Samudra Theke Samatale

সমুদ্র থেকে সমতলে

Product Summery

১৭ বছর বয়সেও জানতাম না ১৮তে সমুদ্রে চলে যাবো, জানতাম না গভীর সমুদ্রে পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় যুদ্ধ জাহাজের ডেকে দাঁড়িয়ে ডলফিনের ঝাঁকের পাশাপাশি নীলাভ জল কেটে এগিয়ে যেতে কেমন লাগে। নিজের গণ্ডিকে বুঝতে হলে যে বার বার নিজেকে ভেঙেচুরে গণ্ডির সীমানা বদলাতে হয়, নিঃসংকোচে সেটা বুঝতে কেটে গেছে তারুণ্যের দারুণ কিছু বছর। নিশ্চিত ভবিষ্যৎকে এড়িয়ে গিয়ে আবার শূন্য থেকে শুরু করার অসহনীয় যন্ত্রণা আর শূন্যের বাঁ দিকে একের পর এক সংখ্যা বসিয়ে নিজেকে আবার গড়ে নেয়ার দীর্ঘ যাত্রাটা সবার সাথে ভাগ করে নেয়ার ইচ্ছে থেকেই এই বই লেখা। সামর্থ্যহীন মধ্যবিত্তকে নিজের যোগ্যতা প্রমাণের জন্য এই শহরে কত দরজায় যে কড়া নাড়তে হয়, একটু ভালো থাকতে হলে যে সবকিছু ছাপিয়ে পরিবার আর নিঃস্বার্থ কিছু বন্ধুর প্রয়োজন হয় সবচেয়ে বেশি, সেটা শিখে নিতে হয়েছে বাস্তবতার মুখোমুখি একাধিকবার দাঁড়িয়ে। সমুদ্র আর সমতলের রাত আর দিনের গল্পটা আমি অপরিপক্ক হাতে সবার কাছে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছি এই বইয়ের পাতায় পাতায়। দমে না গিয়ে শুরু থেকে আবার শুরু করা সব মানুষদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা।

আরও পড়ুন >

Tab Article

১৭ বছর বয়সেও জানতাম না ১৮তে সমুদ্রে চলে যাবো, জানতাম না গভীর সমুদ্রে পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় যুদ্ধ জাহাজের ডেকে দাঁড়িয়ে ডলফিনের ঝাঁকের পাশাপাশি নীলাভ জল কেটে এগিয়ে যেতে কেমন লাগে। নিজের গণ্ডিকে বুঝতে হলে যে বার বার নিজেকে ভেঙেচুরে গণ্ডির সীমানা বদলাতে হয়, নিঃসংকোচে সেটা বুঝতে কেটে গেছে তারুণ্যের দারুণ কিছু বছর। নিশ্চিত ভবিষ্যৎকে এড়িয়ে গিয়ে আবার শূন্য থেকে শুরু করার অসহনীয় যন্ত্রণা আর শূন্যের বাঁ দিকে একের পর এক সংখ্যা বসিয়ে নিজেকে আবার গড়ে নেয়ার দীর্ঘ যাত্রাটা সবার সাথে ভাগ করে নেয়ার ইচ্ছে থেকেই এই বই লেখা। সামর্থ্যহীন মধ্যবিত্তকে নিজের যোগ্যতা প্রমাণের জন্য এই শহরে কত দরজায় যে কড়া নাড়তে হয়, একটু ভালো থাকতে হলে যে সবকিছু ছাপিয়ে পরিবার আর নিঃস্বার্থ কিছু বন্ধুর প্রয়োজন হয় সবচেয়ে বেশি, সেটা শিখে নিতে হয়েছে বাস্তবতার মুখোমুখি একাধিকবার দাঁড়িয়ে। সমুদ্র আর সমতলের রাত আর দিনের গল্পটা আমি অপরিপক্ক হাতে সবার কাছে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছি এই বইয়ের পাতায় পাতায়। দমে না গিয়ে শুরু থেকে আবার শুরু করা সব মানুষদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা।

Tab Article

১৯৮০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ২০ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন সোলায়মান সুখন। গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া হলেও বাবার সামরিক বাহিনীর চাকরি সুবাদে দেশের বিভিন্ন শহরের বিভিন্ন স্কুল আর কলেজে পড়ালেখা করেছেন। স্কুল জীবনে দেয়াল পত্রিকায় লেখালেখির শুরু। কলেজে বাস্কেটবল আর বিতর্কের ভক্ত ছিলেন। বিতর্ক আর উপস্থিত বক্তৃতার স্ক্রিপ্ট লিখে দিতেন সহপাঠিদের। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিতে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে যোগ দিয়ে ২০০০ সালে নৌ কর্মকর্তা হিসেবে কমিশন লাভ করেন। যুদ্ধ জাহাজে টহল দেয়ার দিনগুলোতে নিয়মিত দিনপঞ্জিকা লিখতেন যা এখনো সযত্নে রেখে দিয়েছেন। ২০০৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইবিএ থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। গত ১৪ বছরে কয়েকটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে বিক্রয় ও বিপনন নিয়ে কাজ করছেন তিনি। পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিথি লেকচারার হিসেবে পড়িয়েছেন। ২০১০ সাল থেকে ক্ষুদ্র ব্লগ ও ভিডিও ব্লগ শুরু করেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সুখন দেশের অন্যতম শীর্ষ ভিডিও ব্লগার। এ পর্যন্ত তার অনুপ্রেরণামূলক ভিডিওর সংখ্যা ৩ শতাধিক, যা ৫ কোটিবারের বেশি দেখা হয়েছে ইন্টারনেটে। সোলায়মান সুখন দেশে ও বিদেশে প্রায় ৩৫০টি অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দিয়েছেন। সুইডেনভিত্তিক পাট গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘জুটবর্গ’-এ তিনি গ্লোবাল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাম্বাসেডর। সংসার জীবনে তিনি বিবাহিত ও এক কন্যা সন্তানের জনক।

2 REVIEW for ' সমুদ্র থেকে সমতলে'

That's great sir....

das Aditya 2021-10-04 15:59:18

বইটি পড়তে ভালো লাগলো

Md Ali Dewan 2021-10-03 21:13:34

ADD A REVIEW

Your Rating


content title
Loading the player...