banner

Audio Books

Items Showing 1 to 24 from 109 books results

একাকী

মধুমিতা চক্রবর্ত্তী

মধুমিতা চক্রবর্ত্তী তাঁর ‘একাকী’ উপন্যাসে তুলে ধরেছেন এক নারীর গল্প। যে গল্পে তিনি মানবিক সম্পর্কের শিকড় আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকতে চান। বেঁচে থাকতে চান নিজের জন্য যতটা না, তার চেয়ে অনেক বেশি অন্যের জন্য, কাছের মানুষগুলোর জন্যে। বেঁচে থাকতে চান একান্ত নিজের মতো করে। প্রত্যেক মানুষই তার নিজস্ব উপলব্ধির ভার একাকী বহন করে। এক্ষেত্রে সমাজ-সংসার তেমনভাবে কারও পাশে দাঁড়ায়না। নিবিড় সম্পর্কের অমোঘ টানে হয়তোবা ব্যর্থ হয়ে যায় কারও জীবনের স্বাভাবিক আয়োজন। একজনের হৃদয়ের ভাষা অন্যজনের কাছে দুর্বোধ্য হয়ে উঠে। মানুষ তার আত্মোপলব্ধির দায় বহন করতে গিয়ে হয়ে পড়ে আরও নিঃসঙ্গ, আরো একাকী।

হৈমন্তী

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

হৈমন্তী গল্পে উঠে এসেছে মানুষের সম্পর্কজালের মধ্যে বহমান জটিল রূপ। কেন্দ্রীয় চরিত্র হৈমন্তী’কে ঘিরে রয়েছে তৎকালীন হিন্দু সমাজের চিত্র। হৈমন্তী’র প্রতি ছিলো স্বামী চরিত্র অপু’র অগাধ ভালোবাসা! অপু’র বাবার ধারণা হৈমন্তীর বাবা বড় চাকরি করেন। রাজার মন্ত্রী তিনি। তার প্রচুর টাকা-পয়সা ব্যাংকে জমা রয়েছে। সুতরাং পণের টাকা যা পেয়েছেন, ভবিষ্যতে আরো পাবার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু যখন জানতে পারেন যে, হৈমন্তী’র বাবা একজন সাধারণ স্কুল মাস্টার! তখন থেকে শ্বশুর বাড়িতে নেমে আসে হৈমন্তী’র জন্য নরকবাস! নিষ্ককলঙ্ক নারী হৈমন্তী ঘুনে ধরা সমাজে যৌতুকের কষাঘাতে নির্যাতনের শিকার!

পোস্টমাস্টার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

পোস্টমাস্টার, রতন ও প্রকৃতি এই গল্পের মূল চরিত্র। জলের মাছকে ডাঙায় তুললে যেরকম হয়, গণ্ডগ্রামের মধ্যে এসে পোস্টমাস্টারেরও সেই দশা উপস্থিত হয়েছে। অন্ধকার একটা আটচালার মধ্যে তার দপ্তর। অতি সামান্য বেতনের সাধারণ একজন পোস্টমাস্টারের প্রেমে পড়ে গ্রাম্য বালিকা রতন। প্রধান দুটি চরিত্রের আবেগ নিয়ন্ত্রণে প্রকৃতি বিশেষ অবদান রাখে। প্রেম বিচ্ছেদে পোস্টমাস্টারের প্রেমিকা উন্মাদ প্রায় হয়ে গেলেও পোস্টমাস্টার বাস্তবের মুখোমুখি হয়। অজপাড়াগাঁ ছেড়ে কলকাতা শহর যেতে তার মন ব্যাকুল হয়। সমাজকে অস্বীকার করে শুধু প্রেমের টানে এই দুই মানব-মানবীর সারা জীবন এক সঙ্গে থাকার স্বপ্ন কি হবে তাহলে?

সিদ্ধ পুরুষ

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

পূর্ববাংলায় এক মহকুমা শহরে নিখিলের বাবা একজন নামকরা হাকিম। তালুকদার শশাঙ্ক চক্রবর্তীর ছেলে অজিতের সাথে খুব ভাব হয় নিখিলে। তারা একই ক্লাসে পড়ে। অজিতদের গ্রামের বাড়িতে প্রতি বছর খুব সমারোহের সঙ্গে পূজা হয়। এ বছর নিখিলকে অজিত নিমন্ত্রণ করে। বাংলাদেশের রোগে ভরা গাঁয়ের চারদিকে জল কাদা। থাকার ব্যবস্থাও নোংরা। তাতে লোক গিজগিজ করবে পূজো উপলক্ষে! একারণে নিকিলের বাবা-মা প্রথমে তাকে সেখানে যেতে বাধা দিলেও শেষ পর্যন্ত অনুমতি দেয়। অজিতদের বাড়ি পৌঁছতে প্রায় সন্ধ্যা হয়। নিখিলের খুব ক্ষিধে পায়। কিন্তু প্রতিমা বিসর্জনের পূর্বে খাওয়া যাবে কি? নিখিল কয়েক গ্লাস সিদ্ধির সরবত খেয়ে নেয়। নিখিল জীবনে এই প্রথম সিদ্ধি খেয়ে আবোল তাবোল বলা শুরু করে। নিখিল কি তাহলে পাগল হয়ে গেলো?

পোড়া ছায়া

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

ভূত দেখে নীলা চিৎকার করলেও কোনো শব্দ বের হলো না। বরং কানের কাছে হঠাৎ বিকট একটা আওয়াজ উঠায় আঁতকে উঠে সে মূর্ছা যায়। প্রফুল্ল বাবুও একরাতে দেয়ালে ছায়া মূর্তি দেখেন। ছায়া মিলিয়ে যাওয়ার পর তিনিও গলা ফাটিয়ে আর্তনাদ করেন। কিন্তু কোনো আওয়াজ হলো না। ভূতের রহস্য উদঘাটনের জন্য প্রফুল্ল বাবু তার মেয়েকে নিয়ে রাত জেগে বসে থাকে। হঠাৎ ঘরের মধ্যে একটা অদ্ভুত অস্পষ্ট গড়গড় চাপা আওয়াজ শুনতে পায়। সেই সঙ্গে দেয়ালে দেখা যায় চারটি পোড়া ছায়া! ছায়াগুলো আচমকা হাত ঘড়িটাসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র তুলে নিয়ে যায়। তারা সকলে ভয়ে চিৎকার করে। এই ছায়া রহস্য ও অদ্ভুত আরো ভৌতিক ঘটনা জানতে শেষপর্যন্ত বইয়ের সঙ্গে থাকা যাক।

এলো

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

বেশ ক’বছর খালি পড়ে থাকা হরিশবাবুর বাড়ির দরজায় তালা ঝুলতে দেখা যায়। জানালাও বন্ধ। হঠাৎ করে হরিশবাবু তার পরিবারসহ কোথায় যেন উধাও হয়ে যায়। বাড়ির আঙিনা আগাছায় ভরে গেছে। হরিশবাবু একটা ঠিকানা দিয়ে গিয়েছিল বিমানের বাবাকে। কিন্তু অনেক চিঠি দেওয়ার পরও কোনো উত্তর আসেনি। হঠাৎ এক রাতে বিমান শুনতে পায় হরিশবাবু বাড়ি এসেছে। তার বাড়িটি আজও বাইরে থেকে তালা দেওয়া। বিমান খুশি হয়ে তার বাল্য বন্ধুর সাথে দেখা করতে গেলে ঘরের ভিতর থেকে একটা চাপা কান্নার আওয়াজ শুনতে পায়। এমন সময় হঠাৎ গোরা এসে বিমানের হাত ধরে। তার হাতটা কেমন যেন শীতল। বিমান ভয়ে কেঁপে উঠে! দরজা না খুলে সে এলোই বা কি করে? সে কি ভূত না কি! হরিশবাবুর চেহারাটাও রহস্যময়! বিমান বাড়ি ফিরলে তার প্রচণ্ড জ্বর হয়!

Items Showing 1 to 24 from 109 books results

Boighor

Stay Connected