে পারিপার্শ্বিক বর্ণনা, অ্যাকশন সিকোয়েন্স সিনেম্যাটিক স্টাইল ফুটিয়ে তুলেছেন ভালোভাবে। গতানুগতিক ছাপ স্পষ্ট। চরিত্রদের প্রভাব, চিন্তা-ভাবনা, গঠন, মনস্তাত্ত্বিক ক্রিয়াকলাপ দক্ষতার সাথে বর্ণনা করার চেষ্টা করেছেন। উপন্যাসের সংলাপে ফ্যান্টাসি ফ্লেভার মিসিং লেগেছে। কেমন যেন সাধাসিধা ভাব, পাঞ্চ লাইনের অভাব। তার ওপর সেকেন্ডারি ওয়ার্ল্ডে রবীন্দ্রসংগীত ঢুকানো ঠিক হজম হলো না। যা-ই হোক, ফ্যান্টাসি উপন্যাসে বর্ণনা হচ্ছে একজন লেখকের মূল অস্ত্র। কারণ যে গল্প বিল্ডাপ করেছেন সেটা সম্পূর্ণ লেখকের মস্তিষ্ক প্রসূত। সেদিক থেকে সাবলীলতা না থাকলে পাঠকের কাহিনিতে ঢুকে কল্পনা করতে বেগ পেতে হয়। লেখক এইদিকে খেয়াল রেখেছেন। তবে কিছু জায়গায় আরেকটু বেটার হতে পারত। চরিত্রের ছড়াছড়ি থাকলেও ফোকাসে ছিল কয়েকজন চরিত্র। ইব্রার

Peal Roy Partha 2022-02-02 11:41:06

এ রকম আরও বই